বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

প্রকৃতির আপন দেশ কেরালা’-২২

"ভ্রমণ কাহিনী" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান মাজহারুল মোর্শেদ (০ পয়েন্ট)

X প্রকৃতির আপন দেশ কেরালা’-২২ মাজহারুল মোর্শেদ ভারকালা সমুদ্র সৈকত (Varkala Beach) আলেপ্পি (আলাপ্পুঝা) থেকে ভারকালা সমুদ্র সৈকতের দূরত্ব প্রায় ১২৫ কিলোমিটার। কেরালার ত্রিভান্দ্রমের একটি উপকূলীয় পর্যটন শহর ভারকালা, যেখানে প্রাচীন ঐতিহাসিক নিদর্শন সমূহের পাশাপাশি সমুদ্র উপকূলীয় পাহাড়ের মনোরম দৃশ্য মন ভরিয়ে দেয়। পর্যটনের মূল আকর্ষণ হিসেবে রয়েছে ভারকালা সৈকত, থিরুভাম্বাদি সৈকত, অ্যাঞ্জেঙ্গো ফোর্ট, ভারকালা টানেল, ভারকালা অ্যাকোয়াারিয়াম ইত্যাদি। যেহেতু আমাদের নিজেস্ব ভাড়াটে যানবাহন সাথেই আছে কাজেই এ নিয়ে আপাতত কোন চিন্তার কারণ নেই। ভারকালার পথে উঁচু-নিচু আর আঁকা-বাঁকা রাস্তায় চলছে আমাদের গাড়ি। আজকে হঠাৎ রবীনের মধ্যে বেশ একটা উৎফুল্ল ভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। কিন্তু তাকে সেটা জিজ্ঞাসা করা ঠিক হবে না। হয়তো বেশ কয়েকদিন পর আজ সে বাড়িতে যাবে সেটিও একটা কারণ হতে পারে, আবার নাও হতে পারে। তবে তাকে কখনো এমন লাউড সাউণ্ড দিয়ে গান শুনতে দেখিনি। আজকে তার মনে একটা অযাচিত খুশি খুশি ভাব আসায় সে বেশ জোরে-সোড়ে সাউণ্ড দিয়ে ‘রুদালি’ সিনেমায় লতা মঙ্গেস্করের কোকিল কণ্ঠে- ‘দিল হুম হুম কারে, ঘাবড়ায়ে’ গানটি বাজাচ্ছে। তবে শুধু একবারই নয়, টেনে টেনে বেশ কয়েকবার শুনছে। সে হয়তো এটা ভুলেই গেছে যে, আমরাও তার বাজানো গান শুনতে পাচ্ছি। সবাই একে অপরের দিকে তাকা তাকি শুরু করলো। কিন্তু পুরোনো দিনের সে গানে লতা মঙ্গেস্করের কোকিল কণ্ঠি গলার সুর যেন আকাশ বাতাস ছাপিয়ে পাহাড়ের বুকে কম্পন তুলছে। না গানটা এখন বেশ ভালো লাগছে। আমার মনে পড়ে গেলো সেই ছোট বেলার কথা। সিলিগুড়িতে ভি.ডি.ও হলের ছোট পর্দায় দু’রুপি দিয়ে টিকিট করে ‘রুদালি’ সিনেমায় ডিম্পেল কাপাডিয়ার কষ্টের কান্না দেখে হলের ভেতর খুব কম দর্শকেই ছিলো যারা অশ্রæ বির্সজন দেননি। আমি রবীনের পাশের সিটে বসে আছি। বাইরে ভয়ানক রকমের গরম গাড়িও হাই স্পিডে চলছে গানের তালে তালে। জানালার ফাঁক দিয়ে শিরশির করে বাতাস এসে একটা শীলত অনুভুতির সৃষ্টি করছে। অনেকে নাক ডেকে ডেকে ঘুমাচ্ছে। গাড়ি এসে দাঁড়ালো একটা ফলের দোকানের সামনে। পিছন থেকে বোউদি ঝেটিয়ে উঠলো আরে রবীন, তুমি কি আমাকে এখন ফলের জুস খাওয়াবে নাকি? হ্যাঁ বোউদি এখানে একেবারে টাটকা ফল পাওয়া যায় আর দামও অর্ধেক। তাই দাঁড়ালাম। সবাই নিজের ইচ্ছেমত সে টাটকা ফল আর ফলের জুস কিনে নিয়ে আবারও গাড়িতে গিয়ে উঠলাম। আমাদের পৌঁছাতে একটু লেট হচ্ছে। তো