বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

শেষ সিগন্যাল

"সাইন্স ফিকশন" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Adib Ahnaf(guest) (০ পয়েন্ট)

X রাত তখন দু’টো। শহর নিস্তব্ধ, কিন্তু আকাশে অদ্ভুত আলো ফুটে উঠেছে। সাদা, নিঃশব্দ, স্থির। যেন কেউ চাঁদের ঠিক পাশে একটা দরজা খুলে রেখেছে, আর তার ভেতর থেকে আসছে অচেনা আলোর ঢেউ। প্রথমে কেউ গুরুত্ব দেয়নি। কিন্তু আলোটি এক ঘণ্টা স্থায়ী থাকার পরই টেলিভিশন চ্যানেলগুলো ভরে গেল আতঙ্কে। মানুষ ভিডিও তুলল, আপলোড করল, কিন্তু সেই ভিডিওগুলো অদ্ভুতভাবে নিজে থেকেই ডিলিট হয়ে গেল। শুধু একটিই ভিডিও থেকে গেল—অধ্যাপক রাকিব হোসেনের হাতে। অধ্যাপক রাকিব ছিলেন একজন জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও সাবেক মহাকাশ যোগাযোগ প্রকৌশলী। একসময় তিনি সরকারি এক প্রকল্পে কাজ করতেন—“প্রজেক্ট মিরর”—যেখানে মহাকাশ থেকে অদৃশ্য সিগন্যাল ট্র্যাক করা হতো। সেই প্রকল্প বন্ধ হয়ে যায় রহস্যজনক কারণে। তারপর থেকে তিনি নিভৃতে নিজের বাড়ির বেসমেন্টে ছোট্ট এক ল্যাব বানিয়ে কাজ করতেন। সেই রাতেই তিনি তাঁর পুরনো রেডিও সেটে এক অচেনা সিগন্যাল ধরলেন। “–• •– –•– –•–•” সিগন্যালটা আসছে একটি অপরিচিত ফ্রিকোয়েন্সিতে, যেখানে পৃথিবীর কোনো স্যাটেলাইট কখনো কাজ করে না। তিনি ভ্রু কুঁচকে বললেন, “এটা কি কোড? নাকি কারও কল?” রাকিব পুরনো ডিকোডার বের করে কাজ শুরু করলেন। প্রতি পাঁচ সেকেন্ড পর পর একই সিগন্যাল পুনরাবৃত্তি হচ্ছিল। যেন কেউ ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করছে। তিনি সিগন্যালের বাইনারি প্যাটার্ন বিশ্লেষণ করলেন। ফলাফল দেখে তাঁর হৃদস্পন্দন বেড়ে গেল — কোডের অনুবাদ ছিল কেবল এক শব্দে: “HELLO” তিনি অবাক হয়ে হাসলেন। “হ্যালো? কে?” হঠাৎ রেডিওর পাশে রাখা নোটবুকের পৃষ্ঠা নিজে থেকেই উলটে গেল, যেন হাওয়া লাগছে। কিন্তু ঘরে কোনো বাতাস ছিল না। দেয়ালের ঘড়ির কাঁটা হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেল। রাকিব তাকিয়ে দেখলেন — ঘরের আলো নিভে গেছে, সবকিছু জমে আছে নীরবতায়। রেডিও থেকে আবার শব্দ ভেসে এল — এবার পরিষ্কার মানবকণ্ঠে। “Response required.” রাকিবের গলা শুকিয়ে গেল। তিনি নিজের ট্রান্সমিটার চালু করে বললেন, “Who are you?” কিন্তু কোনো উত্তর এল না। বরং দেয়ালে ধীরে ধীরে ভেসে উঠল চারটি প্রতীক—????????????????। রাকিব চিনলেন—এগুলো প্রাচীন আলকেমি প্রতীক—আগুন, পানি, মাটি, বাতাসের