বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
লেখক ~ মজিবুর_রহমান
পর্বঃ২
‘আম্মাজান,
আসমানের ঐ তারার নামটা কি কন তো?’
‘এটা তো খুবই সোজা, আব্বাজান। এই তারার
নামটা হচ্ছে “আব্বাজান”।’ নিজের উত্তরে সন্তুষ্ট হয়ে খিলখিল করে হেসে দিল মেয়েটা।
আজ সকাল থেকেই মেয়েটার মনটা কেমন হাসফাঁস করছে! কাল বিকেলে নিজের বাবার সাথে সর্বশেষ কথা বলেছিল সে। কিন্তু এরপর থেকে তার বাবার ফোনটা বন্ধ যাচ্ছে। সোহেল ভাইকেও ফোন দিয়েছিল, কিন্তু সেও ফোন ধরেনি। নির্বাচনের সময় বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি কোনো সময়ই ভালো যায় না। যে কোনো সময় যে কোনো কিছু ঘটে যেতে পারে! এই কারণে আগাম সতর্কতা হিসেবে আশরাফ তালুকদার তার একমাত্র মেয়েকে পাঠিয়ে দিয়েছিল সোনারগাঁও, তার বোনের কাছে। বয়স বিশ হওয়ার পরও তার বাবা তার সাথে সবসময় ছোট বাচ্চার মতোই ব্যবহার করে। এ নিয়ে অবশ্য সে মাঝে মাঝে রাগও করে, কিন্তু দূরে গেলেই আবার সেই আচরণগুলোকেই মিস করতে শুরু করে সে! নিজের বিশ বছরের জীবনে এইবারই প্রথম সে পাবনার বাইরে এসেছে।
‘আরিয়ানা, যলদি নিচে আয়!’
হঠাৎ ফুপুর ডাকে চমকে গেল আরিয়ানা। এম্নিতেই সকাল থেকেই বাবার জন্য মনটায় কেমন কু ডাকছে। এখন ফুপুর ডাকে সেই ভয়টা আরও বেড়ে গিয়েছে।
‘কি হয়েছে ফুপু, এতো তাড়াহুড়ো করছো কেন? আব্বাজানের কিছু হয়েছে কি?’ নিজের মনের ভয় পাওয়া বিষয়টায় মনের অজান্তেই মুখ দিয়ে বেরিয়ে গেছে আরিয়ানার।
কিন্তু আফসানা তালুকদার নিজের ভাতিজির কথায় কোনো প্রতিউত্তর না করে নিজের মতো প্রস্তুত হতে থাকলো। পাশাপাশি তাকেও প্রস্তুত হতে বললো সে।
‘আমরা কোথায় যাচ্ছি?’
‘পাবনা।’
উত্তর পাওয়ায় খুশি হওয়ার কথা ছিল আরিয়ানার,
কিন্তু খুশি হতে পারছে না।
‘কিছু হয়েছে কি, ফুপু?’
তালুকদার মঞ্জিলে পা দেওয়ার পর থেকে এই বাড়িটাকেই নিজের আপন বাসভবন বানিয়ে নিয়েছিল সোহেল। আশরাফ তালুকদারের আচরণে তার কখনো মনে হয়নি সে তালুকদার মঞ্জিলে একজন কাজের লোক মাত্র। আর আজ সেই ভাইয়ের লাশ সামনে নিয়ে বসে আছে সে।
এই দিন দেখার আগে সে নিজেই মারা গেল না কেন? কি জবাব দেবে সে বোনটাকে?
সোনারগাঁও যাওয়ার আগে তার বোনটা তাকে কত বড় আবদার করে বলেছিল, ‘আমার আব্বাজানকে দেখে রেখো ভাইজান।’
কি জবাব দেবে তাকে?
আরিয়ানা যখন তাকে জিজ্ঞেস করবে,
‘আমার আব্বাজানকে দেখে রাখলে না কেন ভাইজা?’
সে কি মুখ তুলে তাকাতে পারবে তার দিকে?
‘এই পৃথিবীতে সবচেয়ে বড় বোঝা হচ্ছে বাবার কাঁধে সন্তানের লাশ। কোনো বাবাই চায় না, তার কাঁধে সন্তানের লাশ উঠুক। কিন্তু বাস্তবতা বড় কঠিন! নিয়তির বেড়াজালে দুনিয়ার সকলেই বাধা।’
গত তিন বছর ছেলের ওপর সব দায়িত্ব দিয়ে সকল কাজ থেকে একপ্রকার অবসরই নিয়েছিল মোহসিন তালুকদার। নিজের অবসরটা সিলেটের বাগানবাড়িতেই কাটিয়ে দেওয়ার চিন্তা করেছিল সে। কিন্তু হঠাৎ সন্তানের মৃত্যুর কথা শুনে আর এক সেকেন্ডও অপেক্ষা করেনি সে। কিছু কিছু কাজের জন্য আশরাফ তালুকদারের প্রতি চাপা একটা রাগ ছিল তার। এই কারণে বারবার উপদেশ দিত সঠিক পথে ফিরে আসার। কিন্তু তাই বলে তার আগে তার সন্তানই তার আগেই মৃত্যুবরণ করবে?
