বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
রূপহী ছোট্ট নদী, তবে গভীর খরার সময় জল তির তির করে বয়। কিন্তু বর্ষার জল রান্নার হাঁড়ির তলার মতো কুচকুচে কালো আর আশ্বিন্-কার্তিক মাসের রূপহী মৌনক্ষীণ আর লাজবতী। আষাঢ়-শ্রাবণের রূপহী স্বাস্থ্যবতী, অস্থিরমতি ও নৃত্যরতা।
দেখলে সেই রূপহী যে এই রূপহী তা বোঝা মুস্কিল।
রূপহীর পারের একটু আলগা মতো জায়গায় একটা বড় যজ্ঞিডুমুরের গাছ রয়েছে। এই ডুমুর গাছের তলায় একটি মেয়ে রোজ সকাল সন্ধ্যা বসে থাকতে দেখা যায়। মেয়েটির দৃষ্টি স্থির থাকে নদীর বুকের একটা জলাবর্তের উপর, সেই জলাবর্তকে জলাবর্ত না বলে রূপহীর মুখ বললেও কথাটা বোধহয় বেশি খাপ খায়। কাঠ খাগড়া নল যা সেখানে ঢোকে, রূপহী হা করে তাকে পেটের ভেতরে ঢুকিয়ে দেয়।
মেয়েটির কাজ হচ্ছে খাগড়া এক আঁটি এনে একটা একটা করে সেগুলোকে ঐ আবর্তে ফেলে দেওয়া, আর কী করে যে প্রথমে ধীরলয়ে তারপর খুব দ্রুত ডিগবাজি খেয়ে ভর ভর করে তলায় ঢুকে যায় সেই মজাটা দেখা। আরেকটা কাজ হচ্ছে রূপহীর সঙ্গে কথা বলা, আর মাঝে মাঝে আরম্ভ-শেষ বর্জিত গান রচে এনে রূপহীকে গেয়ে শোনানো। তার একটা গানের উদ্ধৃতি দিলাম-
তুমিও রূপসী আমিও রূপসী রাঙতায় রূপা মিশে যায়।
একদিন ওই মেয়েটির বিয়ের প্রস্তাব এল।বিয়ে পাকাপাকি হল। কিন্তু তার এব্যাপারে কোন চিন্তা ভাবনা নেই। সে একমনে রূপহীর পারে সে বসে দিন কাটায়।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now