চিহ্ন। তাঁর মাথায় ঘুরতে লাগল, “কিন্তু এগুলো তো প্রাচীন যাদুবিদ্যার ভাষা, বিজ্ঞানের নয়... তাহলে কিভাবে?” রাত গভীর হতে হতে আকাশের আলোটা ধীরে ধীরে পৃথিবীর দিকে নামতে লাগল। বাইরে কেউ দেখতে পেল না, কারণ আলোটা শুধু তাঁর ল্যাবের ছাদের উপর পড়ছে। হঠাৎ এক ঝলক সাদা আলো রাকিবের চোখে পড়ল। তিনি চোখ বন্ধ করলেন। কিছুক্ষণ পর খুলে দেখলেন, তিনি আর নিজের ল্যাবে নেই। চারপাশে কুয়াশা, হালকা বেগুনি আলো, আর দূরে ভাসছে ভাঙা মেশিন, পুরনো স্যাটেলাইট, মাইক্রোচিপের মতো অজানা ধাতব বস্তু। তিনি হাঁটতে শুরু করলেন। একসময় এক অচেনা শব্দ শুনলেন— “Professor… you answered the call.” রাকিব তাকিয়ে দেখলেন, এক ধূসর ধোঁয়াটে মানুষ দাঁড়িয়ে আছে। মুখ নেই, চোখ নেই। কিন্তু সে কথা বলছে। “তুমি কে?” “আমরা সিগন্যালের মানুষ। তুমি উত্তর দিয়েছো, এখন তুমি আমাদের অংশ।” তারপর রাকিব চিৎকার করে উঠলেন— “আমি তো শুধু বৈজ্ঞানিক পরীক্ষায় উত্তর দিয়েছিলাম! আমি কিছুই জানতাম না!” ধোঁয়াটে মানুষটি হাত তুলল। চারদিকে আলো ফেটে পড়ল। “তুমি জানার কথা নয়। তোমরা শুধু শোনার জন্য তৈরি।” রাকিব চোখ বন্ধ করে ফেললেন। কিছু একটা তাঁর মস্তিষ্কে ঢুকে যাচ্ছিল, যেন স্মৃতি বদলে যাচ্ছে। তারপর… সব অন্ধকার। তিন দিন পর, পুলিশ রাকিবের ল্যাবে ঢুকে দেখল, সব যন্ত্র পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। মেঝেতে জ্বলন্ত ছাইয়ের মাঝে চারটি প্রতীক—????????????????—আর তার মাঝখানে লেখা ছিল: “RESPONSE ACCEPTED” এরপরই দেশের সর্বত্র বিদ্যুৎ ফিরে এলো, ইন্টারনেট চলতে লাগল, মানুষ স্বাভাবিক জীবনে ফিরে গেল। শুধু একটি বিষয় ছাড়া— শব্দ কিছুটা বদলে গিয়েছিল। মানুষদের কণ্ঠে হালকা ধাতব প্রতিধ্বনি, যেন সবাই কথা বলছে এক অচেনা রেজোন্যান্সে। কেউ খেয়াল করল না, কেউ করল কিন্তু কিছু বলতে পারল না। দুই বছর কেটে গেল। সবাই ভুলে গেল অধ্যাপক রাকিবকে। কিন্তু এক রাতে, ঠিক দুই বছর পর, তাঁর পুরনো রেডিও সেটটা আবার নিজে থেকেই বাজতে শুরু করল। ???? “–• •– –•– –•–•” পুলিশ ডেকে আনা হল, রেডিওটি পরীক্ষার জন্য নেওয়া হল। ফ্রিকোয়েন্সি ট্রেস করতে গিয়ে তারা দেখল— সিগন্যালটি মহাকাশ থেকে নয়, পৃথিবীর ভেতর থেকে আসছে। বিশেষ করে, হিমালয়ের নিচে কোনো এক গভীর ধাতব স্তর থেকে। বিজ্ঞানীরা গবেষণায় নামলেন, কিন্তু একে একে সবাই নিখোঁজ হতে লাগলেন। শেষ যিনি রিপোর্ট পাঠিয়েছিলেন, তাঁর বার্তায় লেখা ছিল কেবল এই বাক্য: “We found him. But