বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ক্ষমার অতুলনীয় দৃষ্টান্ত

"ইসলামিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান mim (০ পয়েন্ট)

X মহানবী দীনের কাজে চলতে গেলে তায়েফের বাজে লোকেরা তার পা লক্ষ্য করে পথের দুপাশ থেকে অবারাম পাথর ছুড়ে মারতে লাগলো। এতে দীনের নবীর পা ফেটে গেলো। রক্ত গড়িয়ে পড়তে লাগলো তার পা থেকে। এত বেশি রক্ত পা থেকে পড়ল যে তিনি হাটতে পারছিলেন না। মহানবী একসময় মাটিতে পড়ে গেলেন। কিন্ত ঐ পাষাণ লোকেরা তাতেও থামলো না। তারা মহানবীকে উঠিয়ে নিয়ে আবারো পাথর মারতে লাগলো। এভাবে নবীর জীবন হয়ে উঠলো সংসয়পূর্ণ। অবশেষে মহানবী তায়েফ ছেড়ে দেয়ার জন্য মন ঠিক করলেন। তখন অত্যাচার আরো বেড়ে গেলো। নবীর দেহ প্রায় রক্ত শূন্য হয়ে পড়লো। তিনি অবশ হয়ে পড়ছিলেন। রক্ত গড়িয়ে তার জুতায় প্রবেশ করছিলো। এবং পায়ের সাথে জমাট বেধে যাচ্ছিল। জুতা খুলতে পারছিলেন না তিনি। ওজু করা, নামাজ পড়া সবই তার জন্য কঠিন হয়ে পড়লো। তারপরও নবীজী ওজু করে নামাজ পড়লেন। নামাজ শেষে দু হাত তুলে আল্লাহর কাছে মোনাজাত করলেন। এতকিছুর পরেও তিনি তায়েফবাসীকে বদদোয়া করলেন না। তিনি আল্লাহর নিকট বললেন, "হে মাবুদ,আমি তোমার সাহায্য চাই। তুমি আমাকে সাহায্য করো এবং আমাকে এ বিপদ থেকে বাচাও। " মহানবী মক্কার পথে রওনা দিলেন। তখন আল্লাহর নির্দেশে পাহাড়ের ফেরেশতা এসে নবীজীর কাছে এসে হাজির হলেন এবং তায়েফবাসীকে পাহাড় চাপা দিয়ে মেরে ফেলার অনুমতি চাইলেন। মহানবী (সা)তাতে রাজি হলেন না। বরং তিনি বললেন, "আমি চাই তায়েফবাসীরা বেচে থাকুক। তারা মারা গেলে আমি কার কাছে ইসলাম প্রচার কোরবো? তাদের বংশধরেরাকো দীনের দাওয়াত কবুল করকে পারে। "আমাদের মহানবী ছিলেন এমন ক্ষমার অতুলনীয় দৃষ্টান্ত।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৭৭ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now