বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

একটি ভালোবাসার গল্প

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Bad Boy (০ পয়েন্ট)

X Love story গল্পের শুরু হয়েছিলো প্রায় ২বছর আগে।২ বছর অাগে থেকে শুরু করলাম আমি নিলয়, বাড়ি রাজশাহী তে।আমি অতি সাধারণ একটা ছেলে ধরতে গেলে বন্ধুদের সাথে মিশতাম না ভালো লাগতো না কারণ আমার বন্ধুদের সাবার জিএফ ছিলো না তারা সব সময় তাদের জিএফ নিয়ে কথা বলতো তা আমার ভালো লাগতোনা তাই মিশা হয় নি।সব সময় একলা থাকতাম আর আমি অনেক ভিতু প্রকৃতির ছেলে কিন্তু তবু ৩ টা মেয়পকে প্রপস করতে গিয়েছিলাম কিন্তু বলতে পারিনা বলাম না আমি ভিতু ছেলে।তাই আর মেয়ে পিছুনে আর ঘুরতে ভালো লাগতোনা।আমি একলা থাকলেও আমার পরে একটা মেয়ে এসেছিলো একটা দুষ্ট মেয়।সেই দুষ্ট মেয়েটা থাকতো আমি যে বাসাই থাকতাম তার পাশের বাড়িতে ভাড়া নিয়ে থাকতো তার মা বাবা সাথে।সেই দুষ্ট মেয়েটার নাম টা হলো দৃষ্টি।তার মায়ের সাথে আমার মায়ের একটা গভীর সম্পেক তৈরি হয় সেই সূএ ধরে তার সাথে আমার পরিচয় হয়।মেয়েটা সুন্দর হলে হবে কি অনেক দুষ্ট প্রকৃতির একটা মেয়ে আর বেশি কথা বলে সব সময়।এক বার কথা শুরু হলে মনে হয় থামতে চাই নাএই ভাবে প্রতিদিন কথা বলা শুরু হয় আর প্রায় বেশি ভাগ আমাদের বাড়িতে থাকতো মেয়েটা আমার মায়ের সাথে কি যেন কথা বলতো ভগবানি জানে ধরতে গেলে আমার মা আমার চাইতে ওকেই ভালোবাসতো। সেই জন্য দৃষ্টি সব সময় জালোতো আমাকে।আর কিছু বলে ওকে রাগে যে আমার মাকে বললে পড়ে আমাকে গাল শুনতে হতো।একবার আমার মায়ের চশমা ভেঙ্গে ফেলে ছিলো সেই দোষ্টা আমার ঘাড়ে পরে যায় কি করা শাস্তি হিসাবে এক বেলা না খায়ে থাকতে হলো,মা যনো আমাকে বুঝতে চাই না।সেই জন্য এই মেয়ে কাছ থেকে সব সময় লুকিয়ে থাকতে হতো।আমি HSC 2nd ইয়ারে পড়িও আর দুষ্ট মেয়ে টা এই বার SSC দিবে।আমি আমার বাড়ি সমানে বসে প্রতি সকালে মোবাইল টিপতাম আর ও ওই সময়ে প্রাইভেট পড়তে যেতো আর আমার সাথে দেখা হয়তো।প্রাইভেট যাওয়ার সময় আমাকে রাগালে তার মনে হয় চলতো না। একদিন যদি কথা না বলতো আমার ভালো লাগতো না এবং ওরো মনে হয় ভালো লাগতো না তাই মনে হয়।একদিন দৃষ্টি মা বাবা দৃষ্টির মামা বাড়িতে যাই দৃষ্টি দাদু অনেক অসুখ কিন্তু দৃষ্টি যাওয়া হয়নি কারণ দৃষ্টি টেষ্ট পরীক্ষা চলছে তাই।আর পরীক্ষা চলাকালীন আমার সাথে একটু ঝগড়া করেনি একটু কথা বলিনি আমার অনেক খারপ লেগেছিলো জানিনা কেন মাঝে মাঝে অনেক একলা লাগতো। এগুলো এক ফেসবুকে গ্রুপে Share করলাম সবাই যে উওরটা দিলো আমি ভাবতে পারিনি আমি বলে অনেক ভালোবসে ফেলেছি।যায় হকো বলি দেখি কি হয়।