he’s not human anymore.” এরপরই সমস্ত তথ্য সার্ভার থেকে উধাও হয়ে গেল। যেন কেউ ইচ্ছা করে সবকিছু মুছে দিল। আজও রাতে, যদি কেউ পুরনো রেডিও সেট চালু করে, হালকা বাতাসের মধ্যে শোনা যায় সেই একই সিগন্যাল — ???? “–• •– –•– –•–•” কিন্তু অনেক বিজ্ঞানী পরে আবিষ্কার করলেন— ওটা আসলে কোনো কোড নয়, বরং পৃথিবীর চৌম্বক স্তরের ভেতর দিয়ে ছুটে আসা এক ধরনের ডিএনএ তরঙ্গের অনুকরণ। অর্থাৎ... কেউ পৃথিবীর ভেতর থেকেই মানুষের কোষের মতো বার্তা পাঠাচ্ছে। কে পাঠাচ্ছে, কেন পাঠাচ্ছে, তা আজও কেউ জানে না। শুধু এতটুকুই জানা গেছে— যে রাতটিতে সাদা আলো নেমে এসেছিল, সেই রাতের পর থেকে পৃথিবীর অক্ষীয় ঘূর্ণন প্রতি সেকেন্ডে ০.০০০৩ মাইক্রোসেকেন্ড ধীর হয়ে গেছে। আর সেটা ঠিক রেডিও সিগন্যালের ফ্রিকোয়েন্সির সমান পার্থক্য। কেউ কেউ বলে, রাকিব এখনও বেঁচে আছে— তবে মানুষের মধ্যে নয়। সে এখন সেই সিগন্যালের অংশ, যা আমাদের মাটির নিচে ঘুমিয়ে আছে, আর প্রতিরাত দু’টোয় জেগে ওঠে— অপেক্ষায়, যখন কেউ আবার উত্তর দেবে— “Who are you?” ________________________________________ এ গল্পের কোনো সমাধান নেই, কারণ সমাধান জানলেই হয়তো পৃথিবীও আর থাকবে না। শেষ সিগন্যাল (mvBÝwdKkb) আদিব আহনাফ, শ্রেণি ৪, আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা মহানগরী, ঝিঙেফুল রাত তখন দু’টো। শহর নিস্তব্ধ, কিন্তু আকাশে অদ্ভুত আলো ফুটে উঠেছে। সাদা, নিঃশব্দ, স্থির। যেন কেউ চাঁদের ঠিক পাশে একটা দরজা খুলে রেখেছে, আর তার ভেতর থেকে আসছে অচেনা আলোর ঢেউ। প্রথমে কেউ গুরুত্ব দেয়নি। কিন্তু আলোটি এক ঘণ্টা স্থায়ী থাকার পরই টেলিভিশন চ্যানেলগুলো ভরে গেল আতঙ্কে। মানুষ ভিডিও তুলল, আপলোড করল, কিন্তু সেই ভিডিওগুলো অদ্ভুতভাবে নিজে থেকেই ডিলিট হয়ে গেল। শুধু একটিই ভিডিও থেকে গেল—অধ্যাপক রাকিব হোসেনের হাতে। অধ্যাপক রাকিব ছিলেন একজন জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও সাবেক মহাকাশ যোগাযোগ প্রকৌশলী। একসময় তিনি সরকারি এক প্রকল্পে কাজ করতেন—“প্রজেক্ট মিরর”—যেখানে মহাকাশ থেকে অদৃশ্য সিগন্যাল ট্র্যাক করা হতো। সেই প্রকল্প বন্ধ হয়ে যায় রহস্যজনক কারণে। তারপর থেকে তিনি নিভৃতে নিজের বাড়ির বেসমেন্টে ছোট্ট এক ল্যাব বানিয়ে কাজ করতেন। সেই রাতেই তিনি তাঁর পুরনো রেডিও সেটে এক অচেনা সিগন্যাল ধরলেন। “–• •– –•– –•–•” সিগন্যালটা আসছে একটি অপরিচিত ফ্রিকোয়েন্সিতে, যেখানে পৃথিবীর কোনো স্যাটেলাইট কখনো কাজ করে না। তিনি