বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
শৈশবে, গ্রামের বন্ধুদের সঙ্গে ফুটবল খেলা হতো।
"লেখক মুন্না"
খেলার সময়, ফুটবল নিয়ে ত্যাড়ে গিয়ে কতই না পিছল খেয়েছি, তা কি আর ভোলা যায়!
খেলা শেষে পুকুরে হইহুল্লোড় করে লাফিয়ে, ফুটবল নিয়ে কতই না মজা করতাম।
আমবাগানে ঝড়ের দিনে, কে কার আগে কত আম কুড়োবে, সেই নিয়ে হতো কাড়াকাড়ি।
গাছের ডাল ভেঙে, বোতলের মুখ দিয়ে গাড়ি বানানো হতো।
একদিন করিম চাচা ৫ টাকা দিয়ে বললেন, — আমার এই ঠেলাভরা লাকড়িগুলো বাড়ি নিয়ে আসো।
আমরা সবাই মিলে দুইটা লম্বা কাঠ বিছিয়ে, তার মধ্যে করে সব লাকড়ি নিয়ে যেতাম, রেলগাড়ির মতো লাইন বেঁধে।
শৈশবে ছিল না কোনো দুঃখ, কষ্ট, লোভ, অহংকার, স্বার্থ।
সবাই মিলে চলতাম, ফিরতাম, খেতাম।
কিন্তু আজ, প্রায় ১৮ বছর পর।
বাইরে চেয়ারে বসে রাতের আকাশের দিকে তাকাতেই যেন সেই স্মৃতি ভেসে ওঠে।
আজ আমি অনেক কষ্টে দিন পার করি।
জীবনের ২৮তম বছর পেরিয়ে গিয়েছি।
অনেক কিছু পেয়েও হারিয়ে ফেলেছি।
একে একে চিনলাম আমি সবাইকে।
জীবনের প্রথম প্রেম, যাকে অনেক ভালোবাসতাম।
সে কোনো দিনও বুঝে উঠতে পারল না আমার এই মনের কথা।
আমি নীরবে তাকে স্মরণ করি, তাকে নিয়ে ভাবি।
অনেক স্বপ্ন ছিল তাকে নিয়ে, কিন্তু ভাগ্যের কী পরিহাস!
সেই রঙিন পাখিটি উড়ে গেল দূর, বহু দূরে।
হ্যাঁ, আমিই হলাম সেই আমি।
আরে, এই যা! এখনো আমার নাম অবধি বলা হয়নি। সরি। ????????
আমি আকাশ।
একটা ভালো চাকরি করি।
আজ রাতে লিখতে বসলাম।
এটা গল্প, নাকি অন্য কিছু, সেটা আপনারাই বলে দেবেন।
আমি বাবা অত শত লেখকের মতো নই।
তাই যা আমার সঙ্গে হয়, আমি তাই লিখতে বসে পড়ি।
হ্যাঁ, লিখছি আমার জীবনের গল্প।
প্রেমে পড়ে দুঃখ পেয়ে, আবার নতুন এক অধ্যায় শুরু হলো।
একদিন বিকেলে, আমার বন্ধু হৃদয়ের সঙ্গে রাস্তার পাশের চায়ের দোকানে আড্ডা দিচ্ছিলাম।
হঠাৎ দেখি, একটি মেয়ে তার ছোট ভাইকে নিয়ে রাস্তার পাশে আইসক্রিম খাচ্ছিল।
কী যেন এক অদ্ভুত টান অনুভব করছিলাম। বারবার চোখ চলে যাচ্ছিল তার দিকেই।
ঠিক তখনই আমার বন্ধু হৃদয় হেসে বলল,
— আরে, ওকে চিনিস না? ও আমাদের পরিচিত।
আমি একটু অবাক হয়ে হৃদয়ের দিকে তাকালাম।
হৃদয় মেয়েটির কাছে গিয়ে কথা বলতে শুরু করল। আমিও ধীরে ধীরে তাদের কাছে এগিয়ে গেলাম।
হৃদয় বলল,
— এই যে, এ আমার বন্ধু আকাশ।
আমি হালকা হাসি দিয়ে বললাম,
— আসসালামু আলাইকুম।
সেও মুচকি হেসে সালামের উত্তর দিল।
সেদিন খুব বেশি কথা হয়নি। শুধু নাম-পরিচয় আর দু-একটা সাধারণ কথা। কিন্তু জানি না কেন, সেই অল্প সময়ের কথোপকথনই আমার মনে এক অদ্ভুত অনুভূতির জন্ম দিল।
এরপর মাঝে মাঝেই দেখা হতে লাগল। কখনো রাস্তার পাশে, কখনো বিকেলের আড্ডায়, আবার কখনো হঠাৎ করেই।
ধীরে ধীরে পরিচয় বাড়তে লাগল। কথাও বাড়তে লাগল।
তখনও বুঝিনি, এই সাধারণ পরিচয়ই একদিন আমার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর, গল্প হয়ে উঠবে।
বাকি অংশ , পরবর্তী পর্বে। ☺️????
লেখক মুন্না
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now