বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

বিশুদ্ধ মানব প্রকল্প (পর্ব-১)

"সাইন্স ফিকশন" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান উৎস বিশ্বাস (০ পয়েন্ট)

X ১ এডেনবার ওখানে যেওনা, চেঁছিয়ে উঠল বিকটর। আমি শুধু ফেন্স থেকে টেরং পাহাড় পর্যন্ত যাব,যা করব রোবট মডিউল দিয়ে করব,তুমি তো এস ৪৫ রোবটের কাজ সম্পর্কে জান। জানি, তাই বলে এই মূহুর্তে তুমি ফেন্সের বাইরে গিয়ে নতুন কোন ঝামেলা বাধাঁও সেটা আমি চাই না।আমাদের অক্সিজেন তৈরীর হার দিন দিন কমছে।সম্ভবত আমরা ভুল জায়গাতে ল্যান্ড করেছি। এখানে যত পরিমান জমাট বরফ ছিল বলে ধারনা করা হয়েছিল তত বরফ নাই, তুমি ভালো করে জান সেটা। কিন্তু এস্টরয়েড নিয়ে গবেষনা করাটাও গুরুত্বপূর্ণ কাজ। তুমি কি মহাকাশ বিজ্ঞান পড়নি? এই রকম হাজারটা এস্টরয়েড পড়তে পারে, কয়টার হিসাব রাখবে তুমি,আর সৌরজগতের এস্টরয়েড নিয়ে মানুষের নতুন করে কিছু জানার নাই। বিশেষ কোন এস্টরয়েড হলে? এর মধ্যে কি বিশেষত্ব খুঁজে পেলে?তাছাড়া ঐ পাথর টি পাহাড়ের ওপারে পড়েছে,এবং সেটা আমাদের জন্য তেমন হুমকি নয়।তার চেয়ে বড় কথা পাহাড়ের ঐপারে যাওয়াটা ঝুকিপূর্ন। বিকটর,তুমি এর মধ্যে শুনেছ যে,আমাদের কমিউনিকেশন সিস্টেমে ইন্টারফেরেন্স পাওয়া যাচ্ছে।ডিকোডিং এ এরর রেট অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে। এটা স্বাভাবিক, মিডিয়ামের বৈশিষ্ট্য পরিবর্তন হলে এই রকম হতে পারে। হুম, ঠিক বলেছ। কিন্তু এর মধ্যে কি আবাহাওয়ার কোন পরিবর্তন হয়েছে? বিকটর কিছুটা বিভ্রান্ত হয়ে পড়ল, না সেরকম তো কোন পরিবর্তন হয়নি,তবে এর সাথে এস্টরয়েডের সম্পর্ক কি ? আমি এরর রেটের স্টেটিক্সটিক দেখেছি,এস্টরয়েডটা পড়ার সাথে সাথে এরর রেটের উঠা নামা শুরু হয়েছে। আরো ব্যাপার আছে, এস্টরয়েড পড়ার ফিজিক্সটা দেখছ? মানে? ওটা ঠিক যেভাবে পড়ার কথা ছিল,ওভাবে পড়েনি। এস্টরয়েডটি পড়ার ঠিক ৩৮০ সেকেন্ড আগে এর গতির সূক্ষ্ম পরিবর্তন হয়,এটাকে কিভাবে ব্যাখ্যা করবে ? তবে..........., কিছু একটা বলে থেমে গেল বিকটর। এরর রেটের সাথে এস্টরয়েডের একটা সম্পর্ক থাকতে পারে সেটা ভেবে দেখা হয়নি,মনে মনে ভাবল বিকটর। ঠিক আছে , তুমি যেতে পার, তবে আজ নয় আগামীকাল। বিকটর বেরিয়ে গেল। এডেনবার একটু অবাক হল। টেরং পাহাড়ে যাওয়ার অনুমতি পেয়ে যাবে, এটা ভাবতে পারনি সে। সে তার ইউনিটে ফিরে এল,আরো তথ্য নিতে হবে। ২ সময় টা আসলে ভালো না, ক্যাম্পটা ভুল জায়গাতে করা হয়েছে। ভূতাত্ত্বিক জরিপে কোন না কোন ভুল ছিল। ১০০বছরের বরফের নিশ্চিত সরবারহের কথা ছিল, কিন্তু এখন মাত্র ২০ বছর পার হয়েছে। বরফের ৭০ ভাগ নিঃশেষ হয়ে গেছে ইতিমধ্যে। রিসাইকেল করার গবেষনার জন্য বেশী জোর দেয়া হচ্ছে ইদানিং, ফলে অন্যান গবেষনার ক্ষেত্র গুলো কমে আসছে। ২৩২ জনের মারস বেইস ক্যাম্পে ৭৫ জন পুরুষ ৮০ জন মহিলা ৭৭ জন শিশু। মঙ্গলের এই ক্যাম্পে অদ্ভুত এক পর্যবেক্ষন লক্ষ্য করা গেছে। এখানে মেয়েরা ভালো অভিযোজিত হতে পেরেছে।