ভ্রু কুঁচকে বললেন, “এটা কি কোড? নাকি কারও কল?” রাকিব পুরনো ডিকোডার বের করে কাজ শুরু করলেন। প্রতি পাঁচ সেকেন্ড পর পর একই সিগন্যাল পুনরাবৃত্তি হচ্ছিল। যেন কেউ ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করছে। তিনি সিগন্যালের বাইনারি প্যাটার্ন বিশ্লেষণ করলেন। ফলাফল দেখে তাঁর হৃদস্পন্দন বেড়ে গেল — কোডের অনুবাদ ছিল কেবল এক শব্দে: “HELLO” তিনি অবাক হয়ে হাসলেন। “হ্যালো? কে?” হঠাৎ রেডিওর পাশে রাখা নোটবুকের পৃষ্ঠা নিজে থেকেই উলটে গেল, যেন হাওয়া লাগছে। কিন্তু ঘরে কোনো বাতাস ছিল না। দেয়ালের ঘড়ির কাঁটা হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেল। রাকিব তাকিয়ে দেখলেন — ঘরের আলো নিভে গেছে, সবকিছু জমে আছে নীরবতায়। রেডিও থেকে আবার শব্দ ভেসে এল — এবার পরিষ্কার মানবকণ্ঠে। “Response required.” রাকিবের গলা শুকিয়ে গেল। তিনি নিজের ট্রান্সমিটার চালু করে বললেন, “Who are you?” কিন্তু কোনো উত্তর এল না। বরং দেয়ালে ধীরে ধীরে ভেসে উঠল চারটি প্রতীক—????????????????। রাকিব চিনলেন—এগুলো প্রাচীন আলকেমি প্রতীক—আগুন, পানি, মাটি, বাতাসের চিহ্ন। তাঁর মাথায় ঘুরতে লাগল, “কিন্তু এগুলো তো প্রাচীন যাদুবিদ্যার ভাষা, বিজ্ঞানের নয়... তাহলে কিভাবে?” রাত গভীর হতে হতে আকাশের আলোটা ধীরে ধীরে পৃথিবীর দিকে নামতে লাগল। বাইরে কেউ দেখতে পেল না, কারণ আলোটা শুধু তাঁর ল্যাবের ছাদের উপর পড়ছে। হঠাৎ এক ঝলক সাদা আলো রাকিবের চোখে পড়ল। তিনি চোখ বন্ধ করলেন। কিছুক্ষণ পর খুলে দেখলেন, তিনি আর নিজের ল্যাবে নেই। চারপাশে কুয়াশা, হালকা বেগুনি আলো, আর দূরে ভাসছে ভাঙা মেশিন, পুরনো স্যাটেলাইট, মাইক্রোচিপের মতো অজানা ধাতব বস্তু। তিনি হাঁটতে শুরু করলেন। একসময় এক অচেনা শব্দ শুনলেন— “Professor… you answered the call.” রাকিব তাকিয়ে দেখলেন, এক ধূসর ধোঁয়াটে মানুষ দাঁড়িয়ে আছে। মুখ নেই, চোখ নেই। কিন্তু সে কথা বলছে। “তুমি কে?” “আমরা সিগন্যালের মানুষ। তুমি উত্তর দিয়েছো, এখন তুমি আমাদের অংশ।” তারপর রাকিব চিৎকার করে উঠলেন— “আমি তো শুধু বৈজ্ঞানিক পরীক্ষায় উত্তর দিয়েছিলাম! আমি কিছুই জানতাম না!” ধোঁয়াটে মানুষটি হাত তুলল। চারদিকে আলো ফেটে পড়ল। “তুমি জানার কথা নয়। তোমরা শুধু শোনার জন্য তৈরি।” রাকিব চোখ বন্ধ করে ফেললেন। কিছু একটা তাঁর মস্তিষ্কে ঢুকে যাচ্ছিল, যেন স্মৃতি বদলে যাচ্ছে। তারপর… সব অন্ধকার। তিন দিন পর, পুলিশ রাকিবের ল্যাবে ঢুকে দেখল, সব যন্ত্র পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। মেঝেতে জ্বলন্ত ছাইয়ের মাঝে চারটি প্রতীক—????????????????