রাস্তায় কোথাও একটু ভালো করে নাস্তা করে নেওয়া দরকার। কারণ সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর শুধু বিস্কুট ছাড়া কিছুই পেটে ঢোকেনি। কিন্তু এখানে সেই নারকেল তেলের খাবার। সেটা সবার পছন্দ না হতে পারে। সেজন্য আমাদের কাছে যে সকল শুকনো খাবার আছে, ফলের জুস আছে আমরা সেগুলো খেয়ে নিয়ে আপাতত প্রাণ বাঁচাই। যেহেতু অনেক লম্বা জার্নি তাই খুব বেশি সময় না দিয়ে আবার নেমে পড়লাম রাস্তায় কখনো চা বাগানের বুক চিড়ে সারিসারি গাছপালা আবার কখনো পাহাড়ি রাস্তার রেলিং ছুঁয়ে তরতর করে গন্তব্যের দিকে ছুটে চলেছি আমরা একটা অদ্ভুত ভালো লাগার অনুভূতি সারাক্ষণ মনকে ভরিয়ে তুলছে। জানিনা কিভাবে প্রকৃতি এতোটা সুন্দর হতে পারে। হয়তো এখানে দূষণ কম বলেই প্রকৃতির তার ইচ্ছেমতো নিজেকে সাজাতে পেরেছে। রাস্তার প্রতিটা বাঁক যেন তাদের গল্প শোনাবে বলে আমাদেরই অপেক্ষায় পথ চেয়ে আছে। গাড়ির কাঁচের ভেতর দিয়ে আঁকা বাঁকা চকচকে রাস্তা আর দু’ধারে পাহাড়ের গায়ে সবুজ গালিচা আর মেঘের ছায়া মাথার উপরে নীল আকাশ কি যে অপূর্ব লাগছে, কি যে দৃষ্টি সুখের অনুভূতি সেটা চোখে না দেখলে উপলব্ধি করার উপায় নেই। একটু পরপর দৃশ্যপটের বদল হচ্ছে হঠাৎ চোখে পড়লো সারিসারি রাবার গাছ তারই মঝে আনারস চাষ হচ্ছে। কেরালার আনারসও কিন্তু খুব বিখ্যাত যত ভার্কালার দিকে এগোচ্ছি আকাশের মুখ ভার হচ্ছে একটা গুমট ভাব ছড়িয়ে পড়ছে বাতাসে। ভারকালার সাথে আমাদের দূরত্ব যতোই কমছে যাত্রাপথে নারকেল গাছের আধিক্য কিন্তু ততোই বাড়ছে। কেরালা মানেই নারকেলের রাজ্য, ক্যালেন্ডার পোর্ট্রেট দেখেছি কেরালার তার প্রত্যেকটাতেই নারকেল গাছের অস্তিত্ব ভীষণ ভাবে স্পষ্ট ছিলো। এখন এখানে এসে তাই আরো বেশি বেশি দেখতে পাচ্ছি সবটা মিলিয়ে ছবিতে দেখা সেই কেরালার সাথে বাস্তব কেরালার হুবহু মিল। এখন বর্ষাকাল নয় তবুও বাইরে হালকা বৃষ্টি, ব্যবসা ভাবটা একদম কাটিয়ে এক পশলা বৃষ্টিতে যেন মাটির গন্ধ বের হচ্ছে রাস্তা দিয়ে। কি যে দারুণ ভালো লাগছে আর সেই সঙ্গে হিমেল হাওয়ার এলোমেলো মাতলামি। আমার চোখ টানছে রাস্তার পাশের এই বাংলো টাইপের বাড়িগুলো শিক্ষা আর রুচির অপরূপ ছাপ রয়েছে প্রত্যেকটা বাড়ির দেয়ালে। আমরা ভারকালায় এসে পৌঁছালাম সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে। আলেপ্পিতে আমরা অনলাইনে আমরা হোটেল ভাড়া করে রেখেছিলাম। তাই এ নিয়ে আর কোন ঝুটঝামেলায় পড়তে হলো না। কোন হোটেল আমাদের, আমরা কোনটায় গিয়ে উঠবো এটা ভাবতে ভাবতেই হোস্টেলের লোক এখানে এসে উপস্তিত হলো এবং আমাদেরকে সঙ্গে করে নিয়ে এলো। আমাদের লাগেজ যারা স্টাফ আছে তারাই নিয়ে আসবে। | Pappukutty Beach Resort একদম বিচের ধারে, রুম থেকেই দেখা যায় নীল সমুদ্র। আমাদের ‘পাপ্পুকুট্টি