বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
লেখকঃ মোহাম্মদ শাহজামান শুভ।
আকাশ মেঘলা সেই দুপুরে, ঢাকার একটি আধুনিক কফি শপের উষ্ণ বাতাসে বসে ছিলেন রাকিব হাসান, ISPAB-এর সভাপতি। প্রযুক্তি বিশ্বের একজন সম্মানিত ব্যক্তিত্ব হিসেবে তার দিন কাটতো সেবা ও সচেতনতামূলক কাজ করে। কিন্তু এই দিনটি ছিলো অন্যরকম—একটি অনাকাঙ্ক্ষিত যুদ্ধে তিনি নিজেই পা দিলেন।
সকালে তার হোয়াটসঅ্যাপে একটি অচেনা লিঙ্ক এসে পৌঁছেছিল। “নতুন নিরাপত্তা আপডেট প্রয়োজন, তাড়াতাড়ি ক্লিক করুন”—লিখা ছিল সেই বার্তায়। প্রথমে রাকিব মনে করেছিলেন, এটি হয়তো তার নিরাপত্তা দলের পাঠানো সতর্কবার্তা। কিন্তু পরে বুঝলেন, এটি ছিলো ফিশিং-এর সূচনা।
এক ক্লিকেই তার WhatsApp অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ চলে গেল অনিচ্ছাকৃত হাতে। হঠাৎ তার পরিচিতদের কাছ থেকে আসে অজানা মেসেজ, যা রাকিব পাঠায়নি। আতঙ্কে পড়েন তিনি। দেরি না করে আইটি টিমের সাহায্য নিয়ে, বহু চেষ্টার পর শেষ পর্যন্ত অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হন।
রাকিবের এই অভিজ্ঞতা শুধু তার ব্যক্তিগত নয়, পুরো দেশের ডিজিটাল নিরাপত্তার জন্য একটি সতর্কবার্তা। প্রতিদিন হাজারো মানুষ যেমন ফিশিংয়ের শিকার হয়, তেমনি প্রযুক্তি নেতারা থেকেও রেহাই পায় না।
তিনি তখন থেকে শুরু করেন ব্যাপক সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন—অনলাইন নিরাপত্তার গুরুত্ব তুলে ধরে, ফিশিং থেকে বাঁচার পথ শিক্ষায়। তার কথায়, “প্রযুক্তি যেমন আমাদের জীবন সহজ করে, তেমনি সতর্ক না হলে তা বিপদের কারণও হতে পারে।”
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now