বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ইন্টারভিউ

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X ‘আপনার নাম?’ ‘জ্বি, কাতুকুতু মিত্র।’ ভদ্রলোক ডান ভুরুটা ধনুকের মতো বাঁকা করলে বললেন,‘এটা আবার কেমন তর নাম?’ ‘কেন ভালো তো! শুনলেই কেমন একটা সুরসুরি লাগে না?!’বাইশটা দাঁত দেখিয়ে জবাব দিলাম আমি। আমার বাবা অনেক ভাবনা চিন্তা করেই এই নাম রেখেছেন আমার। নাম শুনে মানুষ হাসবে,এতে সমাজের উপকার হবে। কারণ হাসলে হার্ট ভালো থাকে,রোগ বালাই কম হয়। আমার বাবা হার্টের ডাক্তার, এসব বিষয়ে তার থেকে ভালো কেউ জানে না। ‘না আমার সুড়সুড়ি লাগছে না। বরং বিব্রত লাগছে।’ ‘সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের মতো?’ আগ বাড়িয়ে প্রশ্ন করলাম আমি,‘আজকাল শুনেছি তারাই সবথেকে বেশি বিব্রত বোধ করেন।’ ভদ্রলোক মনে হয় আমার কথা শুনে নিজের ব্রহ্মতালুখানা তেতে ফেললেন,তারপরে হুংকার দিয়ে বললেন,‘খবরদার বলে দিলাম মিত্র সাহেব আমাকে একদম ওই উজবুকদের সাথে তুলনা করবেন না! একদম না!’ ‘আজ্ঞে,কাতুকুতু বললেই বেশি খুশি হতাম।’ বিগলিত ভাবে বললাম আমি, বাবার দেওয়া নাম আমার খুবই পছন্দের,আর কেউ না হাসলেও আমি সর্বদা নিজের নাম শুনে নিজেই হাসি। এতে যদিও আমারই উপকার। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছেন,‘যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে তবে একলা চলো রে।’ সুতরাং আমার নাম শুনে কেউ না হাসলেও আমার একলাই হাসা উচিৎ! ‘নাহ কাতুকুতু বলে আমি আপনাকে ডাকতে পারবো না।হয় কাতু নাহলে কুতু,না হলে কাকু অথবা তুতু এর যেকোনো একটাতে ডাকা যেতে পারে। আচ্ছা যান আপনাকে ওই তুতু বলেই ডাকবো।’ঘোষণা দিলেন চেয়ারে বসে থাকা গুঁফো ভদ্রলোক। তিনিই এতক্ষণ আমার ইন্টারভিউ নিচ্ছেন। চাকরির ইণ্টারভিউ দিতে এসেছি। প্রোগ্রামারের পোস্ট, বেতন নেগোশিয়েবল লেখা ছিল বিজ্ঞাপনে। এইমাত্রই ঢুকেছি ঘরের মধ্যে, চাকরি পাবো কিনা বুঝতে এখনো অনেক বাকি। ‘না।তুতু বলে আমাকে ডাকা চলবে না। ওটা কুকুরকে আদর করে ডাকা সম্বোধনের মতো শোনায়! আমার মতো একজন নতুন স্টাফকে আপনি আদর করে কিছু ডাকছেন এটা দেখেলে কোম্পানির অন্যান্য কর্মচারীরা ঈর্ষান্বিত হবেন। তাতে তাদের মরাল খারাপ হবে এবং আমার উপর তাদের আক্রোশ বাড়বে। আমি চাই না নতুন চাকরিতে এসেই একটা ঝামেলাতে জড়িয়ে যাই।’ ধীরে ধীরে বললাম আমি। ইন্টারভিউ নিচ্ছে এমন লোককে চটাতে নেই,আমি বাসার থেকে আসার আগে মা ভালো করে আমাকে বলে দিয়েছে একথা। তাই ভদ্রভাবে কথা বলছি, যুক্তি দিয়ে বোঝানোর চেষ্টা করছি। এমনিতে আমি বিরাট মাথা গরম লোক, যখন তখন হুট হাত বেফাঁস কথা বলে ফেলি মানুষের মুখের উপর। ‘তার মানে আপনি ধরেই নিচ্ছেন যে চাকরিটা আপনার হয়ে বসে আছে!’ ‘না সেটা ধরছি না, তবে আপনি যদি অভয় দেন তাহলে ধরে নেব।’ আমার সকাল সকাল তৈরি করা পেপসোডেণ্ট হাসি আমি তার দিকে ছুঁড়ে দিয়ে বললাম। ‘না, এখনও অভয় দেবার মতো ঘটনা ঘটেনি কিছু। আরও প্রায় পঞ্চাশ জন লোক লাইনে দাঁড়িয়ে আছে এই চাকরীর জন্য।’ ‘ও আচ্ছা, তার মানে চাকরিটা আমার হচ্ছে না?’ চেহারায় হতাশা ফুটিয়ে বললাম আমি। ‘আগে যাচাই হোক, তারপরে তো বাছাই!’ ভদ্রলোকের মোক্ষম যুক্তি, এর পিঠে কিছু বলার নেই, সম্ভবত দীর্ঘদিন ধরে ইন্টারভিউ নিতে নিতে এত অভিজ্ঞ হয়ে গিয়েছেন যে কেউ কিছু একটা বলার আগেই তার বিপরীতে একটা উত্তর তার কাছে সবসময় প্রস্তুত করা থাকে। আমি চুপ মেরে যেতেই ভদ্রলোক আবার বললেন,‘বসুন।’ যাক এতক্ষণে অনুমতি পাওয়া গেল! ইন্টারভিউর বিষয়টা অনেকটা ক্লাসে ভাইভা পরীক্ষা দেওয়ার মতো,তফাৎটা হচ্ছে সেখানে পরীক্ষকের আগাপাশতলা সব একজন ছাত্রের জানা থাকে, সে কি বললে খুশি হবে,কি বললে অখুশি হবে সেগুলো আগেই হিসাব করে নেওয়া যায়! আর ইন্টারভিউতে সেটা করা যায় না, কেননা পরীক্ষক সম্পর্কে পূর্ববর্তী তথ্যের সমূহ অভাব। আমি অতঃপর, আসন গ্রহণ করলাম। ভদ্রলোক যেই চেয়ারে বসে আছেন সেটা অনেক দামী, নিচে চাকা লাগানো, ঘূর্ণায়মান! সিটে আবার নরম সরম গদি দিয়ে আচ্ছাদিত করা, সেখানে থেকে থেকে তিনি আরাম করে হেলান দিয়ে কদাচিৎ গোঁফে তা দিচ্ছেন। তার ভাব দেখে সম্ভ্রান্ত রাজা বাদশাদের সিংহাসনের উপরে উপনীত হবার দৃশ্য মনে পড়ে যায়! নাহ আমি কোনও আসল রাজা বাদশা নিজের চোখে দেখিনি, আমার বাবাও দেখেননি, তবে টেলিভিশনে যেসব সিরিয়াল দেখেছি রাজা বাদশাদের নিয়ে তার থেকে কিঞ্চিৎ ধারণা করতে পারছি। এখন কেবল অভাব হচ্ছে একজন রূপবতী রমণীর যে সিংহাসনের পাসে দাঁড়িয়ে ইয়াবড় মোলায়েম চামর দিয়ে সুশীতল হাওয়ার সাপ্লাই দেবে থেকে থেকে। রূপবতী রমণীর কথা ভাবতে না ভাবতেই পাশের ঘরের দরজা খুলে এক রমণী প্রবেশ করলেন, সিনেমার চামর চালিকাদের মতো অতো সুন্দরি না হলেও তাকে মোটামুটিভাবে সুন্দরীই বলা চলে। ঘরে ঢুকেই সে ভদ্রলোককে বলল,‘স্যার আপনার লাঞ্চের টাইম হয়ে গেল তো, খাবেন না?’ আমি লক্ষ্য করলাম, মেয়েটি আসার সাথে সাথেই তার চেহারাই পাল্টে গেল পুরো, সে কেমন যেন একটা বিগলিত ভাব দেখিয়ে বলল,‘ওহ, টুম্পা, অনেক দেরি হয়ে গেল তাই না! আচ্ছা আসছি দাঁড়াও, আগে এই লোককে বিদায় দিয়ে নিই! তুমি চটপট খাবার রেডি করো, এই আর পাঁচটা মিনিট।’ রমণী টুম্পা আমার দিকে আড়চোখে একবার ভৎসনামাখা দৃষ্টিপাত করে আবার পূর্বের দরজা দিয়ে পাশের ঘরে ফিরে গেল। তাদের খাবারের সময়ে এসে আমি অহেতুক বিরক্ত করে ফেলেছি, ভৎসনাই আমার প্রাপ্য। আমি নীরবে ভৎসনা হজম করলাম, একবেলা হয়তো এটা দিয়েই চালিয়ে দেওয়া যাবে, বেলায় বেলায় নিয়ম করে ভাতই খেতে হবে এমন দাসখৎ কেউ দেয়নি আমাকে! টুম্পা চলে যেতেই গুঁফো ভদ্রলোক তার চেহারা আবার আমার দিকে ঘোরালেন, তারপরে র্যাপিড ফায়ার মুডে প্রশ্ন করলেন,‘কি পাশ করেছেন?’ ‘এস.এস.সি, এইচ.এস.সি।’ ‘আহা! শিশুকাল থেকে বলতে বলিনি তো! সবশেষটা বলুন।’ ‘এটা কিন্তু মন্দ বলেননি,স্যার। শেষ ভালো যার সব ভালো তার! কথায় তো তাই বলে!’ ‘এত বেশি কথা না বললেই ভালো। আমার সেক্রেটারি খাবার বেড়ে আমার অপেক্ষা করেছে। সরাসরি উত্তর দিন।’ কটমট করে বললেন তিনি। ‘ও,তবে যাই বলেন স্যার, ভালো সেক্রেটারি ম্যানেজ করেছেন কিন্তু! একদম রূপে গুনে এ প্লাস।’ ‘শাট আপ! ওর গুণ কোথায় দেখলেন আপনি! ফাজলামির আর যায়গা পান না!’ ‘মানে স্যার, এইতো গেলেন সবে, একমিনিট ও হয়নি! এর মধ্যেই খাবার রেডি করে ফেলেছেন আপনার জন্য! গুণী তো বলতেই হয়! আমার মাও এত তাড়াতাড়ি খাবার রেডি করতে পারে না। ভাবছি মিস টুম্পার কাছে মাকে নিয়ে এসে এক মাসের ক্রাশ কোর্স করাবো! আচ্ছা ভদ্রমহিলা কতো চার্জ করতে পারেন কোনও আইডিয়া আছে?’ ‘কি...কি বললেন! আপনার এত বড় সাহস, আমার অফিসে এসে আমার সাথে ফাজলামি করছে!’ ‘আহা উত্তেজিত হবেন না স্যার! উত্তেজনা হার্টের জন্য খারাপ। তার থেকে আমার নামটা জোরে জোরে বলুন দুই এক বার, দেখবেন ভালো লাগবে, হার্টে আরাম পাবেন!’ ‘গেট আউট, আই সে গেট আউট!’ ‘কেন ইন্টারভিউ তো এখনো শেষ হয়নি স্যার!’একচিলতে হাসি দিয়ে গোবেচারার মতো করে বললাম আমি। ‘এর পড়েও আপনি কিভাবে ভাবেন যে আপনার ইন্টারভিউ নেওয়া হবে! কিভাবে ভাবেন আপনি?!’ চিৎকার দিলেন ভদ্রলোক, রাগে তার দুই কান টকটকে লাল হয়ে উঠেছে। ‘আহা এত রাগ করতে আছে? আচ্ছা যান সরি বলছি! আমার ভুল হয়ে গিয়েছে। কিন্তু স্যার, নির্দেশনা মতো নগদ হাজার টাকা জমা দিয়েছি চাকরীর ইণ্টারভিউর ডাক আসার পড়ে, ইন্টারভিউ না দিয়ে তো আমি কোথাও যাবো না!’ চেয়ারে বসে বসেই ঠাণ্ডা মাথায় বললাম আমি। ‘বেশ করেছি টাকা নিয়েছি, বেশ করেছি! আর, যাবেন না মানে? আলবাত যাবেন, যেতেই হবে।’ হন্তদন্ত হয়ে হাতের সামনে রাখা বোতামে চাপ দিলেন গুঁফো পরীক্ষক। এই বোতাম একটি ইলেকট্রনিক ঘণ্টা বাজায় দরজার বেশ কিছুটা দূরে, সেই ঘণ্টা বসানো হয়েছে দারোয়ানকে ডাকার জন্য। মাঝে মধ্যে যখন পরীক্ষক প্যাচে পড়ে যান তখন দারোয়ান এসে তাকে উদ্ধার করে। বর্তমানে তিনি প্যাচে পড়েছেন, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী কোনও চাকরীর অ্যাপ্লিকেশন করা প্রার্থীর থেকে টাকা নেবার উপায় কোনও প্রাইভেট কোম্পানির নেই, তবুও তিনি টাকা নিয়েছেন, এটা ঘোর অন্যায়। আমি আমার অধিকার দাবি করে ইন্টারভিউ দিতে চাইতেই পারি, তাতে সে আমার ইন্টারভিউ নিতে বাধ্য, যার নুন খেয়েছেন তাকে সার্ভিসও সেরকমই দেওয়া উচিৎ! দারোয়ান হাজির হতেই তার উপর নির্দেশ জারি হল,‘এই লোককে বাইরের রাস্তা দেখিয়ে দিয়ে এসো।’ নির্দেশ বানী শুনে দারোয়ান বিদ্যুৎ বেগে গিয়ে আরাম কেদারায় বসে থাকা গুঁফো ভদ্রলোকের ঘাড় চেপে ধরল। ভদ্রলোক হতচকিত হয়ে বললেন,‘একি! কি! কি করছ তুমি! তোমার চাকরি কিন্তু থাকবে না! এত বড় স্পর্ধা আমার ঘাড় ধরো! ওই ব্যাটাকে ধরো, ওকে বের করো রুম থেকে।’ এবারের উত্তরটা কষ্ট করে আর আমার দেওয়া লাগলো না, দারোয়ান নিজেই দিলো,‘আমারে পাগল পাইছেন!ছোট সাহেবের ঘাড় ধরতে যামু আমি! মাপ করেন ছাড়, এর থেইকা আপনেরে বাইর কইরা দিলে বরং ভালা, মুসিবত কম।’ অফিসে ঢোকার আগে দারোয়ানকে পরিচয়টা দিয়ে এসেছিলাম আমি। হ্যাঁ কোম্পানিটা আমার বাবার। আমার বাবা ডাক্তার, কিন্তু কিছু জমানো টাকা দিয়ে পাশাপাশি একটা সফটওয়্যার ফার্ম খুলেছেন। আমার বড় ভাই-ই এটার দেখাশুনা করে। আমি সম্প্রতি দেশে ফিরেছি অস্ট্রেলিয়া থেকে পড়া লেখা শেষ করে। কোম্পানি খোলা হয়েছে পাঁচ বছর, আমি দেশের বাইরে ছিলাম তার আরও বছর দু’য়েক আগের থেকে, তাই আমাকে কেউই চেনে না এখানে। কিছুদিন আগে আমার ভাইয়ের কাছে অফিসের কয়েকজন বিশ্বস্ত কর্মচারী অভিযোগ করেন যে ম্যানেজার চাকরীর জন্য যেসব অ্যাপ্লিকেশন জমা পড়ছে তাদের বায়োডাটা থেকে টেলিফোন নম্বর নিয়ে ফোন করে করে টাকা নিচ্ছে ইন্টারভিউর আগে। গুরুতর অভিযোগ, যাচাই না করে ব্যবস্থা নেওয়া ঠিক না, তাই সরজমিনে তদন্ত করতে আমিই চলে এলাম শেষ পর্যন্ত। জমা দিলাম অ্যাপ্লিকেশন, নিজের নামটা ঠিক রেখে, কেবল বাবার নাম আর বাসার ঠিকানা বদলে। ফোনও এল আমার কাছে, টাকাও চাইল ম্যানেজার নিজেই। কেবল অপেক্ষা ছিল তার নিজের মুখের স্বীকারোক্তির, সেটাও এখন আমার সাথে আছে মোবাইলে রেকর্ড করা। সুতরাং, এখন আর বাঁধা নেই তাকে উপযুক্ত শিক্ষা দিতে। দারোয়ান ঘাড় ধাক্কা দিতে দিতে ম্যানেজার ভদ্রলোককে নিয়ে যাচ্ছে অফিসের করিডোর দিয়ে, এই কাজ করতে সে নিঃসন্দেহে ভীষণ মজা পাচ্ছে। অফিসের যারা গোপনে অভিযোগ করেছে তারাও বেশ মজা পাচ্ছে। পাশের থেকে দুই এক জনের অবশ্য গোমড়া মুখ দেখা গেল, সম্ভবত এই নয়-ছয়ের টাকার থেকে তাদের পকেটেও যেত ছিটে ফোঁটা কিছু! এদের ব্যবস্থা পড়ে নেওয়া যাবে। যদি শুধরে যায় তো ভালো, আর নাহলে এদের পরিনতিও হবে সোজা অর্ধচন্দ্র। আমি ম্যানেজারের চলে যাওয়ার দৃশ্য সমাপ্ত হতে পাশের ঘরের দিকে পা বাড়ালাম, টুম্পা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে, কাজের স্বার্থে এই অপেক্ষা তার করতে হয়, মানুষ ক্ষেত্রবিশেষে অনেক অসহায়, চাকরি টিকিয়ে রাখতে তাই অনেক কিছুই করে তারা। বেচারিকে আর বসিয়ে রাখে লাভ নেই, আজ না হয় আমিই খেলাম ওর বেড়ে রাখা খাবার! ক্ষতি কি তাতে? কোনও ক্ষতি নেই। (Copy)


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৬ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ইন্টারভিউ
→ হাস‍্যকর ইন্টারভিউ
→ চাকরির ইন্টারভিউ
→ চাকরির ইন্টারভিউ
→ ইন্টারভিউ
→ চাকরির ইন্টারভিউ
→ ইন্টারভিউ
→ আমার ইন্টারভিউ
→ চরম ইন্টারভিউ
→ ইন্টারভিউ
→ "নান্টু ভাইয়ের ইন্টারভিউ"
→ ইন্টারভিউ
→ বল্টুর ইন্টারভিউ
→ ইন্টারভিউ দিতে গেলাম সেখানে কি হল দেখুন

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now