বিচ রিসোড’ খুব বড় না হলেও এখানে ডাইনিং টেবিল রয়েছে, সোফাসেট রয়েছে, থাকার জন্য বেশ বড় একটি করে বেডও রয়েছে। কিন্তু ভেতরে প্রবেশের সময় জুতো রেখে ভেতরে প্রবেশ করতে হবে। প্রতিটি রুমে এসি সংযোগ আছে। বিছানার সাইজ ছোট-বড় দু’রকমের আছে। বিশাল হাইফাই বলা না গেলেও একেবারে ঠিকঠাক যাকে বলে। এখান থেকে সমুদ্রের ডাক শোনা যাচ্ছে, বিশাল ঢেউয়ের হাতছানি আর ছলাৎ ছলাৎ শব্দ। রোমান্টিক সমুদ্রসৈকতের খোঁজে থাকা ভ্রমণ পিপাশুরা একটি আরামদায়ক ও মনোরম অবস্থানের জন্য ভারকালাকে আদর্শ জায়গা হিসেবে খুঁজে নেন। মাঝারি মানের হোটেল অথবা সমুদ্রতীরের কটেজ, যেখানে প্রতি রাতের ভাড়া ২,০০০ থেকে ৪,০০০ রুপির মধ্যে। এবার আমাদের একটুখানি হেঁটে যেতে হবে সমুদ্রের ধারে। আর হাঁটার কথা শোনা মাত্রই অর্ণব বোউদির দিকে তাকালো। উর্মী এটা বুঝতে পেরে একটা মুচকি হাসি দিলো। আমি ইশারায় তাকে হাসতে মানা করলাম। কিন্তু বোউদির চোখকে ফাঁকি দেয়া গেলো না। আমি মনে মনে ভাবলাম, আবারও বুঝি লঙ্কায় আগুন লেগে যায়। কিন্তু না এবার তেমনটি হলো না। এর জন্য মনে মনে সৃষ্টি কর্তাকে ধন্যবাদ জানালাম। সকালের ভারকালা সমুদ্র সৈকত যে এতো ভালো আমি সত্যিই ভাবতে পারিনি। আমাদের কক্সবাজারের মতো সুনিপুন ও দৃষ্টিনন্দন। দূরদিগন্তে বিলীন অসীম জলরাশিকে সাদা মেঘ ছুঁয়ে সমুদ্রের রঙ যেন রুপোয় মোড়ানো হয়েছে। দুটো ডুবো পাথরে পাশে নীল জল ঝুপ ঝুপ করে এক নাগাড়ে খেলা করে চলেছে। আহা কি অপূর্ব ঢেউয়ের দোলা। মাঝে মাঝে খুব ইচ্ছে করে সে ৪০ বছরের পথকে হারিয়ে সেই ছোট্ট আমিটাকে ফিরে পেতে। এমন পরিবেশে খুব ইচ্ছে করছে ছোট বেলার মতো বর্ষার কাঁদাজলে গড়াগড়ি করে খেলা শেষে সোজা পুকুরে ঝাঁপিয়ে পড়া। সে একদিন ছিলো বটে। যাহোক এভাবেই তিন-চার ঘন্টা চললো আমাদের আমাদের সমুদ্র ভ্রমণ। অসম্ভব সুন্দর একটা জায়গা এই দেখো সকাল বেলা ভারকালা সৈকতে এই সময়টা পর্যটকদের ভিড় খুব বেশি থাকে না, হই-হুল্লুর গান জোরে জোরে বক্স বাজানো থাকে না কাজেই এই সময়টা খুব নিরিবিলি থাকে। এবার প্রচন্ড ক্ষুধাও পেয়েছে শরীরের অনেক ধকল গেছে। এবার একটু খেয়ে বিশ্রাম নেয়া দরকার। ভারকালার নিরামিষ খাবারের জন্য সমুদ্র সমুদ্র সৈকতে ‘ক্যাফে দেল-মার’ অতুলনীয় খাবার প্রস্তত করে। স্বল্প বাজেটে ভ্রমণকারীদের জন্য অত্যন্ত সাশ্রয়ী মূল্যে সুস্বাদু ও খাঁটি নিরামিষ খাবার পরিবেশন করে। স্থানীয় খাবারের দোকান ও মাঝারি মানের ক্যাফে মিলিয়ে বেছে নিলে অতিরিক্ত খরচ না করেই দারুণ খাবার উপভোগ করা যায়। সামগ্রিকভাবে, ভারকালার খাবারের জগতে রয়েছে বৈচিত্রময় স্বাদ, সাশ্রয়ী মূল্য যা এটিকে খাদ্যরসিক এবং স্বল্প বাজেটের ভ্রমণকারী উভয়ের জন্যই একটি স্বর্গে পরিণত করেছে। দুপুরের খাওয়া সেরে একটু বিশ্রাম