বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

প্রজাপতির কুঠার

"উপন্যাস" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান মো মজিবুর রহমান (০ পয়েন্ট)

X লেখক ~ মজিবুর রহমান পর্বঃ৫ ১৭ নভেম্বর ২০০৫, অন্যান্য দিনের মতো স্বাভাবিকভাবে দিনটা শুরু হলেও ফরিদপুরের সমকাল অফিসে ঘটে যাওয়া একটা ঘটনা মুহূর্তের মধ্যে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে সারা দেশে। দৈনিক সমকালের ফরিদপুর ব্যুরোর প্রধান প্রখ্যাত সাংবাদিক গৌতম দাশের ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার। মৃত্যুটা কোনো স্বাভাবিক মৃত্যু ছিল না, ছিল না কোনো আত্মহত্যাও। হাত-পা ভেঙে গলায় দড়ি ঝুলিয়ে দিয়েছিল দুর্বৃত্তরা। ২০০১ থেকে ২০০৫ সাল, এই পাঁচ বছরে বাংলাদেশ টানা পাঁচবার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল দুর্নীতিতে! হাতে গোনা কয়েকটা সেক্টর ব্যতীত সবগুলো সেক্টর গর্বের সাথে একটার পর একটা রেকর্ড ভেঙে নতুন রেকর্ড গড়ছিল। কিন্তু সত্য সামনে আনার মতো না ছিল কোনো সাংবাদিক, না ছিল কোনো মাধ্যম। যখন সাংবাদিকরা একেকজন রাজনীতিবিদদের তেলবাজি করে অবৈধ সম্পদের পাহার গড়ছিল, সেই করুণ সময়ে স্রোতের বিপরীতে গিয়ে সত্য প্রকাশে কাজ করা হাতেগোনা কয়েকজন সাংবাদিকের মধ্যে ছিলেন দৈনিক সমকালের ফরিদপুর ব্যুরোর প্রধান সাংবাদিক 'গৌতম দাশ'। তিনি ছিলেন ফরিদপুরের দুর্নীতিবাজদের জন্য এক আতঙ্কের নাম। সেই দুর্নীতিবাজদের মধ্যে ছিল পুলিশ, আমলা, সংসদ সদস্য এবং তার রিপোর্টগুলোর মুখ্য বিষয় ছিল ঠিকাদারদের দুর্নীতি। আর সেই ঠিকাদারদের মধ্যে একজন ছিলেন তৎকালীন সাংসদ খন্দকার নাজমুল আলমের পুত্র তামজিদ হোসেন বাবু। তিনি তার রিপোর্টে ঠিকাদার তামজিদ হোসেন বাবুর ফরিদপুরের সড়ক সংস্কার প্রকল্পে ঠিকাদারি সিন্ডিকেটের দুর্নীতি, নিম্নমানের কাজ, ভুয়া বিল তৈরির অভিযোগ তুলে ধরেন। শুধু তা নয়, তিনি স্থানীয় সন্ত্রাসী ও রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতায় সিন্ডিকেটের প্রভাব এবং সরকারি অর্থ আত্মসাতের প্রমাণের ভিত্তিতে তথ্য প্রকাশ করেন। বাবুর নাম সরাসরি রিপোর্টে আসায় স্থানীয় ক্ষমতাসীন মহলে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়, যা তার জন্য কাল হয়ে দাঁড়ায়। রিপোর্টগুলো তিনি প্রকাশ করেন ২০০৫ সালের নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে, তার মৃত্যুর মাত্র ১০-১২ দিন আগে। এই রিপোর্টগুলো প্রকাশ পাওয়ার পর গৌতম দাশকে প্রকাশ্যে ও ফোনে হুমকি দেওয়া হয়। ১৭ নভেম্বর ২০০৫ সালে তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। এরকম একজন মহান সাংবাদিকের বাসায় আসতে পেরে এসআই আকরাম নিজেকে গর্বিত অনুভব করছে। গতকাল সারারাত বৃষ্টি পড়ায় পরিবেশটা একদম ঠান্ডা। এরকম পরিবেশে তার কাছে সবচেয়ে পছন্দের কাজ হচ্ছে বারান্দা কিংবা বেলকনিতে বসে গরম খিচুড়ি খাওয়া। কিন্তু এখন তার কাছে সেই সময় ও সুযোগ কোনোটায় নেই। হাতে তার অনেক কাজ। এক আশরাফ তালুকদারের