বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
মেয়েরা যে কত্ত স্বার্থপর হয় তা বান্ধুবি বর্নার
সাথে দুইদিন চলাফেরা করলেই বুঝা যায়। ১০৩° জ্বর
নিয়া শুয়ে আছি, এইসময় বর্নার কল..... -হ্যালো
-কেমন আছিস?
-ভালো না রে..... ১০৩ ডিগ্রি জ্বর।
-আহারে.... আমি যদি এখন তোর পাশের বাসায় থাকতাম অনেকগুলা ফলমূল
নিয়া তোকে দেখতে আসতাম। -ওয়াও ! হাউ সুইট।
-তোর মাথায় পানি দিয়ে দিতাম।
-এত্ত ভালো তুই?
-তুই তো বুঝলি না আমাকে । তারপর আমার নিজের
ওর্না দিয়ে তোর মাথা মুছে দিতাম। -এত্ত ভালোবাসিস আমাকে? -হুম... তুই যদি বুঝতি আমায়
তাহলে আর অন্য
কারো সাথে প্রেম করতি না।
-অনেক আফসোস হচ্ছে রে। আচ্ছা আর
কি কি করতি আমার জন্য?
-তোর মাথায় জলপট্টি দিয়ে দিতাম। একটু পর পর চেঞ্জ করে দিতাম। -হাউ লুমান্টিক।
-হুম..... তোরে নিজ হাতে খাওয়ায়ে দিতাম।
-আমি তো আর আবেগ ধরে রাখতে পারছি না রে।
-সাড়ারাত জেগে থাকতাম তোর পাশে।
-এখনি চলে আয় না প্লিজ।
-তারপর তোরে ধমক দিয়া দিয়া ঔষোধ খাওয়ে দিতাম। -কান্দা আইয়া পড়ছে রে।
-আমি পাগলের মত সাড়াক্ষন তোর কেয়ার করতাম।
-দোস্ত... আই লাবুু, আমার মনে হয় জ্বর
ছাইড়া দিছে রে।
-তারপর যখন তুই সুস্থ হয়ে উঠবি তখন তুই খুশি হয়ে ৫
হাজার টাকা দিয়ে আমাকে একটা ড্রেস গিফট করে বলবি "তুই আমার জন্য এত্তকিছু করছস, এই ঋন
আমি কখনো শোধ করতে পারবো না তাই আমার পক্ষ
থেকে ক্ষুদ্র উপহারটুকু নিলে আমি খুশি হবো" ****ও আম্মা
তুমি কই??? চার পাঁচটা থার্মোমিটার
আমার মুখে ডুকাই দাও..... আমার মনে হয় জ্বর
১০৩ডিগ্রি থেকে ৩০১ডিগ্রি হয়ে গেছে****
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now