বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

প্রাকপুরুষের চশমা-০৮

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X ¤¤¤ প্রাকপুরুষের চশমা ¤¤¤ (অষ্টম পর্ব) লিখেছেনঃ সানজিদা সুলতানা সুমা ধীরে ধীরে দৃশ্যপটটা পরিবর্তন হয়ে যায়। উত্তাল সাগরটা কেমন যেন নিরব নিস্তব্দ হয়ে আসে। দুরদিগন্তে কোথা থেকে যেন কতগুলি ডেস্ট্রয়ারের উদ্ভব হয়। সেগুলির মাস্তুলে জার্মান নাৎসি পতাকা পতপত করে উড়ছে। রুকন নিজেকে তার বেলকনিতে নয়, বরং একটা পাহাড়ী শৃঙ্গের উপর আধশোয়া অবস্থায় আবিষ্কার করে। পেছন থেকে একটা নারী কন্ঠ ন্যাটিভ ভাষায় খেঁকিয়ে উঠে, "ডাক্তার, তৈরী হয়ে নাও। এখনই নরক ভেঙে পড়বে।" কণ্ঠটা সুজানার কণ্ঠের সাথে একটুও মেলে না। আরিফ চকিতে ফেরে তাকায়। সাদা আপ্রণ পড়া একজন নার্স হাতে আলফ্রেডের ডাক্তারি ব্যাগটা নিয়ে উৎকণ্ঠিত চিত্তে দাড়িয়ে আছে। আরিফ ঊঠে দাঁড়াতেই ও ফের বলতে শুরু করে, "আজ ময়দান থেকে আহতদের তুলে আনার দ্বায়িত্বটা ক্যাপ্টেন আমাদের উপর দিয়েছেন। তবে আরো দশজন সেপাহী দেহ বহনের জন্যে স্ট্রেচার নিয়ে সাথে থাকবে। ক্যাপ্টেন চান আহতদের যেন কাউকে অজ্ঞান না হওয়া পর্যন্ত যেন ময়দান থেকে তুলে আনা না হয়। অজ্ঞান বা মারা যাওয়ার আগ পর্যন্ত যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ জারি করা হয়েছে।" এতগুলি কথা এক সাথে বলে মেয়েটা থামলো। ও থামতেই বিকট শব্দে সৈকতে বোমা পড়লো। ডেস্ট্রয়ারগুলি ইতিমধ্যেই কামান দাগা শুরু করে দিয়েছে। সাথে সাথে সৈকত থেকেও মর্টার আর আর্টিলারি কামানগুলি গর্জে উঠে সমুচিত জবাব দিল। আরিফের হাত পা গুলি যেন নিজে থেকেই কাজ করা শুরু করে দিয়েছে। ও মেয়েটার হাত থেকে ব্যাগটা ছিনিয়ে নিয়ে দ্রুত পাহাড় থেকে নামতে লাগল। পাহাড়ের পাদদেশে ও আরো দশজন বন্দুকধারী সেপাহীর সাথে মিলিত হল। প্রত্যেকের পিঠে স্ট্রাপ দিয়ে আটকানো একটা করে স্ট্রেচার। ওদের মধ্য থেকে নেতা গোছের সেপাহীটা এসে আরিফের সাথে হাত মেলালো। তারপর ওরা চলল সৈকতের দিকে যেখানে পুরোদমে যুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে। সৈকতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে ১৮টি ব্যাঙ্কার। প্রত্যেকটায় উচ্চ পাল্লার ভারী কামান বসানো। ওগুলি থেকে থেকে ডেস্ট্রয়ার গুলির দিকে গর্জে উঠছে। ছোট্ট সৈকতকে ঘিরে দাড়িয়ে থাকা পাহাড়ী ঢিবি গুলির আড়ালে প্রায় সবগুলি বাঙ্কারই সুরক্ষিত। সৈকতের পেছনে পাশাপাশি তিনটে পাহাড়ী ঢিবির উপর চারটে হেবী মেশিনগান বসানো। তবে ডেস্ট্রয়ারগুলি মেশিনগানের আওতার বাহিরে হওয়ায় ওগুলি এখনো নিরব। তবে ছোট ছোট