এই ভাবে তার পরীক্ষা ওর শেষ হলো অবশেষে। নিলয়:চলো ঘুরে আসি। দৃষ্টি:না,ভালো লাগছে না। নিলয়:তোমাকে যেতেই হবে।একটা কথা বলারছিলো। দৃষ্টি;এখানেই বলো।কি বলবে। নিলয়:এখানে বলা যাবে না, দৃষ্টি: ওকে চলো। নিলয়:আমার প্রিয়ও একটা জায়গায় সেখানে গিয়ে দুজনে বসে আসি। দৃষ্টি: তুমি কিছু বলবে বলে। নিলয়:একটা কথা বলার জন্য ভাবসি এবং ভয় করছে। দৃষ্টি: যা বলবে বলো ভয় করতে হবে না এই ভাবে ২০ মিনিট চলে গেলো আমি বলতে পারিনি শুধু আ আ আ বলে গেছি। দৃষ্টি: আ আ বলার জন্য আমকে দেখছো।তাই বলে আমার কেন যানি দুই গালে দুটো থাপ্পর মারলো। নিলয়: থাপ্পোর মারলে। দৃষ্টি: হা আরো মারবো।শুধু আমার সময় নষ্ট করলে। নিলয়:আমি একটা কথা বলতে ইচ্ছা করছে। দৃষ্ট: আবার আ আ করবে। নিলয়:না আর করবো না। দৃষ্টি:ওকে দুই মিনিটের মধ্যে বলবে।আমার বেশি সময় নেই। নিলয়:তুমি আমার গল্পের নায়কা হবে বেশি না ১ মাসের জন্য। দৃষ্টি: রেগে গিয়ে আবার দুইটা থাপ্পর দিয়ে চলে গেলো। নিলয়: ভাবতে লাগলাম আমি কি খুব খারপ কথা বলেছি।যাই আবশেষে বলতে পড়েছি।এই ভেবে বাড়ি গেলাম। অনেক দিন হলো দৃষ্টি আমাদের বাড়ি আসে না,আমার সাথে কথা বলেনা দৃষ্টি সামনে গিলে অন্য দিক হয়ে চলে যায়।মাঝে মাঝে অনেক রাগ করতো। আমাকে দেখলেই মনে হয় কাঁচায় খেয়ে ফেলবে মনে হয়।তাই তাকে আর কখন বিরক্ত কিরি নি।আস্তে আস্তে তাকে ভুলে যতে লাগলাম।মাঝে মাঝে দৃষ্টিকে দেখলে আমি চিনতেই পারতাম না এ কি সেই দৃষ্টি।আজ ১ বছর পূরণ হলো দৃষ্টি সাথে কোন ঝগড়া না করে,দেখা না করে।বড় ইচছা হয়ে ছিলো ওর সাথে দেখা করা।করি নি,ও যদি আমাকে ছেড়ে থাকতে পারে আমি পারবো না কেনো এই ভেবে দিন চলে যাচ্ছে।মাঝে মাঝে ভাবি এগুলো কথা না বলেই ভালো হতো ওকে।তাহলে এই ঘটনা ঘটো না। এই ভেবে দিন চলে যাচ্ছে।হঠাৎ বলছে মা দৃষ্টির জন্ম দিন আজ ভেবে ছিলাম wise করবো কিন্তু যদি আবার রেগে যাই তা আর সমনে যাও য়া হয়নি।তাদের বাড়িতে অনুষ্ঠান চলছে দৃষ্টি মনে হয় আজ অনেক খুশি হঠাৎ কলিং বেলের শব্দ পেয়ে বাস্তবে ফেরে এলাম। দৃষ্টি: আপনি আমার জন্ম দিন যাবেন না। নিলয়:আমি তাকে দেখে এমন মুগ্ধ হয়ে চেয়ে আসি।কারণ মেয়ে টা কোন দিন শাড়ি পরে দেখিনি তা।চুপ করে দাড়িয়ে দেখছি।আর ভাবছি যে মেয়ে তুমি করে বলতো সে আজ আপনি করে বলছে।তবুও ভালো লাগছে কথাটা বলছে। দৃষ্টি: কি উওর দেবন না। নিলয়:না যাবোনা। দৃষ্টি: আবার থাপ্পোর খাওয়ার ইচ্ছা আছে না কি।