—আর তার মাঝখানে লেখা ছিল: “RESPONSE ACCEPTED” এরপরই দেশের সর্বত্র বিদ্যুৎ ফিরে এলো, ইন্টারনেট চলতে লাগল, মানুষ স্বাভাবিক জীবনে ফিরে গেল। শুধু একটি বিষয় ছাড়া— শব্দ কিছুটা বদলে গিয়েছিল। মানুষদের কণ্ঠে হালকা ধাতব প্রতিধ্বনি, যেন সবাই কথা বলছে এক অচেনা রেজোন্যান্সে। কেউ খেয়াল করল না, কেউ করল কিন্তু কিছু বলতে পারল না। দুই বছর কেটে গেল। সবাই ভুলে গেল অধ্যাপক রাকিবকে। কিন্তু এক রাতে, ঠিক দুই বছর পর, তাঁর পুরনো রেডিও সেটটা আবার নিজে থেকেই বাজতে শুরু করল। ???? “–• •– –•– –•–•” পুলিশ ডেকে আনা হল, রেডিওটি পরীক্ষার জন্য নেওয়া হল। ফ্রিকোয়েন্সি ট্রেস করতে গিয়ে তারা দেখল— সিগন্যালটি মহাকাশ থেকে নয়, পৃথিবীর ভেতর থেকে আসছে। বিশেষ করে, হিমালয়ের নিচে কোনো এক গভীর ধাতব স্তর থেকে। বিজ্ঞানীরা গবেষণায় নামলেন, কিন্তু একে একে সবাই নিখোঁজ হতে লাগলেন। শেষ যিনি রিপোর্ট পাঠিয়েছিলেন, তাঁর বার্তায় লেখা ছিল কেবল এই বাক্য: “We found him. But he’s not human anymore.” এরপরই সমস্ত তথ্য সার্ভার থেকে উধাও হয়ে গেল। যেন কেউ ইচ্ছা করে সবকিছু মুছে দিল। আজও রাতে, যদি কেউ পুরনো রেডিও সেট চালু করে, হালকা বাতাসের মধ্যে শোনা যায় সেই একই সিগন্যাল — ???? “–• •– –•– –•–•” কিন্তু অনেক বিজ্ঞানী পরে আবিষ্কার করলেন— ওটা আসলে কোনো কোড নয়, বরং পৃথিবীর চৌম্বক স্তরের ভেতর দিয়ে ছুটে আসা এক ধরনের ডিএনএ তরঙ্গের অনুকরণ। অর্থাৎ... কেউ পৃথিবীর ভেতর থেকেই মানুষের কোষের মতো বার্তা পাঠাচ্ছে। কে পাঠাচ্ছে, কেন পাঠাচ্ছে, তা আজও কেউ জানে না। শুধু এতটুকুই জানা গেছে— যে রাতটিতে সাদা আলো নেমে এসেছিল, সেই রাতের পর থেকে পৃথিবীর অক্ষীয় ঘূর্ণন প্রতি সেকেন্ডে ০.০০০৩ মাইক্রোসেকেন্ড ধীর হয়ে গেছে। আর সেটা ঠিক রেডিও সিগন্যালের ফ্রিকোয়েন্সির সমান পার্থক্য। কেউ কেউ বলে, রাকিব এখনও বেঁচে আছে— তবে মানুষের মধ্যে নয়। সে এখন সেই সিগন্যালের অংশ, যা আমাদের মাটির নিচে ঘুমিয়ে আছে, আর প্রতিরাত দু’টোয় জেগে ওঠে— অপেক্ষায়, যখন কেউ আবার উত্তর দেবে— “Who are you?” ________________________________________ এ গল্পের কোনো সমাধান নেই, কারণ সমাধান জানলেই হয়তো পৃথিবীও আর থাকবে না।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৪৮ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now