বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

প্রকৃতির আপন দেশ কেরালা’-১৩

"ভ্রমণ কাহিনী" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান মাজহারুল মোর্শেদ (০ পয়েন্ট)

X প্রকৃতির আপন দেশ কেরালা’-১৩ মাজহারুল মোর্শেদ এরাভিকুলাম ন্যাশনাল পার্কটা কোন সাধারণ পার্ক নয়। এটা সত্যি প্রকৃতির একটা স্বর্গরাজ্য। আমাকে আসতেই হবে, আমাকে আবার আসতে হবে বর্ষা কালে। এই কেরালার রূপ যদি শীতের শেষে এমন হয় তাহলে বর্ষাকালে কি হবে এটা আমি ভাবতে পারছি না। পাহাড়ের গা দিয়ে যখন জলগুলো প্রবহমান ঝরনার ধারার মতো গড়িয়ে পড়বে, মেঘ আর বৃষ্টির মহামিলনে যে অদ্ভুত রূপ ধারণ করবে সে দৃশ্য আমি এখন থেকেই ভেবে দিশেহারা হয়ে পড়ছি। যেহেতু আমাদের আনামুদি (Anamudi) পর্বতে ওঠা হলো না, তাই এখানে আর দেরি করে লাভ নেই। এখানে এক মিনিট সময় লস করা মানে অন্য একটি নতুন যায়গা দেখা মিস করা। আমরা এবার ফিরে যাচ্ছি গেটে যেখান থেকে বাসে উঠেছিলাম। বহিঃগমন পথ দিয়ে বের হয়ে টিকিট কাউন্টারের ঠিক অপরপার্শ্বে একটা ছোটখাট ছিমছাম হোটেল চোখে পড়লো আর অমনি সবার পেটের ক্ষুধা যেন একলাফে একশ’ পাঁচ ডিগ্রি তাপমাত্রায় উঠে গেলো। কে শোনে কার কথা? সবাই হনহন করে হেঁটে গেলো হোটেলের ভেতরে। যাহোক একপ্লেট বিরিয়ানী ২০০ রুপি। তবে প্লেট এতোটাই বড় যে, অনায়াসে দু’জন খেতে পারে। সাথে আছে ভুনো মাংস তবে সেটা আলাদা দাম দিতে হবে। আমাদের টিমের অর্থ সচিব হলেন অর্ণব আর যাহোক খাওয়াটা তার অর্ডারে হয় এখানে কারও মতামত চলে না। আমরা একপ্লেট বিরিয়ানী নিয়ে আমি বোউদি আর উর্মী তিনজনে ভাগ করে নিলাম। অর্নব আর উপেন দা দু’জনে পুরো দু’প্লেট সাবার করে দিলো। খাওয়া শেষ করে আমরা মুন্নারের দিকে ফিরছিলাম কিন্ত তখনও দিনের তিন-চার ঘন্টা বাকি অর্থাৎ সূর্য ডুবার এখনও তিন-চার ঘন্টা দেরি আছে। বোউদি প্রায়ই বলে যে, অর্ণবের গোটা মাথায় শয়তানী বুদ্ধি দিয়ে ভরা। তবে বোউদির কথা মাঝেমধ্যে ঠিকঠাকভাবে মিলে গেলেও তার শয়তানী বুদ্ধি থেকে অনেক ভালো কিছু পাওয়া যায়। যেমন আজকে তার প্রস্তাব হলো হোস্টেলে গিয়ে অলসভাবে বিছানায় সময় না কাটিয়ে চলো আমরা মাট্টুপেট্টি ড্যাম ঘুরে আসি। কিন্ত বোউদি এর ঘোর বিরোধি, ‘আমি মরে গেলেও আর খোথাও যাবো না’। আমরাও মনে মনে ধরে নিলাম এবার দাদার কপাল পুড়লো। যেই কথা সেই কাজ, বোউদি রুমে ঢুকেই দরজা বন্ধ করে দিলো। উপেন হতাশ ভরা চোখে আমাদের দিকে তাকিয়ে বললো, তোমরা যাও ভাই ঘুরে এসো। দেখি আমি দরজাটা খুলে নিতে পারি কি না।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৩ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now