কনস্টেবল কামরুলের সেই কথাটা শুনে চা মাথায় উঠে গিয়েছিল এসআই আকরামের! আশরাফ তালুকদারের মতো একটা মানুষ এভাবে খুন হয়ে যাবে, সেটা কেউ ভাবতে পারেনি। নির্বাচনের কাজে ঢাকা গিয়েছিল আশরাফ তালুকদার। সেখান থেকেই গতকাল রাতে ফিরে আসছিল সে। একটা নিরিবিলি জায়গায় পেট খালি করার জন্য গাড়ি থামিয়েছিল ড্রাইভার। কিন্তু গাড়ি থেকে নামতে পারেনি সে। তার আগেই পিছন থেকে খুব দ্রুত বেগে আসা একটা ট্রাক গাড়িটাকে ধাক্কা দিয়ে চলে গিয়েছে। ড্রাইভার এবং আশরাফ তালুকদার উভয়ই স্পট ডেড। এটা অবশ্য ডাক্তার বলেছে। এক্সিডেন্ট নাকি পরিকল্পিত হত্যা, এখনো বোঝা যাচ্ছে না। তবে আপাত দৃষ্টিতে হত্যাই মনে হচ্ছে!
‘বাবা হচ্ছে সন্তানের কাছে বটগাছের মতো। আর মেয়েদের কাছে বাবারা হচ্ছে এক প্রকার রত্নের মতো। এই কারণে দেখা যায়, মেয়েরা ছোটবেলা থেকেই বাবার নেওটা হয়। পুরো দুনিয়া থাকে একদিকে, আর একদিকে থাকে তাদের কাছে বাবা নামক ব্যক্তিটা।’
কিন্তু আরিয়ানার কাছে বাবা ডাকবার মতো ব্যক্তিটা আর নেই!
দু’দিন হয়েছে, আশরাফ তালুকদারকে দাফন করা হয়েছে। মনে হচ্ছে, আশরাফ তালুকদারের সাথে আরিয়ানার দুনিয়াটাই যেন মারা গেছে। যেই কাপড়ে সোনারগাঁও থেকে এসেছিল, এখনো সেই কাপড়েই বসে আছে সে, নিজের রুমে!
‘আপু, এই আপু, দরজা খুলো দয়া করে।’
বিগত দু’দিন ধরে নেহার রুটিন হচ্ছে, দশ মিনিট অন্তর অন্তর আরিয়ানার দরজায় ধাক্কা দেওয়া।
ছোট চাচা আমজাদ তালুকদার এবং তাহমিনা খাতুন দম্পতির ছোট সন্তান নেহা তালুকদার। ছোটকাল থেকেই সে তার যাবতীয় আবদার করতো দুইজন লোকের কাছে – তার মেজো চাচা এবং বোন আরিয়ানার কাছে। সেই কারণে তালুকদার মঞ্জিলে আরিয়ানার জন্য সবচেয়ে বেশি চিন্তিত সে।
সোহেলকে ব্যক্তিগতভাবে অপছন্দ করলেও, এখন সোহেলের চেহারা দেখে অনেক মায়া হচ্ছে আব্বাসের। এতদিনের বিরক্তি-বোধ একপাশে রেখে, সে সোহেলের কাছে গেলো।
‘গোসল কইরা এহন একটু পয়পরিষ্কার অওয়া উচিত না তোমার?’
নিজ উদ্যোগে কথাটা বলতে, আব্বাসের নিজের কাছেই যে পরিমাণ অদ্ভুত লেগেছে, তার চেয়ে বেশি অদ্ভুত লেগেছে সোহেলের কাছে, কথাটা শুনতে। তার মুখে একটুকরো মলিন হাসি ফুটে উঠল।
‘যাচ্ছি, আব্বাস ভাই।’
নোমান চৌধুরীকে দেখে বোঝা যাচ্ছে না, আশরাফের মৃত্যুতে সে খুশি হয়েছে কিনা। একদিক দিয়ে তার রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীর মৃত্যু, অন্যদিকে তার বন্ধুর। তবে সন্দেহের তিরটা সর্বপ্রথম তার দিকেই আসবে – এই নিয়ে একটু চিন্তিত সে। তবে চিন্তাটাকে বেশিক্ষণ মাথায় থাকতে দিল না। তবে একটা সূক্ষ্ম চিন্তা মাথায় আসছে, ক্যাসেটটা কোথায় গেল?
