বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

বিশুদ্ধ মানব প্রকল্প (পর্ব-২)

"সাইন্স ফিকশন" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান উৎস বিশ্বাস (০ পয়েন্ট)

X ৬ মঙ্গল গ্রিন ক্যাম্পের স্পেস ডিপার্টমেন্টে হইচই শুরু হয়ে গেল। মেভ টিকে কোন ভাবেই পাওয়া যাচ্ছেনা।এই রকম হওয়ার কথা নয়। এস্টরয়েড এলাকাটা পুরাটা নিয়ন্ত্রনের বাইরে চলে গেছে। এরর রেট সর্বোচ্চ পর্যায়ে। সব সিগন্যাল এর ঠিক উল্টা সিগন্যাল তৈরী হচ্ছে, আর ইন্টারফেরেন্সে সব মিলিয়ে যাচ্ছে।এটা অসম্ভব। মারস স্পেস ডিপার্টমেন্টে(এমএসডি) বিকটর এসে পৌছাল,কি হচ্ছে এইসব? আমরাও ঠিক বুঝতে পারছি না,ব্যাপারটা বুঝালো স্পেস ডিপার্টমেন্ট প্রধান,রন। বিকটর এমার্জেন্সি অবস্থা জারি করল পুরো ক্যাম্পে। নিহাত ক্যাঁথিকে নিয়ে পৌছল এমএসডি তে। আমি দুঃখিত নিহাত, এডেনবারকে একা পাঠানো ঠিক হয়নি। আমি ফেন্সের বাইরে যেতে চাই,নিহাত বলল। সেটা সম্ভব নয় নিহাত,এমার্জেন্সি অবস্থায় ফেন্সের বাইরে যাওয়ার নিয়ম নাই। তছাড়া মেভ গুলো স্যাটেলাইট নিয়ন্ত্রিত, আর আমাদের স্যাটেলাইট গুলো কাজ করছেনা। পৃথিবীর সাথেও আমাদের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। "কে করছে এই সব? পৃথিবীর বিদ্রোহী গ্রুপ? তার এখানে আসল কিভাবে?" "আমি এখনো কিছুই বলতে পারছি না" "তবে, যে প্রযুক্তি ব্যাবহার করেছে ওরা তার সাথে আমরা পরিচিত নই নিহাত",বলল বিকটর। ৭ মেভ থেকে পাহাড়ে উঠার জুতা নামিয়ে আনল এডেনবার,সে ভাবতেও পারেনি জুতা গুলো কাজে লাগবে।টেরং এর পৃষ্ঠ নরম ,পুরু মাইক্রোস্কোপিক বালির স্তরে ঢাকা। দেহের ভর ধরে রাখতে পারে না পাহাড়ের বালি।জুতা গুলো পায়ের ক্ষেত্রফল বাড়িয়ে ওজনের ব্যালেন্স করে। প্রায় এক ঘন্টা পর এডেনবার এস্টরয়েডটির কাছে পৌছাল।এস ৪৫ ড্রিল করতে প্রস্তুত ঐ অবস্থাতে স্থির হয়ে আছে এস্টরয়েডটির পাশে। কালো মত এস্টরয়েডটির নিচের দিকে দেখে বিস্মিত গেল এডেনবার। একটা নিখুত বৃত্ত আঁকা ওখানে। এটাকি পৃথিবীর কারো কাজ না এলিয়েনের? এডেনবার বৃত্তটি স্পর্শ করল,চমকে উঠল সে। সাথে সাথে ডিস্কের মত কিছু একটা বেরিয়ে গেল ওখান থেকে। ডিস্কটি কুঁড়িয়ে নিল সে,অসাধারন কারুকার্যের ডিস্কটির মাঝখানে এটা অদ্ভুত অপরিচিত চিহ্ন।সেটি স্পেস স্যুটের পকেটে নিয়ে নিল এডেনবার। সূর্য অনেকটা হেলে পড়েছে। দ্রুত ফিরতে হবে গ্রীন ক্যাম্পে।এস্টরয়েডটির কিছু স্যাম্পল নিয়ে এডেনবার হাঁটা শুরু করল।