বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
আমার নাম সিয়াম। ঘটনাটা ঘটে আমার দাদুর সাথে। তখন ১৯৮৯ সাল। আমার দাদু তখন শুশুর বাড়ি থেকে ফিরছিলেন। রাত তখন ৯টা। বাড়ির কাছাকাছি যখন আসছিলেন তখন তিনি কান্নার শব্দ পান। তিনি তখন তেমন কিছু মনে করেন নি।হঠাৎ কান্নার শব্দটা অই মতিন বলল। মতিন আমার দাদুর নাম। তিনি ভয় পান।তিনি সূরা পরা শুরু করেন। তিনি অনুভব করলেন কান্নার শব্দটা উপর থেকে আছসে।তিনি গাছের উপর তাকালেন এবং আরো ভয় পালেন।দেখলেন গাছের উপর একটি মহিলা তার মুখ পুরা, চুল খুব লম্বা, পরনে সাদা শাড়ি।আমার
দাদুকে ডাকছে। দাদু তখন তার ঐ মহিলার পেছনে পেছনে যাচ্ছে।এক পর্যায়ে তাকে এক গভির পুকুরে নিয়ে যাচ্ছে।তখন তার কথা বলার
শক্তি নাই।এক পর্যায়ে ঐ মহিলা পুকুরে যাপ দিল এবং দাদুও পুকুরো যাপ দেয়।একর্যায়ে তিনি টের পান তার গলায় কে যেন টিপছে।তার শাস বন্দ হয়ে যাচ্ছে।তিনি তখন আল্লাহ আকবর বলে চিৎকার দিলেন।তখন আমাদের গ্রামের ইমাম সাহেব নামায শেষে বাড়ি যাচ্ছেন।তিনি দাদুর চিৎকার শুনতে পান।দাদুও কষ্ট করে ৩-৫ চিৎকার করেন।ইমাম সাহেব অনুভব করলেন শব্দ টা পুকুর থেকে আসছে।তিনি ঐ পুকুরের ঘাটে গেলেন দেখলেন পুকুরের অপর পাশে আমার দাদু পড়ে আছে।তিনি আমার দাদুর কাছে গেলেন তাকে চিনে ফেলেন তার গলায় হাতের ছাপএটা মানুষের হাতের ছাপ নই। আশেপাশের লোকদের ডেকে তােক বাড়ি নিয়ে গেলেন।পরদিন তিনি ইমাম সাহেবের কাছে সবকিছু বলেন।ইমাম তাকে বলেন মহিলাটা বদ জিন।এটা তাকে ক্ষতি করতে পারে তাই তিনি দাদুকে বলেন নামায পরতে।তাহলে তাকে আর কিছু করতে পারবে না।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now