তাড়াতাড়ি রেডি হন। নিলয়:বলছি তো যাবো না। দৃষ্টি:আচ্ছা আপনি সত্যি আমাকে ভালোবাসেন। নিলয়:জানি না। শুধু জানি তুমি যেদিন দূরে চলে গেছো আমি আগের মতো আর হাঁসতে পারিনা আর এখন অনেক একা লাগে,মনে হয় কষ্টের সমুদ্র ভেসে যাচ্ছি নাম জানা কোন এক দেশে। দৃষ্টি:ভালো তো তাহলে সমুদ্রতে ভাসতে ভাসতে অনেক দেশ দেখলেন তাহলে। নিলয়:মজা করছো। কপাল খারাপ হলে সবাই মজা করে কি আর করোও মজা। দৃষ্টি:যাই হক রেডি হন। নিলয়: যাবোনা।তুমি চলে যাও। দৃষ্টি:রগে গেয়ে আবার দুইটা থাপ্পোর মারলো। নিলয়:আবার থাপ্পোর মারলে কেনো। তুমি কে আমার যে থাপ্পোর মারোও।কোন সম্পকে ভর করে মারো। দৃষ্টি:সম্পর্ক আছে বলেই মারি। নিলয়:কি সম্পর্ক শুনি। দৃষ্টি:বলবো না। নিলয়:ওকে তুমি এখন চলে যাও।কথা বলতে ভালো লাগছেনা দৃষ্টি :তার মানে যাবে না। নিলয়:না। দৃষ্টি: তা হলে আমিও কেক কাঁটবোনা। নিলয়: তা আমার কি? দৃষ্টি:কাঁন্না কাঁন্না সুরে বলো ওকে আমিও কেক কাঁটবোনা। নিলয়:আমার জন্যে এই সব করে লাভ কি।পাগলী নাকি তুমি? দৃষ্টি:হা আমি পাগলী তোমার জন্যে।আই লাভ ইউ। নিলয়:হা হা হা। দৃষ্টি: হা হা করো কেন দাঁত ভেঙ্গে দিবো। নিলয়:একশ বার হাঁসবো। দৃষ্টি: আমি তোমাকে সত্যি আনেক ভালোবাসি। নিলয়: যদি ভালো বাসতে এই ভাবে দূরে যতে না। দৃষ্টি:আমি বুঝতে পারিনি তুমি এতো বড় গাঁধা যে আই লাভ ইউ বলতে পারেনা ঠিক মতে। নিলয়: আমি গাঁধা। তা গাঁধার কাছে কে আসতে বলেছে। দৃষ্টি:কি করবো এই গাঁধাকে অনেক ভালোবাসি তাই। নিলয়: সত্যিই ভালোবাসো। দৃষ্টি:হুম।এক বার propose করবে গাঁধা। নিলয়:আবার গাঁধা। দৃষ্টি: propose যদি ঠিক ভাবে করতে পারো আর গাঁধা বলবো না। নিলয়:তুমি কি আমার গল্পের নায়কা হবে। দৃষ্টি: এমনি সাধে তোমাকে গাঁধা বলি।ঠিক মতে করতে পারেনা। নিলয়:আই লাভ ইউ।এই বার হয়েছে। দৃষ্টি : হয়েছে।আর গাঁধা বলবো না। নিলয়: আচ্ছা তোমাকে জড়িয়ে ধরেতে পারি?? দৃষ্টি: থাপ্পোর দিয়ে বলছে গাঁধা আবার বলতে হয়। নিলয়: জড়িয়ে ধরলো। দৃষ্ট: হয়েছে এখন চলো কেক কাঁটতে তো হবে। ১ বছরে অপেক্ষার ফলে আজ দৃষ্টি আর নিলয়ের নতুন জীবন শুরু হলো>>>>>>> লেখক:আঁকাশ রায়(দেবদাস মন)


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯৭ জন


এ জাতীয় গল্প

→ একটি ভালোবাসার গল্প
→ একটি ভালোবাসার গল্প
→ একটি নুপুর ও ভালোবাসার গল্প
→ একটি করুণ ভালোবাসার গল্প
→ একটি ভালোবাসার গল্প
→ অপ্রকাশিত একটি ভালোবাসার গল্প
→ একটি ভালোবাসার গল্প
→ এ তো অন্যরকম একটি ভালোবাসার গল্প
→ একটি ভালোবাসার গল্প
→ একটি রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প
→ একটি কাল্পনিক ভালোবাসার গল্প
→ একটি প্রকৃত ভালোবাসার গল্প
→ একটি সহজ সরল ভালোবাসার গল্প
→ সত্য ঘটনা অবলম্বনে একটি কাল্পনিক ভালোবাসার গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now