মেভে পৌছাতে আরো এক ঘন্টা লাগল তার। এস্টরয়েডের স্যাম্পল গুলো মেভ এ রেখে দিল সে। এখনো কোন ধরনের যোগাযোগ করা যাচ্ছে না গ্রিন ক্যাম্পের সাথে। স্যাটেলাইট নেভিগেশন ছাড়া এক পা ও নড়তে পারবে না মেভ। ৩৫ কিলোমিটার পথ পারি দিতে হবে পায়ে হেটে।সূর্য ডুবার আর দেড় ঘন্টা সময় আছে। উত্তেজনায় কিছুই চিন্তা করতে পারছে না সে। পায়ে হেঁটে সে বড়জোড় ৭-৮ কিলোমিটার যেতে পারবে,তারপর রাত নেমে আসবে মঙ্গলের মাটিতে। স্পেস স্যুটে অক্সিজনের ঘাটতি দেখা যাবে, আর পাঁচ ঘন্টা হয়তবা সেটা চলবে। এডেন বার এইসব চিন্তা মাথা থেকে সরিয়ে দিল।গ্রীন ক্যাম্পে তাকে ফিরে যেতেই হবে, নিহাতকে কথা দিয়ে এসেছে সে। মেভ আসার পথের চিহ্ন দেখে গ্রীন ক্যাম্পের দিকে পা বাড়ল সে। হটাৎ বিস্ফোরনে চোখ ধাঁধিয়ে গেল এডেনবারের। এস্টরয়েড টি বিস্ফরিত হয়েছে। মঙ্গলের মাটিতে পরে গেল সে। ৮ এডেনবার নিজেকে আবিস্কার করে ছোটবেলার পৃথিবীতে। চারিদিকে সবুজ আর সবুজ,স্বর্গ কি এমন হয়? দূরে আরো দূরে সবুজের মাঝে হারিয়ে যেতে ইচ্ছা হচ্ছে তার,অদ্ভুত মিষ্টি বাতাস চারিদিকে...... দূর থেকে কে যেন ডাকছে তাকে অস্পষ্ট সুরে।একটি শব্দই কানে এসে লাগল শুধু, মা...... ক্যঁথি আমার ক্যঁথি এডেনবার চোখ মেলল ধীরে ধীরে, ক্যাঁথি তাকে জড়িয়ে ধরে কাঁদছে । নিহাত বসে আছে পাশে। একটু একটু করে মনে পড়তে শুরু করেছে সব তার।এস্টরয়েড,বৃত্ত.....বিস্ফরন। এডেনবার অনুভব করে বেচেঁ আছে সে। নিহাত আমি কিভাবে এলাম এখানে? বলছি, তুমি শান্ত হও। বিস্ফরনের পর কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট গুলো আবার কাজ করতে শুরু করে। তোমাকে পাহাড়ের পাশে দেখতে পাই আমরা, এয়ার ওয়েতে তোমাকে গ্রিন ক্যাম্পে নিয়ে আসা হয়, গত ৪৮ ঘন্টা অচেতন ছিলে তুমি।তোমার কেমন লাগছে এখন? ভালো,নিহাতের হাত শক্ত করে ধরে রাখল এডেনবার। ক্যাঁথি,কাঁদছ কেন মা? তুমি আমাকে না বলে কোথায় গিয়েছিলে? আর যাব না,ক্যাঁথি।আর কখনো যাব না, ক্যাঁথি কে জড়িয়ে ধরল সে। ৯ সব কিছু স্বাভাবিক হয়ে আসে গ্রীন ক্যাম্পে,এমার্জেন্সি তুলে নেওয়া হয়। কিন্তু এস্টরেয়েডের ব্যাপারটা এখনো রহস্যময় থেকে গেছে।কাজ টা পৃথিবীর, কিংবা চাঁদের বেস ক্যাম্পের কারো নয়। সে ব্যপারে নিশ্চিত হওয়া গেছে। অবশ্য পৃথিবীকে জানানো হয়নি আসলে কি হয়েছিল। এডেনবারের নিয়ে আসা ডিস্ক নিয়ে গবেষনা হচ্ছে। কিন্তু কোন কুলকিনারা করা যাচ্ছেনা । এডেনবার অনেকটা সুস্থ হয়ে উঠে।