পৃথিবী থেকে যখন মারস গ্রীন ক্যাম্পটা উড়ে এসেছিল তখন ছিল, ১৫০জন পুরুষ ১৩০ মহিলা,আর ২০ জন শিশু। শিশু গুলো ধীরে ধীরে বেড়ে উঠেছে মঙ্গলের মাটিতে।২০ টি শিশুর মধ্যে ছিল এডেনবার একজন। এখন সে ২৫ বছর বয়সের তরুনী। মঙ্গলে যেসব শিশু জন্ম নিয়েছে তার বেশীর ভাগ, মেয়ে।এই বিষয় টা নিয়েও প্রচুর গবেষনা হচ্ছে।কারনটা খুঁজে পাওয়া না গেলে মঙ্গলে মানুষের ভবিষ্যত ভালো না। মঙ্গল গ্রিন ক্যাম্প বিশাল কাঁচের ফেন্সে ঢাকা এক এলাকা, মানুষের নতুন ঠিকানা।এই ক্যাম্পের সাফল্যের উপর নির্ভর করছে মানুষের মঙ্গলে স্থায়ী হওয়া। এখনো অনেক দূর সে পথের। ৩ ক্যাঁথি কে স্কুলে পাঠাতে হবে, "ক্যাঁথি কই তুমি, আস রোবট টা দাঁড়িয়ে আছে।" "আমি আসছি মা, জানো আজ স্কুলে খুব মজা হবে। আমাদের মিনি আর্থে নিয়ে যাবে রিহান।" "তাই? কোথায় যাবে আজ?" "সুন্দরবনে। আমার জংগলে ঘুরতে খুব ভালো লাগে মা।সেদিন আমাজানে এক খরগোশকে ধরতেই দৌড়ে পালিয়ে গেল, আমি আর রিওন ও দৌড়াতে শুরু করছি তারপর কি হলো জানো মা......." এডেনবার তার মেয়ের দিকে স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে,মাঝে মাঝে কষ্ট হয় ক্যাঁথির জন্য তার, এক মিথ্যা মায়াজালে বড় হচ্ছে তার সন্তান। এছাড়া উপায় ও নাই,মিনি আর্থ সিমুলেশন সেন্টারটি না থাকলে শিশুরা মানষিকভাবে বিকাশিত হত না।মানুষের মস্তিষ্ক অভিযোজিত হয়েছে পৃথিবীর পরিবেশ অনুসারে। সে সময় আফ্রিকার এক এলাকায় ভয়ংকর গবেষনা করা হয় গোপনে। কিছু শিশুকে বদ্ধ পরিবেশে পাঁচ বছর রাখা হয় সব সুযোগ সুবিধা দিয়ে,শুধু মাত্র পৃথিবীর পরিবেশ ছাড়া। এর পরিনিতি হয় বোধহীনতা।সে সব শিশু কোন দিনই স্বাভাবিক হয় নি।কারন তাদের মস্তিষ্কে পৃথিবী চিরদিনের জন্য হারিয়ে গিয়েছিল। অনেক চিন্তাভাবনা করে এই সিমুলেশন সেন্টারটি বানানো হয়,সবই মায়াজাল শিশুরা বুঝতে পারেনা। "............তুমি আমার কথা শুনছ মা?" "রিওন তো খরগোসটার পেছনে দৌড়াতে গিয়ে পরে গেল কাঁদায়।তুমি যদি দেখতে রিওনের মুখ...!" ক্যাঁথি হাসতে হাসতে মেঝেতে গরাগরি খাওয়ার মত অবস্থা। এডেনবারও হাসতে শুরু করল....তার মেয়ের সাথে স্কুলে নিয়ে যাবার রোবট অ্যালার্ম দিতে শুরু করেছে, "চল চল, স্কুলের দেরী হয়ে যাচ্ছে।" "এই রোবট,তোমার ঐ নীল বাতিটা কই,রোবটি সাথে সাথে বাতিটা বের করে দিল কপোট্রনের উপর।তোমার হাতের আংগুলটা ....." এডেনবার তাকিয়ে ছিল ক্যাঁথির চলে যাবার দিকে, মেয়েটা খুব দুষ্ট হয়েছে। এডেনবার হঠাৎ চমকে উঠল,নিহাত জড়িয়ে ধরছে পিছন থেকে। "তুমি যাওনি ল্যাবে?" "কি মনে করেছ আমাকে? তুমি যাচ্ছ ভয়ংকর একমিশনে আর আমি যাব ল্যাবে?" "না মানে.....