বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
আমাদের বাড়ির পাশে ছিলো অরপিদের বাড়ি। অরপির দাদি খুব রসিক মানুষ ছিলো। আমাদেরকে গল্প বলে শুনাতো। দাদি পাখি মেরে রান্না করে আমাদের সবাইকে খেতে দিতো। ওদের রান্নাঘরের সামনে একটা ঘেরা জায়গা। সেখানে বসে উঠানে ভাত ছিটিয়ে দিতো। আর একটা দড়ির সাথে বাধা থাকতো পলোয়ের মাথা। রান্নাঘরে বসে দড়িটা টেনে ধরে রাখতো দাদি। আর আমরা সবাই তার পাশে। যেই একটা পাখি খেতে খেতে পলোয়ের মধ্যে আসতো অমনি সুযোগ বুঝে দড়িটা দিতো ছেড়ে। আর পাখিটা পড়তো আটকা। যখন কোনো পাখি আটকা পড়তো আমরা সবাই মিলে চিৎকার করে উঠতাম। পরে পাখিটা দিয়ে হয় রান্না করে খেতাম না হয় পিকনিক করে খেতাম। কতটাযে মজা লাগতো তা বলার মতো নয়। এখন খুব মনে পড়ে ঐ মুহূর্ত গুলো। দাদি যেখানেই যেতো আমাদের সাথে নিয়ে যেতো। আমরা দাদিকে চাঁদের মা বুড়ি বলেও ডাকতাম মাঝে মাঝে। দাদি সবসময় হাশিখুশি থাকতো। এখন গেলে দেখি না দাদির মুখের আগের মতো সেই হাশিটা। মাত্র কটা বছর তারই মাঝে এত পরিবর্তন। কিন্তু সবথেকে ভালো বছরগুলো ছিলো আমার ছোটবেলায় গ্রামের বাড়িতে থাকা ঐ বছরগুলো।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now