তালুকদার মঞ্জিলের ড্রয়িংরুমে বসে আছে এসআই আকরাম। সে তদন্তের পাশাপাশি একটু জিজ্ঞাসাবাদও করছে।
‘আপনার কি কাউকে সন্দেহ হয়, তালুকদার সাহেব?’
মোহসিন তালুকদার এখন ছেলের চিন্তা বাদ দিয়ে নাতনির চিন্তা শুরু করেছে। গত দু’দিন ধরে মেয়েটা দরজা লাগিয়ে বসে আছে, না গোসল, না খাওয়া। এসআই আকরামের প্রশ্নটা তার ধ্যান ফিরিয়ে আনে।
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে সোজা পাবনার জন্য একটা প্রাইভেটকার ভাড়া করলো আহনাফ তালুকদার। একপাশের দরজা খুলে স্ত্রী সাইমা বেগমকে উঠতে দিল, অপর পাশ দিয়ে নিজেও উঠে পড়লো। পরিবার বলতে একমাত্র স্ত্রীকে নিয়ে গত দশ বছর যাবৎ সে সৌদি আরবের বাসিন্দা। ভাইয়ের মৃত্যুতে যতটা না চিন্তিত, তার চেয়েও বেশি চিন্তিত আরিয়ানাকে নিয়ে। চিন্তার মাত্রাটা আরও বেড়ে গেল, যখন শুনল মেয়েটা দু’দিন ধরে দরজা খুলছে না।
বিশ বছরের দাম্পত্য জীবনে নিঃসন্তান আহনাফ দম্পতি আরিয়ানাকে চোখে হারায়। কিন্তু ইচ্ছা থাকার পরও এত বড় ব্যবসা ফেলে একেবারে দেশে চলে আসতে পারেনি। গত দশ বছরে যে সিদ্ধান্তটা নিতে পারেনি, তা এক মুহূর্তেই নিয়ে নিল সোহেলের ফোনটা পেয়ে।
‘পনেরো শতকের শেষ দিকে ইউরোপে সর্বপ্রথম হ্যান্ড ক্যানন নামক হাতে ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্রটির উৎপত্তি। কালের পরিক্রমায় সেই হ্যান্ড ক্যাননটি আধুনিক পিস্তলে রূপান্তরিত হয়েছে।’
তেমনি কোনো এক পিস্তলের গুলিতে মৃত্যু হয় ট্রাক ড্রাইভার পাবেলের। নামটা জানা গেছে তার পকেটে থাকা ড্রাইভিং লাইসেন্স থেকে। পাবনা শহরের অদূরে আজ সকাল থেকে ট্রাকটা দাঁড়িয়ে ছিল। সকাল পেরিয়ে দুপুর হয়ে গেলেও যখন দেখা গেল, ট্রাকটা যাচ্ছে না, তখন স্থানীয় একজন ট্রাকটা পর্যবেক্ষণ করতে আসে। সেই ফোন করে পুলিশকে।
ময়নাতদন্তের পর বোঝা গেল, পাবেলের মৃত্যু হয়েছে এখন থেকে ত্রিশ ঘণ্টা আগে।
‘অর্থাৎ আশরাফ তালুকদারের মৃত্যুর ত্রিশ ঘণ্টা পর, তাই না কামরুল?’
সুন্দর মুহূর্তটা ধ্বংস করার জন্য কনস্টেবল কামরুলকে শাস্তি দেওয়া হয়েছে – সে শুতে পারবে না। এরকম অদ্ভুত শাস্তি পাবে জানলে কামরুল কখনোই আশরাফ তালুকদারের মৃত্যুর খবরটা নিজ উদ্যোগে দিতে যেত না।
‘একদম ঠিক বলেছেন, স্যার।’
‘বস, মিনিস্টার কালাম শেখ ফোন করেছে।’ ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ডের কুখ্যাত কিং খুনি শিকদারের সার্বক্ষণিক সঙ্গী আনোয়ার ফোনটার দিকে তাকিয়ে কথাটা বললো। একবার অবশ্য মিনিস্টারকে সে বলেছে, এখন বস ফোন ধরবেন না। কারণ বস এখন মেয়ে নিয়ে রুমে ঢুকেছে। সাধারণত এই সময়ে শিকদার বিরক্তি পছন্দ করেন না। নিশ্চিত, একটা দাবড়ি খাবে আজকে সে।
‘দে দেখি, মিনিস্টার কি বলে?’