বোটে করে শত্রু সন্য তীরে ভিড়তে চাইলে ওগুলি গর্জে উঠে বোট গুলিকে থামিয়ে দেবে। যথার্থ রক্ষণাত্মক পজিশন। দেখতে দেখতে দুর দিগন্তে একটা ডেস্ট্রয়ার তলিয়ে গেল! সৈকতের সৈন্যদল হর্ষধ্বনিতে মুখরিত হল আরিফের চারিপাশ। অপর ডেস্ট্রয়ার গুলিও হেভী ডেমেজ নিয়ে পিছু হটলো। সাগর থেকে ওদের ছোড়া অধিকাংশ গোলা বারুদই হয় পাহাড়ে আটকে যাচ্ছে, নয়তো বাঙ্কারের পাশে আছড়ে পড়ছে। একটা গোলাও বাঙ্কারে পড়ে নি। এখনো পর্যন্ত আহতদের সংখ্যা শূন্যের কোটায়। আরিফ একটা সস্তির নিঃশ্বাস ফেলে ভাবে যুদ্ধ বুঝি শেষ হল। কিন্তু ঠিক তখনই পাহাড়ের উপর থেকে কেউ একজন চিৎকার করে উঠে, "বায়বীয় আক্রমণ, সবাই লুকাও!" এক ঝাঁক প্লেন বিস্তৃত আকাশের উপর থেকে উড়ে এলো ভয়াল মৃত্যুর বার্তা নিয়ে। এর জন্যে সৈকতের সন্যেরা মোটেও প্রস্তুত ছিল না। ওরা পড়ি মড়ি করে বোকার মত তাদের বাঙ্কারগুলিতে আশ্রয় নিলো। এতে প্লেনের পাইলটদের বরং সুবিধাই হল বেশী। বাঙ্কারগুলিতে বোমা ফেলে একসাথে অধিক সংখ্যক শত্রু হত্যা সম্ভব। বাঙ্কারের কামান গুলির নল সাগর থেকে ঘুরিয়ে আকাশের দিকে বসাতে যত সময় লাগলো ততক্ষণে প্লেনগুলি তাদের প্রথম দফার স্ট্রাইক সম্পন্ন করে চলে গেছে। যাওয়ার আগে আরিফের চোখের সামনেই আঠারোটা বাঙ্কারের মধ্যে দশটা বাঙ্কারকে গুড়িয়ে দিয়ে গেল। বিধ্বস্ত বাঙ্কার গুলি থেকে ক্রমাগত আর্তনাদ ভেসে আসছে, "বাচাও বাচাও, আমার বা হাতটা উড়ে গেছে।" "ডাক্তার, ডাক্তার! আমার বন্ধু মারা যাচ্ছে! ওর চোখে একটা স্পিন্টার গেথে গেছে!" "হায় ঈশ্বর! আমার ভুরি বেরিয়ে গেছে! ডাক্তার, কিছু একটা করুন! " আরিফ দ্রুত এগিয়ে যায় সেদিকে আহতদের সাহায্যের জন্যে। ব্যাঙ্কার গুলিতে এক অবর্ণনীয় দৃশ্যের অবতারণা হয়। আরিফের কাছে সে দৃশ্য অকল্পনীয়! প্রতিটা বিধ্বস্ত বাঙ্কারেই লাশের স্তুপ। তার মাঝে কয়েকজন আহত পড়ে পড়ে কাতরাচ্ছে। আরিফ দ্রুত এগিয়ে যায় তার নিকটস্থ আহত সৈন্যটির কাছে। ওর বা হাতটা উড়ে গেছে। হাতের আক্সিলারি আর্টারী কাটা পড়ায় প্রচুর রক্তক্ষরণ হচ্ছে। আরিফ দ্রুত ব্যাগ খুলে সেখানে একট ডোজ স্থানিয় রক্তনালিকা সংকোচক (Local vessoconstrictor) আর রক্ততঞ্চকের (Coagulant) মিশ্রণ ইঞ্জেকশন করে দিল। কিন্তু রক্তপাত কিছুতেই থামে না। আহত সৈন্যটা তখনো কান ফাঁটানো আর্তনাদ করেই চলছে। আরিফ আহত স্থানটা জোরে চেপে ধরে তার সাথের সৈন্যদের দিকে হাঁক ছাড়ে "একে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে, নয়তো মারা পড়বে।" নেতাগোছের সৈন্যটা এগিয়ে এসে ওর টুটি চেপে ধরে বলে, "ডাক্তার, ক্যাপ্টেনের সরাসরি নির্দেশ আছে কেউ অজ্ঞান না হয়ে