বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
জন্মের পর থেকেই যাকে চিনি সে হচ্ছে বুড়ি। ছোট বেলায় নাকি আমি অনেক জ্বালাইছি বুড়িকে। অনেক হাসির ঘটনাও আছে যা বলা যাবে না। আচ্ছা যাই হোক বুড়িটা অনেক কষ্ট করেছে আমার জন্য। এর কারনে বুড়িটাকে অনেক বেশি ভাল লাগে।
আমরা ছিলাম তিন ভাই- বোন মানে বড় দুই বোন আর আমি। সবার পিচ্ছি ছিলাম বলে সবাই নাকি আদর করতো আমাকে এখনো করে। যেটা বায়না করতাম সেটাই পেতাম। আচ্ছা আসল কথায় আসি।
আমরা তিন ভাই-বোন। এমন কোনো দিন নাই যে মারা-মারি না করছি। সব সময় মা-বাবা আমাকেই সাপোর্ট দিতো।মানে দোষ করলেও আর না করলেও।
বেশি বকা খেতো আপুরা। ঝগড়া ছাড়া একদিনও চলতো না। এখন করি সামনেও করবো। কিন্তু হোস্টেল লাইফটা বড্ড সমস্যা করে ফেললো। এখন আর সব সময় ঝগড়াটা করতে পারি না। কিন্ত ফোনে + চ্যাটিং এ ঝগড়াও করি।
আগেই তো বলতাম ঝগড়া ছাড়া চলেনা নাহ।
আসলে ভাই বোনের ভালবাসাটাই এরকম।
এইতো কিছুদিন আগেই কথা বললাম তার সাথে।
____কিরে পিচ্ছি কেমন আছিস??
____ হুমমম ভাল আছি। তুই কেমন আছিস???
____হ্যা ভালই। লেখা-পড়া কেমন চলছে??
____এইতো মোটামুটি
____ পড়তে বসিস তো ঠিক মতো??
____হ্যা বসি।
____ কই তুই তোকে সারাদিন এফ বি তেই দেখি। পড়া লেখা কই করোছ??
____ যাহ পড়িনা তোর কোনো সমস্যা???
____ হূ সমস্যা আছেই তো। সারাদিন এফ বি তে কার সাথে সারাদিন চ্যাটিং করোছ??
____ আমার চোখের সামনে থেইক্কা সর। আমাকে আর কল দিবি না কখনোও।
ফোন রেখে দিলাম রেগে বেগে। তখন ঘুমাচ্ছিলাম তাই একটু রেগে গেছিলাম। আমার আবার অভ্যাস খারাপ ছিলো যদি কেউ ঘুমের মধ্যে আমাকে ফোন বা ডাক দিতো তাইলে তো আর কথাই নাই। ঐ দিন ওর খবর আছে। কি আর করার সেই দিনেও ঘুমাচ্ছিলাম।
এক কথা সবচেয়ে বেশি ঝাড়ি খেতো বড় আপু, মাঝে মাঝে দুস্টামি করে মাইরও দিতাম। শেষ মেশ মা-বাবার কাছে আমি নিজেই বিচার দিতাম যে তোমার মেয়ে আমাকে মারছে কান্না করে বলতাম। কি আর করার তখন আবারো বকা খেতো সে।
এমন করে অনেক বকা খেয়েছে সে। চিন্তা করিস না সামনেও আরো খাবি বকা।
তোর তো বকা না খেলে ভাল লাগে না। আর প্রতিদিন যতই মারা-মারি করতাম না কেনো। রাতে ঘুমানোর আগে মশারীটা আপুই টাংগিয়ে দিতো। এটা ছিলো ওর প্রতিদিনের রুটিন।
এখন তো সব সব নিজে নিজেই করতে হয়। খেতে হয় নিজে নিজে, কাপর-চোপর ধুতে হয়, রুম ঝাড়ু দিতে হয়। আসলে যারা হোস্টেল লাইফে এসেছে তারাই বুঝতে পারবে নতুন জীবনের মুখ। যা আমি বুঝেছি।
জীবনের সব ঝড় মনে এইখানে থেকেই শুরু হয়। কি আর করার কষ্ট হলেও থাকতে হবে বুঝতে হবে একা চলতে হয় কিভাবে।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now