কাজে যোগ দেয় সে। মঙ্গলে ইমার্জেন্সি পরবর্তি রিপোর্ট তৈরী করা হয়। কমিটির সামনে এডেনবার তার কাজের জবাবদিহিতা করছিল। এক কাউন্সিল ম্যান বলে উঠল, "আপনি যে পাহাড়ের অন্য পাশে যাবার সিদ্ধান্ত নিলেন,আপনার কি মনে হয়নি এটা গ্রিন ক্যাম্পের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হতে পারত?" "কিন্তু কিছু তো হয়নি,আমার সিদ্ধান্তটা ঠিক ছিল। ওখানে এছাড়া উপায়ও ছিল না। মেভ নিস্ক্রিয় হয়ে গিয়েছিল,গ্রীন ক্যাম্পের সাথে ও যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল। সব চেয়ে বড় ব্যাপারটা হল, আমাদের এস্টরয়েডের পাশে যেতেই হত, এস ৪৫ এস্টরয়েডের জ্যামিং সিস্টেম এক্টিভেট করে দিয়েছিল। সেক্ষেত্রে, আমি কাজটি অনেক সহজ করে দিয়েছি। ..................." "এডেনবার ঠিক কাজটিই করেছে,তার সাহসীকতার প্রশংসা জনাচ্ছি আমরা।" "ধন্যবাদ বিকটর" বলল এডেনবার। "তুমি কি পরবর্তি গবেষনায় যোগ দিতে রাজি আছ এডেনবার?" "অবশ্যই", বলল এডেনবার। ১০ এডেনবার এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে ডিস্কটির দিকে।সেটির এক পাশে খুব মসৃণ এবং অন্য পাশটা উত্তল। পরিধির দিকে বিচিত্র সব কারুকাজ। মাঝখানের চিহ্নটি দেখছ রিহান? হুম,চিহ্ন টি রহস্যময়। একটা ব্যপার খেয়াল করেছ, আমাদের ধারনা অনুসারে এটি কোন এলিয়েনের কাজ। কিন্ত দেখ এই কারুকাজ গুলো। দেখে খুব অপরিচিত মনে হয় না।তুমি প্রাচীন বিশ্বে এধরনের প্রচুর কাজ দেখতে পাবে। তুমি কি বুঝাতে চাচ্ছ? আমি সত্যি জানি না,বলল মঙ্গলের একমাত্র আর্কিওলজিষ্ট রিহান।তবে এই এলিয়েন গুলো হয়তবা প্রযুক্তিতে আমাদের চেয়ে অনেক এগিয়ে।তারা আমাদের সম্পূর্ন ইতিহাসটাই জানে। তোমার কি মনে হয় এই ডিস্কটাতে কি থাকতে পারে? আমার কোন ধারনা নাই, ডিস্কটাকে এক্স-রে দিয়ে পরীক্ষা করা হয়েছে। ডিস্কটা একটা নিরেট বস্তু।তবে আমার মনে হয়েছে জিনিসটা এনক্রিপটেড। মানে? এই প্লেটের উত্তল পাশে কিছু সুত্র দেওয়া আছে, ঐ চিহ্নটাকে আমার খুব সন্দেহ হচ্ছে। আর কোনকিছু এনক্রিপটেড থাকার অর্থ হল এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কিছু আছে। দেখ,এডেনবার আমি কিছু এটা খুঁজে পেয়েছি।উত্তেজিত হয়ে পড়ল রিহান। কারুকাজ গুলোর মধ্যে দেখ, এই জায়গাতে প্রথমে একটা ত্রিভুজ তারপর বিন্দু,একটি রেখা, একটি চতুর্ভুজ পর পর দেওয়া। বাহুহিসাবে ধরলে তিন শুন্য এক চার।চমকে উঠল রিহান। দাঁড়ও, এটা হবে ৩.১৪ পাই? চিৎকার করে উঠল এডেনবার।