আনোয়ার অবাকতা কাটিয়ে ফোনটা তার হাতে দিল।
‘মন খারাপ করোনা শিকদার, পাবেলের মতো আরো নিবেদিত কর্মী অনেক পাবে। বড় কিছু অর্জন করতে চাইলে মাঝে মাঝে এরকম পাবেলদের ত্যাগ করতে হয়।’
‘নিশ্চয়ই লেকচার শোনানোর জন্য ফোনটা করেননি, জরুরি কথা থাকলে তাড়াতাড়ি বলুন, গুরুত্বপূর্ণ কাজ ফেলে আসছি!’
শিকদারের মতো এরকম একটা কিট কী গুরুত্বপূর্ণ কাজ ফেলে এসেছে, ভালো করেই বুঝতে পারল মিনিস্টার কালাম শেখ। কিন্তু সে কথা বাড়ালো না।
‘ঘটনাটা যতটা সহজ মনে করেছিলাম, ততটা সহজ না শিকদার। ঐ তালুকদার এত সহজে ছাড়বে না মামলাটা।’
‘কেন ছাড়বে না? আশরাফ মরার কারণে সবচেয়ে বেশি লাভবান তো সে-ই হয়েছে। আর না ছাড়লে আমার কি? আমাকে কাজ দিয়েছেন, আমি করে দিয়েছি। আমার একটা লোকও হারিয়েছি। বরং এই কাজে আমার লাভ তা কই হলো বলেন? এরকম শত আশরাফকে খুন করলেও একটা পাবেলের সমান হবে না। আমার কাজ শেষ, এখন আপনাদের ঝামেলা আপনারা সামলান। আর এই বিষয় নিয়ে কোনো ফোন করবেন না!’
এসআই আকরাম টেবিলের ওপর তিনটা জিনিস নিয়ে বসে আছে। পাবেলের রিপোর্ট, আশরাফের রিপোর্ট এবং মোহসিন তালুকদার থেকে রেকর্ড করে আনা তিনটা নাম – মিনিস্টার কালাম শেখের ভাই জামান শেখ, ঢাকার অন্ধকার রাজ্যের কিং খুনি শিকদার এবং নোমান চৌধুরী।
আহনাফ তালুকদার, তালুকদার মঞ্জিলে এসে সর্বপ্রথম সোহেলের সাথে দেখা করলো। যাবতীয় ঘটনা জানার পর, সে তালুকদার মঞ্জিলে প্রবেশ করলো। তার কন্যাসম ভাতিজিকে বন্ধ ঘর থেকে বের করতে হবে।
মেজো চাচার ডাক শুনে সবাইকে অবাক করে আরিয়ানা তার রুমের দরজা খুলে দিল। আহনাফ তালুকদার নিজে রুমে না ঢুকে, তার স্ত্রীকে ঢুকালেন।
চাচির বুকে দীর্ঘক্ষণ কান্নাকাটি করে একসময় শান্ত হলো আরিয়ানা।
‘এত কান্নাকাটি করলে তো তোমার বাবার আত্মার কষ্ট হবে, আমার আরু মা। আমরা আছি না? এখন নিজেকে শান্ত করো। আর সুন্দর করে গোসল করে আসো। আমি তোমাকে নিয়ে নিচে যাব। সবাই তোমার জন্য অপেক্ষা করছে।’
গুটি গুটি পায়ে আরিয়ানা তার চাচির সাথে নিচে নেমে আসল। মনে হচ্ছে, বহুদিন পর তালুকদার পরিবারের ঘুমুট ভাবটা কেটে গেল। খাবারের টেবিলে ছোট চাচা আমজাদ ব্যতীত সবাই মোটামুটি উপস্থিত। কথাবার্তা বেশি না বললেও, অন্যদের কথার উত্তর খুবই সংক্ষিপ্ত আকারে দেওয়ার চেষ্টা করলো আরিয়ানা। কিন্তু খাবারটা ভালো করে খেতে পারল না, একজনের উপস্থিতির কারণে!
নোমান চৌধুরীর সাথে আশরাফ তালুকদারের মৃত্যুর সম্পর্ক মিলাতে পারলেও, বাকি দুজনের সাথে মিলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে এসআই আকরামের।
‘কামরুল, এদিকে আসো।’
পাবেলের লাশের সাথে সকল সম্পর্ক শেষ করার পর, এসআই আকরাম তার শাস্তি লঘু করেছে।
‘বলেন স্যার।’
‘মনে করো, তুমি কাউকে খুন করবে, কেমন করে খুন করবে?’
‘আস্তাগফিরুল্লাহ স্যার, কীসব বলেন, খুন আবার আমি!’
‘আমি এক কথা বারবার বলতে পছন্দ করি না, কামরুল।’
‘স্যার, একটা কিলার ভাড়া করবো।’
‘তাহলে নিশ্চয়ই নোমান চৌধুরীই একই কাজ করবে, তাই না? কিন্তু মিনিস্টারের ভাইয়ের সাথে সম্পর্ক কী?’
চলবে.....
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now