যাওয়া পর্যন্ত তাকে যুদ্ধের ময়দান থেকে যেন না সরানো হয়। সে নির্দেশ অমান্য করে আপনি কি আমাদের কোর্ট মার্শালের সম্মুখিন করতে চাইছেন?" আরিফ হতাশ হয়ে হাল ছেড়ে দেয়। সেই নেতা গোছের সৈন্যটা আহত সৈন্যের অস্ত্রটা কুড়িয়ে নিয়ে তার ভাল হাতটায় ধরিয়ে দিয়ে বলে, "এখনো তো একটা হাত কার্যক্ষম আছে। এই এক হাত দিয়েই গুলি ছোড়।" আরিফ হতাশায় মুখ বাঁকায়। তারপর ফের চেঁচিয়ে উঠে "এখানে এই দেহের স্তুপের মধ্যে কি করে বুঝবো কে অজ্ঞান আর কে মৃত? দেখ, এই লোকগুলিকে! এরা ধুকতে ধুকতে মারা যাচ্ছে! এদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে উন্নত চিকিৎসা দেওয়া উচিৎ। এটাই আমার কর্তব্যে!তোমাদের উচিৎ আমাকে আমার কর্তব্য পালনে সহায়তা করা, বাধা দেওয়া নয়।" নেতা গোছের লোকটা এগিয়ে এসে বলল, "আপনার কর্তব্যের জন্যে আপনি কারো কাছে বিবেক ব্যাতিত কারো কাছে জবাবদিহি নন। কিন্তু আমাদের কর্তব্য হল ক্যাপ্টেনের আদেশ পালন করা যার জন্যে আমাদের সুপ্রিম পোলিশ রেজিস্টান্ট অথরিটির কাছে জবাবদিহি করতে হয়। সবচেয়ে ভাল হয় যদি আমরা দুজনই আমাদের কর্তব্য এক সাথে পালন করি।" আরিফ বুঝে এদের সাথে তর্ক করে সময় নষ্ট করা নিষ্ফল। সে মৃতদের পালস পরীক্ষা করে চার পাঁচজন ভাগ্যবান অজ্ঞান জীবিতকে সনাক্ত করে। সাথের সন্যেরা তাদের স্ট্রেচারে করে বয়ে নিয়ে যায় হাসপাতালের দিকে। দুর্ভাগা সজ্ঞান আহতরা বাঙ্কারেই পড়ে থাকে। তারপর ওরা সেখান থেকে বেরিয়ে আরেকটি বাঙ্কারের দিকে রওনা হয়। ওদিকে অর্ধেকেরও বেশী ব্যাঙ্কার বিধ্বস্ত হয়ে যাওয়ায় সৈকত থেকে ছোড়া গোলার পরিমান আশাতীত ভাবে কমে আসে। সেই সুযোগে দুরদিগন্তের ডেস্ট্রয়ারগুলি দ্রুত গোলা ছুড়তে ছুড়তে তীরের দিকে এগিয়ে আসতে থাকে। সৈকতের কামানগুলি কিছুতেই তার সাথে পাল্লা দিয়ে পেরে উঠে না। তার উপর মরার উপর খাড়ার ঘা এর মতো যান্ত্রিক গোলযোগের কারণে দুটো কামান বন্ধ হয়ে যায়। বাকী ছয়টি কামান প্রাণপণে চেষ্টা করেও ডেস্ট্রয়ারগুলিকে রুখতে পারে না। ওগুলি তীরের ৫০০ গজের কাছাকাছি চলে আসে। সেগুলির ছোড়া গুলার আঘাতে সক্রিয় বাঙ্কার গুলিও একে একে স্তব্ধ হয়ে আসে। আরিফ, নার্স আর তাদের সাথে সহায়তাকারী তিনজন সন্য তখনো বিধ্বস্ত ব্যাঙ্কারগুলিতে প্রাণের স্পন্দন খুজে ফিরছিলো! ওরা দুটো ব্যাঙ্কারের মাঝামাঝি চলে আসতেই তাদের ঠিক সামনেই একটা গোলা এসে বিস্ফোরিত হল। প্রচন্ড শব্দ আর স্পিন্টারের আঘাতে অগ্রগামী আরিফ মুহুর্তেই মুর্ছা গেল। আরিফ অনুভব করল তার সাথের নার্সটা ওর কাঁধ ধরে ঝাকি দিয়ে ডাকছে, "আরিফ, আরিফ! কি হল তোর। এবার উঠে পড়,,,,,," "আরিফ, কি দেখিস