গ্রহানুর গায়ে নিখুন বৃত্তের কথা মনে পড়ে গেল তার। সেটা হওয়াটাই স্বভাবিক, সিম্বল অব পাই লিখে সার্চ দিল রিহান। দেখ পেয়েছি এডেনবার। চিহ্নটা প্রাচীন মায়ানদের পাইয়ের সিম্বল। আচ্ছা ডিস্কটির সাথে মায়ানদের সম্পর্ক কি?বলল এডেনবার। সেটা বুঝতেছি না,হতে পারে এর কোন ঐতিহাসিক গুরুত্ব আছে ।তাছাড়া এটা এনক্রিপশনের একটা ভাষা হিসাবে ব্যবহার করা হয়েছে। আমার মনে হয় মায়ান ভাষায় পাইয়ের মানটা হল কোড,হয়তবা কোডটি উচ্চারণ করলে কিছু একটা হতে পারে, বলল রিহান। বিকটর রিসার্চ ইউনিটে ঢুকল, কি খবর রিহান, এডেনবার। আমি তোমার কথাই ভাবছিলাম বিকটর,বলল এডেনবার। কি, কিছু পেলে? পুরো ব্যাপারটা ব্যাখ্যা করল সে। রিহান মায়ান ভাষায় পাইয়ের মান উচ্চারন করল। অদ্ভুত ব্যাপার ঘটল এর পর। ডিস্কটা শূন্যে লাফিয়ে উঠল,বিস্ময়কর সবুজ আলোয় ভরে যায় চারিদিক।প্রাচীন সব স্থাপত্য,মানুষের অতীত ইতিহাস, পিরামিড, মহাকাশ সব যেন এক এক করে ফুটে উঠতে থাকে। তারপর একটা অদ্ভুদ অবয় স্পষ্ট হতে থাকে। একটা ছায়ামূর্তি, অনেকটা মানুষের মত। অবাক দৃষ্টিতে চেয়ে থাকে এডেনবার,বিকটর ও রিহান । ১১ আমাদের এলিয়েন ভাবতে পার তোমরা,তবে যেন রাখ আমাদের শরীরে মানুষেরই রক্ত বয়ে চলেছে। একটু অবাক লাগল! সৌরজগতের বাইরে মানুষের রক্ত? ব্যাপারটা কিন্তু সত্যি,তোমরা কি কখনো লক্ষ্য করেছ তোমাদের ইতিহসের দিকে? মানুষের বিবর্তনের ইতিহাস?সভ্যতার ইতিহাসে? সেটা অনেক পুরোনো, পনের হাজার বছর আগের কাহিনী, মানুষ কিন্তু তখনই প্রযুক্তিতে অগ্রসর ছিল। তবে সব জায়গাতে সেটা সমান ছিল না। আমরা জানতাম এশিয়ারর কথা গ্রীকদের কথা, মায়ানদের কথা। হয়ত ভাবতে পার আমরা কিভাবে সভ্য হলাম কিংবা প্রযুক্তিতে কিভাবে অগ্রসর হলাম, বিজ্ঞান আসলে বিস্ময়কর এক জিনিস।মানব মস্তিষ্ক বিজ্ঞানকে হাজার ভাবে সংজ্ঞায়ীত করতে পারে।আমাদের বিজ্ঞান চর্চা শুরু টা হয়েছিল অন্য ভাবে,আমরা পুরোপুরি জৈব সভ্যতা। তোমরা ইলেক্ট্রন, প্রোটনকে বইয়ের পাতায় বিশ্লেষন কর, আমরা তাদেরকে অনুভবে বিশ্লেষন করি। তোমরা তৈরী করলে ইন্টারনেট, আমদের আছে জৈব নেটওয়ার্ক। কিংবা জ্বালানী পুরিয়ে মঙ্গলে আসলে তোমরা, আমরা গেলাম রেসাস গ্রহে কোঅর্ডিনেট লুপিং করে। প্রকৃতি অপ্রাসাঙ্গিকতা পছন্দ করে না। একটা ব্যাপার খেয়াল করলে দেখবে আমরা যা করেছি তোমরাও সে পথে হাঁটছ। পার্থক্য হল তোমাদের সময় বেশী লাগছে। তোমরা হয়ত জানতে চাইতে পার রেসাসে কেন গেলাম আমরা বা কিংবা কোথায় সে গ্রহ? সেটা অনেক টা তোমাদের মঙ্গলে আসার মতই।