নেওয়ার পর আমরা আবার বেরিয়ে পড়লাম সমুদ্রের ধারে। বিশাল সাগরের বেলাভ’মিতে উত্তাল ঢেউয়ের বুকে হেলান দিয়ে সমস্ত দিনের ক্লান্তির অবসান ঘটিয়ে সূর্য তার মায়াবীরূপ ছড়িয়ে দেয় চারিদিকে। অস্তমান সূর্য়ের সেই মায়াবীরূপে নিজেকে হারিয়ে ফেলার জন্য হাজারো পর্যটক এসে ভিড় জমায় সৈকতে। সবাই পায়ে হেঁটে একপ্রান্ত থেকে অপরপ্রান্তে মনের তৃষ্ণা নিবারণের জন্য ঘুরে বেড়ায়। কি অপূর্ব সুন্দর সৈকতের রূপ, কি অসাধারণ একটা মুহুর্ত, মনে হচ্ছে লাল টকটকে সেই সূর্যটার মতো আমিও অযাচিত সেই ঢেউয়ের বুকে হেলান দিয়ে অজানার দেশে হারিয়ে যাই। নরম সন্ধ্যায় সমুদ্রের হাওয়া হঠাৎ গা ছমছম করে ওঠে, শিহরে ওঠে বারবার । এরকম সৈকত আমি কখোনো আগে দেখিনি। আলোময় চারিদিক দূরে-অনেক দূরে হাজারো জোনাকির মতো দেখা যাচ্ছে ওগুলো সব মাছ ধরার ট্রলারের আলো। সন্ধ্যায় এখানে বেশ এনার্জেটিক থাকে অনেকে। এখানকার বিখ্যাত ‘হেপি মার্কেট’ অনেকে বলে এটা নাকি এখানকার সেরা মার্কেট গুলোর একটা। আমরা যখন হাঁটছি এবিখ্যাত ভারকালা সমুদ্র সৈকতের ধার দিয়ে আহা কি সুন্দর জোছনা। হয়তো আজকে পূর্ণিমা হবে তাই চাঁদের এমন রঙের বাহার। সমুদ্রের ঢেউয়ের বুকে আঁচড়ে পড়েছে চাঁদ। ঢেউয়ের সাথে যেন চাঁদের মিতালি আহ! কি অপূর্ব মিলনের ছন্দময় নৃত্য, ঢেউয়ের তালে তালে পূর্ণিমার চাঁদ যেন নৃত্য করছে- “ম্যায়নে ছোরদে সবকি লাজ, এ্যায়ছা ঝুমকে নাচি আজ কি ঘুঙুরু টুটগ্যায়ে”। জোছনা রাতে জাহাজে করে বঙ্গোপসাগরেও অনেক ভেসেছি কিন্তু এমন করে ঢেউয়ের তালে তালে পূর্ণিমার চাঁদের নৃত্যকে দেখিনি। অসম্ভব রকমের সৌন্দর্যের জন্য ভারকালাকে ‘ব্লাক স্যান্ডের’ বিচও বলা হয়। এই যে কালোবালির উপর পূর্ণিমার চাদের সোনারঙ মিশে অসম্ভব সুন্দও একটি বøাকপার্লের রাজ্য হয়ে উঠছে। আমি জানিনা সমুদ্রের কাছে এলে আমার দেহের ভেতর একটা আনন্দদায়ক ক্লান্তি কেন জানি নিজেকে আচ্ছন্ন করে রাখে। নিজেকে ভীষণ হালকা লাগে। এরকম নির্জন সৈকতে কখনো এরকম একান্তে হেঁটে দেখা, সমুদ্রের জলে হালকা পা ভিজিয়ে সমুদ্রকে আপন ভেবে অনুভব করার চেষ্টা করা। পাড়ে বসে দু’চারটা বাদামের খোসা ছিলিয়ে মুখে দেয়া, একটু সুখ-দুঃখ, আনন্দ-বেদনার গল্প করা সবমিলিয়ে নিজের মস্তিষ্ক যখন আপনারে ছেড়ে অন্য কোথঠর চলে যায় তখন এক অদ্ভুত রকমের অনুভুতি এসে মাথায় ভর করে। ছোট্ট এ জীবনটাকে অনেক বড় প্রাপ্তি এনে দেয়। কেবলি মনে হয়- অকূল দরিয়ার বুঝি কূল নাই রে কূল নাই কিনার নাই নাইকো দরিয়ার পারি সাবধানে চালাইও মাঝি আমার ভাঙ্গা তরী রে


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৯ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-
☆ ☆ ☆ ☆ ☆

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now