বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ঘুমন্ত শহরে তারা তিন জন

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Bad Boy (০ পয়েন্ট)

X ❑ঘুমন্ত শহরের তারা তিন জন. . . :-একটা কথা বোঝতে চেষ্টা করো? --আমি কিছু বোঝতে চাই না। :-প্লিজ পাখি এমন করো না। --কেমন করছি আমি? :-রাগ করো না সামনের মাসে বেতন পেয়ে গিফ্ট টা দিয়ে দিবো। -- তুমি জানো,, দিনে আমার কত টাকা খরচ হয়? আর সেখানে তুমি আমাকে একটা গিফ্ট দিতে এত কস্ট হয়? :- আসলে পাখি আমার কাছে তেমন টাকা নেই। মাত্র কিছু টাকা আছে? --প্লিজ শুভ, আমাদের রিলেশন টা আমি আর কন্টিনিউ করতে চাই না। :- কেন? -- আসলে আমার সাথে তুমার মানায় না। আর হুুম আমি ব্রেকাপ চাচ্ছি? :- এই সামান্য গিফ্টের জন্য ব্রেকাপ চাচ্ছো? -- আমাকে দেওয়ার মত তোমার কোন সামর্থ নেই। আর জীবনে কোন কিছু দিতেও পারবা না। :-প্লিজ পাখি -এমন করে বলো না,,কস্ট হয় --ঠিক কথা বললে তো কস্ট হবেই। আমি গেলাম। আমার সাথে কোন যোগাযোগ করার চেষ্টা করবা না। :-প্লিজ পাখি এমন টা করতে পারো না,, এতদিনের রিলেশন সামান্য ব্যাপারের জন্য নস্ট করে দিবে? --এটা যদি তোমার কাছে সামান্য ব্যাপার হয় তাহলে সেটাই। আমি আর কোন কথা শুনতে চাই না। : পার্কের একপাশে বসে সিগারেট খাচ্ছি। আর ভাবতেছি এতদিনের রিলেশন এভাবে শেষ হয়ে গেল, সামান্য গিফ্টের জন্য পাখি আমার সাথে এমন আচরন করলো। চোখের কোণে সামান্য জল আবিষ্কার করলাম,, :-পাখি তো ঠিকি বলেছে। কি বা করতে পারছি তার জন্য। আমার মত কিছু মানুষের জম্ম হয় গালি খাওয়া আর কষ্ট পাওয়ার জন্য । তুমি ঠিকই বলো আমি তোমার জন্য কি করেছি । আসলেই তো আমি কি করেছি তোমার জন্য? কিইবা করতে পারি বলো? যে মানুষ নিজের জন্য কিছু করতে পারে না সে অন্যের জন্য কি করবে? ভালোবাসা কি আসলে এটা আমি কখনো বুঝিনি । তোমাকে মনে পড়লে বুকের একপাশে চিন চিন ব্যাথা করার নাম কি ভালোবাসা? নাকি তোমাকে ভুলে যাওয়ার নামে বিভিন্ন অজুহাত বের করেও ভুলতে না পারার নাম ভালোবাসা?? সারাদিন ভাবি কথা বলবো না কিন্তু দিন শেষে কথা না বলতে পারার চাপা কান্নার নাম তবে কি ভালোবাসা??? বিশ্বাস করো পাখি আমি একটুও কষ্ট পাইনি তোমার কথায়। তোমাকে কিভাবে ধরে রাখবো বলো যেখানে আমার সবগুলো বাঁধনই বন্ধ! যেখানে তুমি বড় ঘরের সন্তান আর আমি মধ্যবিত্ত। সেটাই মনে হয় আমার বড় ভুল, কতটা কষ্ট পেলে চোখে জল আসে আমি জানিনা তবে আমার চোখ দিয়ে এখন জল বের হচ্ছে । আমি কাঁদতে কাঁদতে ঘুমিয়ে পড়ি আর কাঁদতে কাঁদতে জেগে উঠি এখন ! তোমাকে হারিয়ে পেলেছি ভাবলেই খুব বেশি কষ্ট হয় । আমি জানিনা জীবনের বাকী দিনগুলো আমি কি করে কাটাবো? কার সাথে হৃদয়ের আনন্দ আর কষ্টগুলো ভাগাভাগি করে নিব । কে দেখবে আমার সব অদ্ভুত পাগলামি গুলো ? . -- ভাইয়া ২০ টা টাকা দিবেন? -- ভাবনায় এতটাই ডুবেছিলাম যে কারো কথায় হুশে