ভয়ংকর মিশন কে বলল?" "কেন তুমি ফেন্সের বাইরে যাবে না?" "হুম,তবে বেশী দূর তো না, আর কাজটা তো আমি করব না।" "তোমার কথা শুনে মনে হচ্ছে, ফেন্সের বাইরে যাওয়া খুব সহজ একটা কাজ।যদি স্পেস স্যুট ফুটো হয়?ধুলি ঝড় গুলো কি বলে কয়ে আসে?এই পর্যন্ত গ্রিন ক্যাম্পে সবচেয়ে বেশী মারা গেছে কিভাবে?ফেন্সের বাইরে কাজ করতে গিয়ে। আমার কথা বাদ দাও তোমার কিছু হয়ে গেলে ক্যাঁথির কি হবে? এই প্রানহীন গ্রহে কিভাবে বাঁচবে সে?" "এত ভয় পাচ্ছ কেন তুমি?এমন কিছু হবেনা,আমি নিরাপদেই ফিরে আসব,তাছাড়া এস্টরয়েড সম্পর্কে যথেষ্ট খবর নিয়েছি। সেটি আদিম সোলার নেবুলার অংশ, সি-টাইপ এস্টরয়েড। আর ফেন্সে বাইরে কাজ করার জন্য আমরা যথেষ্ট ট্রেনিং নিয়েছি।মঙ্গলেই তো আমরা বেড়ে উঠেছি...তুমি শুধু শুধু ভয় পাচ্ছ।" "যদি তোমার কিছু হয়ে যায়?" নিহাত কে শক্তকরে জড়িয়ে ধরে চুমু খেতে লাগল এডেনবার। ৪ সূর্যের আলো তেমন প্রখর না মঙ্গলে, পৃথিবীর মত।কোন কিছুর ছায়া পড়লে অন্ধকার দেখায়,অন্যপাশে।পাহাড়ের এক পাশে সূর্য থাকলে অন্যপাশ অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। এস্টরয়েডটি পশ্চিম দিকে পড়েছে। এডেনবার ঠিক করল সূর্য যখন পশ্চিম দিকে হেলে পড়বে (সূর্য যে দিকে উঠে সে দিক পূর্ব ধরে নিয়ে)তখন বের হবে বাইরে। এস ৪৫ রোবট নিয়ে তৈরী এডেনবার।এস ৪৫ রোবট মঙ্গলের পাহাড়ে উঠার জন্য বিশেষভাবে ডিজাইণ করা,মঙ্গলের প্রত্যেটা বালু কনার অবস্থান চিহ্নিত করা আছে রোবটের ডাটা বেইসে।স্যাটেলাইটের তথ্য নিয়ে প্রতিটা পা ফেলে এস ৪৫। বিকটর দেখা করতে আসল এডেনবারে সাথে। দেখ এডেনবার তোমরা যারা এই মঙ্গলের মাটিতে বেড়ে উঠেছ তাদের উপর মানব সভ্যতা অনেকটাই নির্ভর করছে, পৃতিবীতে গ্রীন হাউস ইফেক্ট,আর পারমানবিক দূর্ঘটনায় অধিকাংশ এলাকা বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়েছে ইতিমধ্যে । রেডিয়েশনে মানুষের জিনে মিউটেশন হচ্ছে। আর সে মিউটেশন প্রবাহিত হচ্ছে বংশ পরম্পরায়। এক সময় দেখবে পৃথিবীকে বাসযোগ্য করা দায়িত্ব তোমাদের উপর পড়বে। তোমাকে হারালে তোমার পরবর্তি প্রজন্মকে হারাব আমরা। মানুষ প্রচন্ড আশাবাদী এক সত্ত্বা। তুমি চিন্তও করতে পারবেনা পৃথিবীর মানুষ কি পরিমান আশা নিয়ে আছে তোমাদের নিয়ে। এডেনবারের চোখে পানি চলে আসল,বিকটরকে বরাবর কঠিন লোক হিসাবে জেনে এসেছে সে। স্বপ্নদ্রষ্টা বিকটরের রূপটা অচেনা। জীবনের অর্থ কিছুটা বুঝতে শুরু করেছে এডেনবার।