এখানে বসে? আরিফ?,,,," সেদিন সুজানা ঘরের কাজ গুলি সেরে একটু তাড়াতাড়ি লাঞ্চটা রেঁধে নিলো। গৃহস্থালি কাজে ডুবে থেকে রুকনের বিদায়টা ভুলে যেতে চাইছে ও। রান্না শেষে একে একে ডিশগুলি খাবার টেবিলে সাজিয়ে ও আরিফকে ডাক দিল, সুজানা: "আরিফ , এই আরিফ! কোথায় গেলি? খাবার জুড়িয়ে গেল যে। আরিফ!" কিন্তু কোথাও আরিফের সাড়াশব্দ নেই। কি এক অজানা আশংকায় সুজানার ভেতরটা কেঁপে উঠলো। ওর খারাপ কিছু হয়ে গেল না তো? সুজানা ড্রয়িংরুম, দুটো বেডরুম, বাথরুম, সহ নীচ তালার প্রায় সব জায়গায় খোজ নেয়। কিন্তু আরিফের কোন চিহ্নই চোখে পড়ে না ওর। আরিফ হয়তো বীচে ঘুরতে গেছে ভেবে ও মনকে সান্তনা দিতে চায়। কিন্তু সদর দরজার দিকে চোখ পড়তেই মনটা ফের দমে যায়।দরজাটা ভেতর থেকে বন্ধ। তারমানে আরিফ ঘর থেকে বেরুয় নি! ও হতদন্ত হয়ে দুতলায় বেডরুমে ফিরে মোবাইলটা নিয়ে পুলিশে ফোন দিতে যায়। ঠিক তখনই ওর চোখ পড়ে বেলকনির ইজি চেয়ারটায়। আরে! ঐ তো আরিফ! সুজানার মেজাজ বিগড়ে যায়! ও এতক্ষণ ধরে ডাকছে আর আরিফ কি না এখানে বসে বসে হাওয়া খেয়েই চলেছে! রেগে মেগে ও গলা সপ্তমে চড়িয়ে চেঁচিয়ে উঠে, সুজানা: ""আরিফ, আরিফ! কি হল তোর। এবার তো উঠে পড়। সেই কখন থেকে ডাকছি আমি।" কিন্তু আরিফ সাড়া দেয় না। কেবল সানগ্লাসটা চোখে লাগিয়ে ঠায় বসে বীচের দিকে তাকিয়ে থাকে! আরিফের দৃষ্টি অনুসরণ করে সুজানা ও বীচের দিকে তাকায়। ও দেখে সেখানে এক জোড়া বিকিনি পড়া মেয়ে সৈকতে ঢলাঢলি করছে! ওহ! তাহলে এই ব্যাপার, বুড়ো বয়সে আরিফকে এবার সত্যিসত্যিই ভিমরতি রোগে ধরেছে দেখছি। কন্ঠে পাঁকা লঙ্কার ঝাঁঝ এনে সুজানা হাঁকিয়ে উঠে, "আরিফ, কি দেখিস এখানে বসে? আরিফ? " আরিফ তবুও অনড়! আর সহ্য হয় না সুজানার। আরিফের কাঁধ ধরে রাম ঝাঁকুনি দেয় ও। "আরিফ, এই আরিফ, ওঠ এবার।" ঝাঁকুনির চোটে আরিফের সানগ্লাসটা ইজি চেয়ারের উপরই খসে পড়ে। আরিফ এবার মুখ ফিরিয়ে কেমন যেন ঘোর লাগা দৃষ্টিতে সুজানার দিকে তাকায়, তারপর হকচকিয়ে উঠে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে। দু পায়ের উপর ভর দিতেই ও মাথা ঘুরে ধপাস করে মেঝেতে পড়ে যায়! সুজানার দুশ্চিন্তা তাৎক্ষণাত আতংকে রূপ নেয়। খানিকের জন্যে আতংকে জমে যায় সুজানা। তারপর একটু স্তম্ভিত ফিরে পেয়েই ও এক হৃদয়বিদারি আর্তনাদ করে আরিফের বুকে ঝাঁপিয়ে পড়ে। "আরিফ! একি হল আরিফ! কথা বল! প্লীজ!" কিন্তু বুড়োটা কোন উত্তর দেয় না। কেবল চোখ বন্ধ করে ঠায় শুয়ে থাকে। (চলবে)


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৩৮ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now