আসলাম। হ্যা কিছু বললা? -- ভাই ২০ টা টাকা দিবেন? -- কেন কি করবি? --ভাইয়া ২ দিন যাবৎ কিছু খাই না? --একটু সন্দেহ লাগলো, বর্তমানে যেভাবে নিশা করতেছে ছোট ছোট পুলাইপানে সন্দেহ হওয়ারি কথা। :- ভাইয়া দেন না ২০ টা টাকা। --তর যখন খিদে লাগছে তাহলে চল আমি তকে হোটেলে নিয়ে খাইয়ে দেই? :-না ভাইয়া আমি পরে খেয়ে নিবো। আপনি টাকা টা দেন। --আমার সন্দেহ টা একটু বেড়ে গেল। বোঝলাম ছেলেটা এই টাকা দিয়ে,সিগারেট বা অন্য কোন নিশা করবে। --ভাইয়া টাকা টা দিবেন? দিলে উপকার হতো? :-না তকে টাকা দেওয়া যাবে না। আমার কাছে টাকা নেই। --আচ্ছা ভাইয়া থাক লাগবে না। --ছেলেটা চলে গেল মন খারাপ করে। আমি তার পিছু নিলাম। কারন দেখি সে কি করে টাকা দিয়ে। .. .. অনেকের কাছথেকে টাকা চেয়ে প্রায় ৮০ বা ৯০ টাকা মত হবে তুলেছে। যেহেতু আমি তার পিছু নিয়েছি সব চুপি চুপি দেখতেছি। বেশ কিছুক্ষন পর ছেলেটা ফুটপাতের এক দোকানে গেল আমিও তার পিছু পিছু যাচ্ছি,,, --মামা এ শীতের কাপরে দাম কত? --১২০ টাকা? --মামা একটু কমে দেওয়া যায় না। --একদাম ১২০ টাকা কম হবে না। --ছেলেটা বুক পকেট থেকে টাকা বের করে দেখল ১০০ টাকার মত আছে। কিন্তু ২ টা শীতের কাপরের দাম ২৪০ টাকা। -- মামা কম দামের নেই? --আছে,,তবে সেটা তেমন শীত কাটবে না। --একটু সময় নিয়ে ছেলেটা কি যেন ভাবতে লাগলো। আচ্ছা মামা কালকে কিনে নিবো আজ হাতে তেমন টাকা নেই? --আচ্ছা ঠিক আছে। .. .. আমি তাদের সব কথা আড়াল থেকে শুনতেছিলাম। ছেলেটা শীতের কাপর না কিনে সুজা হাটা শুরুকরলো,, আগেই বলে রাখি তখন প্রায় সন্ধা ৬ টা বাজে। আমিও তার পিছু পিছু হাটছি তাকে ফলো করছি,, সামনের হোটেল থেকে ছেলেটা কিছু খাবার কিনে সুজা রেললাইনের পাশ দিয়ে হেটে যাচ্ছে,, কোথায় যাচ্ছে ঠিক জানি না তবে তার শেষটা আমি দেখে পরে ফিরে আসবো। দেখতে দেখতে অনেকটা পথ হেটে আসলাম দেলাম ছেলেটা রেললাইনের পাশে একটা ভাঙ্গা ঘরের বিতরে ঢোকলো। . ঘরের ফাকঁ দিয়ে আমি উকি দিলাম, দেখলাম বিতরে আরো ২ জন বসে আছে। ছেলেটা ঘরে ঢোকার সাথে সাথে ২ জন তাকে দেখে,, অনেক খুশি হয়ে বললো ভাইয়া আমার জামা কোথায় শীতের কাপর কোথায়? ছেলেটা কি বলবে ঠিক বোঝতে পারছে না,, তবুও সান্তনা তো দিতে হবে। :--আজকে শীতের কাপর উঠে নাই বাজারে। ---ভাইয়া তুমি মিছা কতা বলছো,, তুমি কইছিলা আজকা আইন্না দিবা। :--বোন রাগ করিস না,, দেখ তদের জন্য খাবার নিয়া আসছি। --আমি খাবো না আমার জামা এনে দাও। :-- কালকে এনে দিবো। --সত্য ভাইয়া এনে দিবে কালকে। :- -হুমম আমার দু বোনকেই এনে দিবো। এখন খাবার এনেছি এগুলা খেয়ে নাও। -- ভাইয়া তুমি খাইয়ে দাও। .. .. একটা দির্ঘশ্বাস নিলাম,,আমার চোখ দিয়ে অঝরে পানি পরতে লাগলো। এত্ত কষ্ট করে খাবার


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১২১৪ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now