হটাৎ মনে হচ্ছে শরীরের ওজন যেন বেড়ে গেছে কয়েক গুন। আমাকে এখন যেতে হবে,সাপলাই সিস্টেম নিয়ে একটা মিটিং আছে কিছুক্ষনের মধ্যে। তোমার মিশনের জন্য সব ধরনের সাহায্য করবে স্পেস ডিপার্টমেন্ট। তোমাকে অনেক ধণ্যবাদ বিকটর। ৫ অবশেষে ফেন্সের বাইরে বেরিয়ে এল এডেনবার। টেরং পাহাড়ের দিকে মারস এক্সপ্লোরার ভেহিকল (মেভ) চলতে শুরু করেছে।পৌছাতে ৩৫মিনিট সময় লাগবে। অনেক গুলো স্যাটেলাইট সুক্ষ্মভাবে পরর্যবেক্ষন করছে মেভ টিকে। টেরং পাহাড়টি মাঝারি আকারের।প্রথম দিকার আবিষ্কৃত কলম্বিয়া পাহাড়ের চেয়ে বড়।মারস গ্রীন ক্যাম্পের জন্য টেরং খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ধুলি ঝড়ের সময় যেসব ধুলি পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে আসে সেগুলো পাহারের অন্য পাশে থেকে যায়।ফলে ক্যাম্প অনেকটা নিরাপদে থাকে। সৌভাগ্য ক্রমে বেশীর ভাগ ধুলি ঝর পশ্চিম হতে পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়।এই হিসাবে টেরং এর উচ্চতা বৃদ্ধি পাওয়ার কথা,কিন্তু কোন রহস্যময় কারনে গত এক দশকে পাহাড়টির উচ্চতার কোন পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়নি। পাহাড়ের প্রায় কাছাকাছি চলে এসেছে সে। মেভ থেকে নেমে পড়ল এডেনবার। এস ৪৫ কে ও নামিয়ে আনা হল মাটিতে।ঘড়ি দেখল সে। প্রায় এক ঘন্টা হয়েছে ক্যাম্প থেকে আসার । এস ৪৫ কে সক্রিয় করল সে। জীবন্ত প্রানীর মত লাফিয়ে উঠল রোবটটি। হাতে আরো পাঁচ ঘন্টা সময় আছে।সব কিছু হিসাব মত চললে আগমী ৩০ মিনিটে এস ৪৫ পৌছে যাবে এস্টরয়েডের কাছে।ওটাকে নিয়ে যাবার ইচ্ছা আছে যদিও এরকম কোন নিয়ম নাই যে এস্টরয়েড ক্যাম্প নিয়ে যাওয়ার। কারন পৃথিবীর মত ঘন আবাওয়ার শীল্ডের মত না মঙ্গলের আবাহাওয়া,ফরেন কন্টামিনেশন নিয়ে খুব সংবেদনশীল গ্রীণ ক্যাম্প। এস ৪৫ সিগন্যাল দিচ্ছে, এস্টরেডটির খুব কাছে চলে এসে ড্রিলিং সিস্টেম কে সক্রিয় করল সেটি। ভিউ স্ক্রিনে এক দৃষ্টিতে এস্টরয়েডটিকে দেখছিল এডেনবার। চমকে উঠল সে, যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে এস ৪৫ এর সাথে।অবশ্য এইরকম কমিউনিকেশন গ্যাপ হতে পারে। এডেনবার ভাবল, দুই একমিনিটে আবার রিকনেক্ট হবে।গ্রিন ক্যাম্পের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করল সে। এই বার সে ভয় পেয়ে গেল,গ্রিন ক্যাম্প ডিজিটাল ম্যাপ থেকে অদৃশ্য হয়ে গেছে। কমিউনিকেশন মডিউলও কাজ করছে না। তার মানে গ্রীন ক্যাম্প খুঁজে পাবেনা আমাকে?ভাবল এডেনবার।এস ৪৫ এস্টরয়েডটিকে স্পর্শ করা মাত্রই কমিউনিকেশন সিস্টেম ভেঙ্গে পড়েছে। কি আছে এস্টরয়েডে? এডিনবার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে ,পাহাড়টার ওপারে যাবে সে।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১২১৫ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-
☆ ☆ ☆ ☆ ☆

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now