আমরা দৃষ্টি রাখছিলাম আকাশের দিকে, আমরা চেয়ে ছিলাম আমাদের সম্প্রদায় যেন ভিন্ন এক জগতে বেড়ে উঠে। রেসাস প্রায় ৫আলোক বর্ষ দূরের , প্রানের বিকাশ সক্ষম এক গ্রহ। তোমরা মঙ্গলে টেরাফার্মিং করার কথা ভাবছ। আমরা রেসাসে মানিয়ে নিলাম অন্যভাবে। রেসাসের আছে নিজস্ব প্রান সত্ত্বা,পৃথিবীর লাইফ ফর্মের মত তাদেরও আছে নিজস্ব জিন্স কোডিং। সেটা সম্পূর্ণটা ভিন্ন আমাদের থেকে।আমাদের মূল উদ্দেশ্য ছিল, ঐ গ্রহে টিকে থাকার সূত্র বের করে আনা।রেসাস লাইফ ফর্মের সাথে অভিযোজিত হওয়ার জন্য আমরা পরিবর্তন আনলাম আমাদের জিন্সে সেই সূত্র অনুসারে। শেষ পর্যন্ত আমরা সেটা করতে পারলাম এবং টিকে গেলাম রেসাসে। তোমরা আমাদের মানুষ নাও বলতে পার, কিন্তু আমরা মানুষই। মানুষের প্রতি, আমাদের অপরিসীম শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসা। এত সাফল্যের পরও,আমরা একটি ভুল করি। আমরা রাখিনি কোন বিশুদ্ধ জিন্স ফর্ম।এই ভুলটি সংশোধন করার জন্য তোমাদের সামনে হাজির হওয়া। আমরা খুঁজছিলাম এমন কাউকে তোমাদের মধ্যে যার জন্ম হয়েছে পৃথিবী তে। এডেনবার ছিল আমাদের পছন্দের তালিকায়। এডেনবার যখন গ্রহানুটির বৃত্তে হাত দিয়েছিল তখন সে বুঝতে পারেনি যে, তার জিন্স সিকুয়েন্স কপি করে নিয়েছি আমরা। এর প্রতিদান সরূপ তোমাদের দেয়া হল বিপরীত ধর্মী দুটি প্রযুক্তি। আমরা জানি লিঙ্গ ভারসাম্য নিয়ে তোমাদের সমস্যা।এটা খুবই গুরুত্বপূর্ন নতুন গ্রহে স্থায়ী হওয়ার জন্য। এবং সেজন্য অবশ্যই জেনেটিক্যাল পরিবর্তন আনতে হবে তোমাদের শরীরে। তোমরা হয়ত এটা নিজেরাই বের করতে পারতে, তবে সম্ভবত একিই ভুল করতে আমাদের মত।তোমরা নিশ্চয় শুধু মাত্র মঙ্গলে তোমাদের সীমাবদ্ধ রাখবে না।অন্য গ্রহে যখন তোমরা যাবে তখন মঙ্গলের জন্য আনা পরিবর্তন গুলো গুরুত্বহীন হয়ে পড়বে। বিশুদ্ধ জিন্স ফর্ম রেখে দেয়া তাই সব চেয়ে জরুরী। ব্যাপার দুটা হতে হবে একই সাথে। আমাদের উপস্থিতি তোমরা কিভাবে নেবে সেটা জানি না। তবে মনে রেখ তোমরা কখনো একা না এই অসীম মহাবিশ্বে। আবার ও তোমাদের জন্য ভালোবাসা। আস্তে আস্তে মিলিয়ে গেল ছায়া মূর্তিটি। পরিশিষ্ট মঙ্গল গ্রীন ক্যাম্প নতুন একটি প্রজেক্ট চালু করে। বিশুদ্ধ মানব প্রকল্প। বিকটর অবসর নেয় মঙ্গল গ্রীন ক্যাম্প প্রধানের পদ থেকে। বিশুদ্ধ মানব প্রকল্পে একটি মানব দেহ প্রয়োজন,সে নিজেকে উৎসর্গ করে সে গবেষনায় .....


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১২১১ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-
☆ ☆ ☆ ☆ ☆

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now