বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
এই পৃথিবীতে যখন চারিদিক জলমগ্ন ছিল তখন আদিমাতা অর্থাৎ মা কালীর দেহ হতে জন্ম নেন জগৎ পালক শ্রী বিষ্ণু , তিনি অনন্ত নাগশয্যায় সলিল সমাধিতে মগ্ন এরপর জন্ম নেন বিষ্ণুর নাভিকমল থেকে প্রজাপতি ব্রহ্মা তিনি সর্বপ্রথম জন্মেই অহংকারী হয়ে ওঠেন বলেন - আমি জগৎ তে প্রথম এসেছি উত্তরে শ্রী বিষ্ণু বলেন - " হে প্রজাপতি , আপনি ভুল করছেন আমি আগে সৃষ্টি তারপর আপনি এই যুগের পর যুগ অতিক্রম করলো তবু তা থামে না এরপর যুদ্ধ সৃষ্টি তে প্রলয় আসার উপক্রম এই সময়ে দুজনে দেখলেন তাঁদের মাঝখানে একটি অগ্নি স্তম্ভ বিদ্যমান আছে যাঁর কোনো আদি নেই এবং অন্ত নেই ব্রহ্মা এরপর বিষ্ণু কে এর সন্ধান করতে বলেন দুজনের আলোচনা মতো ব্রহ্মা হংসবাহন হয়ে অগ্নি স্তম্ভের উপর পর্যন্ত গেলেন আর পালন কর্তা শ্রী নারায়ন অর্থাৎ বিষ্ণু তিনি বরাহ রূপ ধারণ করে সমুদ্রের তলদেশ পর্যন্ত গেলেন কিন্তু এর সন্ধান দুজনের একজনও পেলেন না এর মধ্যে প্রজাপতি ব্রহ্মা এক ছলনা করলেন নিজ মায়াবলে শিবের কাছে সাক্ষী হিসেবে প্রমাণ করার জন্য কেতকী ফুলকে সৃষ্টি করলেন এবং অগ্নি স্তম্ভের উদ্দেশ্যে বললেন " হে দেবেশ ! আমি আপনার অগ্নি স্তম্ভের আদির সন্ধান করতে পেরেছি আর আমার সাক্ষী হল এই কেতকী ফুল ঠিক তক্ষুনি ওই অগ্নি স্তম্ভের ভিতর থেকে প্রকট হলেন জটাজুট ধারী , গলায় নাগরাজ বাসুকি , বিরুপাক্ষ ( রুদ্রাক্ষের মালা পরা ) , ব্যাঘ্র চর্ম পরিধানা স্বয়ং দেবাদিদেব মহাদেব তিনি ব্রহ্মার প্রতি অতি ক্রুদ্ধ হলেন যেহেতু তিনি সংহার কর্তা তাই এইজন্য প্রজাপতি ব্রহ্মাকে অভিশাপ দিলেন - " প্রজাপতি ব্রহ্মা , তুমি আমার সঙ্গে ছলনা করেছ এর শাস্তি স্বরূপ আমি তোমায় অভিশাপ দিচ্ছি যে জগৎ তে কোথাও তোমার পূজা হবে না আর কেতকী ফুল আমার পূজায় কদাপি ব্যবহার হবে না " এরপর শ্রী বিষ্ণু করজোড়ে দেবাদিদেব মহাদেব কে বললেন - " হে শূলপাণি শঙ্কর , আমি নিজে বরাহ রূপ ধারণ করে সমুদ্রের পর্যন্ত গিয়েছিলাম আমি অগ্নিস্তম্ভের অন্ত - র কোনো সন্ধান পাই নি " উত্তরে শূলপাণি শঙ্কর অতি প্রসন্ন হয়ে এই বর দিলেন জগৎ তে সর্বত্র তোমার অর্চনা হবে আর তোমার আর এই রূপকে সর্বজগৎ হরিহর আত্মা রূপে চিনবে ও আজ হতে তুমি আমার পরম সখা " এরপর আদিমাতা দেবী কালীকা প্রকট হন তিনি বলেন আজ হতে এই সর্ব জগৎ ব্রহ্মা , বিষ্ণু , মহেশ্বর কে ত্রিদেব বলে মান্যতা পাবে কিন্তু কর্ম ভিন্ন প্রজাপতি ব্রহ্মা হলেন সৃষ্টি কর্তা আর বিষ্ণু এই জগৎ - এর পালনকর্তা আর মহেশ্বর হলেন সংহার কর্তা প্রয়োজনে তিনি এই জগৎ কে সংহার করতে পারবেন ।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now