হত্যার কেস তাকে পুরো দেশ ঘুরিয়ে ছাড়ছে, আর কোথায় কোথায় যেতে হবে তার চিন্তাও ঘুরপাক খাচ্ছে মস্তিষ্কের কোনো এক অংশে। সেখানে আবার এসে জুড়ে বসেছে আরমানের হত্যা। আরেকটা আছে, পদ্মায় পাওয়া নাম-পরিচয়হীন ওই মেয়েটার লাশ। তার অবচেতন মন বলছে, এই তিনটা হত্যা একই সূত্রে গাঁথা। এই কারণে সে সরাসরি পুরনো কেসটা আবার প্রথম থেকে শুরু করতে চেয়েছিল। কিন্তু গৌতম দাশের মতো একজন ব্যক্তির পরিবারের সাথে দেখা করাটা সে মিস করতে চাইছিল না। তাছাড়া জোবায়দা খানের রহস্যটা রয়েই গেছে। আজকে না আসলেও কোনো একদিন তো আসতে হতোই, তাই আগেভাগেই চলে আসল। ইতোমধ্যেই তার সামনে চা নিয়ে আসল বাসার কাজের মেয়ে, সাথে এটাও বললো মেডামের আসতে আরেকটু দেরি হবে। অ্যাপয়েন্টমেন্ট না নিয়ে আসাটা একদম উচিত হয়নি তার, এখন সে হারে হারে তা বুঝতে পারছে। অপর্ণা দাশ এখন কাজ করেন স্থানীয় এক এনজিওতে। রুটিন অনুযায়ী আজও তিনি সেখানে। আরও আধঘণ্টা অপেক্ষা করার পর হাজির হলেন মিসেস অপর্ণা দাশ। বাহ্যিক দিক দিয়ে দেখে মনে হচ্ছে, মহিলাটা খুবই গম্ভীর। কিন্তু কিছুক্ষণ পরেই তার চিন্তাটা সম্পূর্ণ উলটে গেল যখন সে জানতে চাইল জোবায়দা খানের কথা। অপর্ণা দাশের মতে, জোবায়দা খান ছিল তাদের ব্যাচের এক উজ্জ্বল নক্ষত্রের নাম। সৌন্দর্য, মেধা সব দিক দিয়েই জোবায়দা খান ছিল অতুলনীয়। তার চরিত্রে অহংবোধের ছিটেফোঁটাও ছিল না। আর তার সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় ছিল তার পোশাক ও ধার্মিকতা। তার এই পোশাক দেখে মাঝে মাঝে শিক্ষকরাও তাকে বলতো, “তোমার ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার তো শূন্য।” কিন্তু জবাবে সে কী বলত জান আকরাম? তোমাকে তুমি বলায় আবার মনে কিছু করো না যেন। একে তো তুমি বয়সে আমার অনেক ছোট, তার উপর এসেছ আমার প্রিয় বান্ধবী সম্পর্কে জানতে। তোমাকে তো আপনি বলার প্রশ্নই আসে না। ‘না না, সমস্যা নেই, আপনি বলুন।’ ‘জবাবে সে বলতো, যেই পেশা আমার পোশাকে বাধা পাবে, সেই পেশা আমি গ্রহণ করব না স্যার, বরং আমি এমন যোগ্যতা অর্জন করব, সেই পেশাটাই তার সিস্টেম পরিবর্তন করবে আমাকে নেওয়ার জন্য।’ এই ছিল আমাদের জোবায়দা খান! তার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর ইচ্ছে ছিল, তার নিজের সন্তানের কাছে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মা হওয়া। জানি না সে হতে পেরেছিল কিনা, কিন্তু আমি তার জন্য সবসময় প্রার্থনা করি। মিসেস অপর্ণা দাশের বাসা থেকে বের হয়ে এসআই আকরাম বুঝতে পারছে না কী করবে। যেই কাজ নিয়ে এসেছিল, তার কিছুই হয়নি। সে এসেছিল আশরাফ তালুকদারের সাথে জোবায়দা খানের বিয়ের আগে কোনো সম্পর্ক ছিল কিনা তা জানতে। কিন্তু জোবায়দা খানের ব্যক্তিত্ব শুনে সে অনুমান করেছিল, এরকম কোনো মেয়ে বিয়ের আগে নিশ্চয়ই প্রেম-টেমের ধারেকাছেও যাবেনা। তারপরও সে প্রশ্নটা করেছিল মিসেস অপর্ণা দাশের কাছে। প্রত্যাশিত উত্তর পেয়ে সে হতাশ হয়েছে। পাশাপাশি আশরাফ তালুকদারের নামটাও নাকি জীবনে প্রথম শুনল। এখন তার মনে হচ্ছে, জোবায়দা খানের সহপাঠীর খোঁজ না নিয়ে বরং আশরাফ তালুকদারের সহপাঠীদের খোঁজ নিলে বেশি ভালো হতো। ______ ‘স্যার শিকদার এসেছে।’ আরমানের হত্যার তদন্তের দায়িত্ব পুলিশের কাছে দিয়ে নোমান চৌধুরি নিজেকে তার কাজে নিয়োগ করার চেষ্টা করছেন। নির্বাচনের আগে জনগণকে অনেক প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। সব না করলেও কিছু কিছু তো করতে হবেই। তা না হলে মানুষ কী বলবে। পাশাপাশি নির্বাচনে যে লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ হয়েছে সেগুলোও তো তুলতে হবে। কিন্তু টাকা খরচ করা যতটা সহজ, তোলা তো আর এত সহজ না। দুদকের চোখ ফাঁকি দিতে হয়, আরও অন্যান্য জটিলতা তো আছেই। সর্বোপরি নিজের নামকে একদম পবিত্র রাখতে হয়। শুধু নেতা হলেই তো ক্ষমতার সাধ পুরোপুরি পাওয়া যায় না। নিজের আন্ডারে লোক না থাকলে কী আর চলে? আর নিজের সেবায় যদি কোনো সন্ত্রাসী না থাকে তাহলে খেলা একেবারেই জমে না। এই কারণেই শিকদারকে তাকে তলব করা। কিন্তু শিকদার যে নিজেই চলে আসবে, সে ভাবতে পারেনি। সে মনে করেছিল ঢাকা ফেলে শিকদার নিশ্চয়ই এখানে আসবে না। সে নিশ্চয়ই তার অধীনস্থ কাউকে পাঠাবে। বিষয়টা তার কাছে একটু অদ্ভুত লাগল। একটু বেশিই অদ্ভুত লাগল। ‘ভিতরে আসতে দাও।’ ‘বাহ! চৌধুরি, আপনি তো একদম ফুলে গেলেন। এমপি হওয়ার এক মাসের মধ্যেই আপনি আকাশে উঠে পড়েছেন, আপনার নাগালই পাওয়া যাচ্ছে না! তো বলুন, কেন ডাকলেন?’ ‘জানোই তো শিকদার, নির্বাচনে এত টাকা খরচ করলাম, টাকা গুলো তুলতে হবে না?’ নোমান চৌধুরির কথায় শিকদার মনে মনে হাসল। তার মতে, নোমান চৌধুরির মতো লোকেরা হচ্ছে গভীর পানির মাছ। এরা হচ্ছে নাটের গুরু। দেশের সকল অপকর্মের নেতৃত্ব দেয়, কিন্তু সবসময় ধরা ছোঁয়ার বাইরে থাকে। কখনো প্রকাশ্যে আসে না। ‘তো টাকা তুলেন, এখন তো আর আশরাফ নেই যে আপনাদের বাধা দেবে।’ ‘এই সুসময়ে ওই হারামির নাম বলে পরিবেশ নষ্ট কর না তো শিকদার। হারামিটা যতদিন বেঁচে ছিল, ততদিন জ্বালিয়ে মেরেছে, সকলকে।’ ‘তা সাধু সেজে কতদিন থাকবেন, নিজের আসল চরিত্র জনগণের সামনে না আনেন, নিজের কর্মীদের সামনে তো আনতেই পারেন।’ ‘এটা কখনো সম্ভব না শিকদার, এই চরিত্র হচ্ছে ক্ষমতায় যাবার চাবিকাঠি। এসব থাক, এখন আসল কথা বলি।’ ‘অনেকদিন ধরে পাবনাটা তালুকদারদের নিয়ন্ত্রণে, তুমি নিয়ে নাও, আমাকে ৬০% দিলেই হবে।’ ‘কাজ করবো আমরা, রক্ত ঝরাবো আমরা, আবার জেলেও খাটবো আমরা। আর ষাট ভাগ নেবেন আপনি। এটা একটু বেশিই হয়ে গেল না চৌধুরী সাহেব? হিসেবটা উল্টে ফেলুন, ষাট আমার চল্লিশ আপনার। মানলে ব্যবসা চলবে, না হলে গেলাম।’ হুমকিটা ইচ্ছে করেই দিল শিকদার, কারণ সে জানে চৌধুরীর কাছে এই শিকদার ছাড়া আর কোনো সুযোগ নেই। অগত্যা নোমান চৌধুরীকে মেনে নিতেই হলো। পাবনাটা নিজের হাতে রাখার সবচেয়ে বড় কারণ হচ্ছে পদ্মা। এই পদ্মার পারেই তার নতুন ব্যবসার যাত্রা শুরু করতে চাই সে। সেই জন্যই স্থানীয় ক্ষমতাশালীকে তার লাগতই। আর নোমান চৌধুরীর মতো লোক হচ্ছে সবচেয়ে উপযুক্ত। হঠাৎ ক্ষমতা পাওয়ায় এরা যে কোনো কিছু করতে রাজি। কিন্তু সে নিজ উদ্যোগে এখানে আসাটা সমীচীন মনে করেনি। এই কারণে সে একটা চারা ফেলেছে। সে সরাসরি নোমান চৌধুরীর লিডারকে ধরেছে। ফলে নোমান চৌধুরী তাকে নিজেই ডেকে এনেছে। মিনিস্টার কালাম শেখের ফোনে একটা মেসেজ এসেছে। মেসেজটা কোনো সাধারণ মেসেজ না, একপ্রকার হুমকি। তার মতো একজন মিনিস্টারকে হুমকি দেওয়া হয়, এটা তো এক প্রকার অকল্পনীয়। কে হতে পারে? কার এত বড় ক্ষমতা, তাকে হুমকি দিতে সাহস রাখে? তবে সবচেয়ে বড় ব্যাপার হচ্ছে, তার সকল অপকর্মের কথা ওই হুমকিদাতা জানল কী করে। এই ঘাপলার সমাধান করতেই সে আজ রাতে একটা গোপন মিটিং ডেকেছে। খুবই গোপন মিটিং। আরিয়ানার মামা এসেছে, এই খবরটা যখন সোহেলের কানে গেল, সে কোনো বিরূপ প্রতিক্রিয়া করল না। বরং তার আচরণে মনে হচ্ছে, এটা খুবই স্বাভাবিক একটা ঘটনা। এবং এটায় স্বাভাবিক হওয়ার কথা, আহমদ খান আসতেই পারে। কিন্তু আব্বাস সোহেলের এরকম আচরণ হজম করতে পারল না। ‘আব্বাস ভাই, তোমার জায়গা পরিবর্তনের সময় এসে গেছে, জলদি প্রস্তুত হও, হতে পারে আজকেই রওনা করতে হবে!’ ‘জায়গা পরিবর্তন করতে হবে মানে? কোথায় যাব আর কেনই বা যাব?’ কিন্তু সোহেল আব্বাসকে কোনো প্রতিউত্তর করল না। তার মাথায় অন্য চিন্তা ঘুরছে। আহমদ খানের তো এত তাড়াতাড়ি আসার কথা না। বরং আশরাফ তালুকদার তাকে বলেছিল, যখন কাঙ্ক্ষিত সময় আসবে, তখন আহমদ খানের কাছে চিঠিটা পাঠাতে। মোহসিন তালুকদার, আশরাফ তালুকদারের শত্রুদের সাথে সম্পর্ক ঠিক করার গুঞ্জন উঠেছিল। সে নিশ্চিত না হয়ে কোনো খবর পাঠাতে চাইছিল না। কিন্তু তার খবর পাঠানোর আগেই খান চলে আসল, এটা কীভাবে সম্ভব? আরিয়ানা ওয়াশরুম থেকে ফ্রেশ হয়ে বের হলো, নিচে যাওয়ার জন্য। সাথে একটা নতুন জামাও পরল সে। ফ্রেশ হওয়ার পর এখন অনেকটা আরাম লাগছে। ঘুম থেকে উঠেই যে খবরগুলো পেল, এগুলো তার মাথায় এখনো ঘুরছে। কিন্তু ওয়াশরুম থেকে বের হওয়ার পর সে আরেকটা ধাক্কা খেল, তার রুমে ফারজানা বসে আছে। এ কীভাবে সম্ভব, একটু আগেই না সে ফারজানার সাথে কলেজ হোস্টেলে দেখা করে আসল। নিশ্চয়ই সেখান থেকে সে বের হওয়ার পরপরই ফারজানাও রওনা দিয়েছে। কিন্তু কথা হচ্ছে, কেন? এতো এতো ধাক্কা খাওয়ার ভেতরেই আরেকটা ঝড় এসে পড়লো তার উপর, ‘চাচি, চাচি’ ডাকতে ডাকতে একটা সাত-আট বছরের ছেলে তার উপর ঝাঁপিয়ে পড়লো, যার ফলে সে আর দাঁড়িয়ে থাকতে পারল না। পরে গেল রুমের ফ্লোরে। ব্যথায় তার মুখটা কুচকে গেল, তবে বাচ্চা ছেলেটাকে রক্ষা করল সে। কিন্তু ব্যথা পাওয়ার মধ্যেও তার মাথায় প্রশ্ন ঘুরছে, এই ছেলে তাকে চাচি ডাকছে কেন? চলবে............


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৭২ জন


এ জাতীয় গল্প

→ প্রজাপতির কুঠার (পর্ব 6)
→ প্রজাপতির কুঠার (the silent axe)
→ প্রজাপতির কুঠার ( The silent axe)
→ প্রজাপতির কুঠার (The silent axe)
→ প্রজাপতির কুঠার (The silent axe)
→ প্রজাপতির কুঠার

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now