বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
আহমেদের
"হিমুর দ্বিতীয় প্রহর" বইটা
পড়তেছিলাম।
হঠাৎ মাথায় চাপলো বাথরুমের মধ্যে
আমি
এখন হিমু হয়ে দেখি কেমন লাগে।
কিন্তু হিমু
খালি পায়ে হাটে, আচ্ছা হিমু কি
খালি
পায়ে বাথরুমেও যায়??? আমার পক্ষে
এই
মুহুর্তে খালি পায়ে বাথরুমে বসা
পসিবল না,
তাও আবার হোস্টেলের পাবলিক
বাথরুম।
যাই হোক, বাথরুমের মধ্যে কথাবার্তায়
হিমু
হয়ে দেখি কেমন লাগে.... ততক্ষনাৎ
বাথরুমের দরজায় থাবা পড়লো....
-এই বাথরুমে কে??
-আমি হিমালয়, সংক্ষেপে হিমু ডাকে
সবাই।
-তুই হিমালয় আর হিমু যেই হোক
তারাতারি
বাহির হ ভাই।
-হিমু এখন বাথরুমে বসে জোৎস্না
দেখছে,
জোৎস্না দেখার সময় তো তারাতারি
করা
যায় না। জোৎস্না দেখতে হয় ধীরে
ধীরে,
শেষ রাত অবধি।
-ভাই তুই ছাদে উঠে জোৎস্না দেখ,
তারপর ও
তারাতারি বাথরুম থেকে বাহির হ।
আমার
সিরিয়াস অবস্থা।
-হিমু তো এখন বাথরুমে নেই। সে তার
ময়ূরাক্ষী নদীর পাশে বসে আছে।
-বাথরুমের ভিতর তুই নদী পাইছস কই রে?
-এই যে পানি ভর্তি একটা বালতি
আছে তার
পাশেই আমি বসে আছি। এই বালতিটাই
এখন
আমার ময়ূরাক্ষী নদী।
-হালার পু.... আমার লুজ মোশন, তুই তোর
ময়ূরাক্ষী নদী নিয়া তারাতারি
বাহির হ।
-লুজ মোশন হলে তাহাকে শক্ত করিয়া
ধরে
রাখো, আর না ধরে রাখতে না
পারিলে
জায়গায় বসে ছাড়িয়া দাও। দেখিবে
ছাড়িয়া দেওয়ার মত শান্তি দুনিয়ায়
আর
নাই।
তারপর কিছু গালাগালির শব্দ শোনা
গেলো।
আস্তে আস্তে শব্দ দুরে মিলিয়া
গেলো।
কিন্তু আমি বাথরুমে হিমু রুপে বসে
রইলাম।
কিছুক্ষন পর আবার বাথরুমের দরজায়
থাবা
পড়লো....
-ওই সজিব্বা তুই নাকি বাথরুমে হিমু
হয়ে বসে
আছস?? তারাতারি বাহির হ। রুমের
চাবিটা
দে, আমারটা খুঁজে পাচ্ছি না।
-হিমুর রুমের দরজা সবসময় খোলা
থাকে, আর
চাবি বহন করার মত পকেট হিমুর নেই।
-ভাই তুই চাবিটা দে, তারপর যা ইচ্ছে
কর তুই
ভাই... প্লিজ চাবিটা দে।
-জোৎস্না দেখছি এখন, ডিস্টার্ব
করবি না।
জোৎস্না দেখতে হয় একা একা।
-খাড়া তোর গার্লফ্রেন্ড সাম্মিকে
কল
দিতেছি।
-মহাপুরুষদের কোন গার্লফ্রেন্ড থাকে
না।
মহাপুরুষদেরকে দুনিয়ার কোন মায়া
স্পর্শ
করে না।
-বুঝছি, এবার তর বাপরে ফোন দিয়া
কইতেছি
সজিব্বা পাগল হয়ে গেছে।
তারপর... দরজার বাহিরে শুনতে
ফেলাম...
"হ্যালো আংকেল, সজীব বাথরুমে বসে
কি
যেন আবল তাবল বলতেছে...."
"সজীব... এই সজীব... তারাতারি বাথরুম
থেকে বাহির হও"
মোবাইলের লাউডস্পিকারে আব্বুর
ধমক শুনে
তারাতারি বাথরুম থেকে বাহির হলাম
হিমু
আর ময়ূরাক্ষী নদীকে বাথরুমে রেখে।
পরবর্তি প্রতিক্রিয়া :- গত তিনদিন
ধরে
আমাকে বাহিরে বসেই জোৎস্না
দেখতে হয়,
হোস্টেলের সকল বাথরুম আমার জন্য
বন্ধ।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now