বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৪

"সাইন্স ফিকশন" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ʀɪᴍᴜ (০ পয়েন্ট)

X আমাদের একটু ঘুম ঘুম পাচ্ছিল কিন্তু এখুনি রওনা দেব শুনে ঘুম চটে গেল। সবাই নিজেদের জিনিসপত্র গুছিয়ে নিলাম। ভোরে খাবার জন্য মুসলিম ভাই বেশ কয়টা রুটি তৈরি করেছিলেন, সেগুলো নিয়ে নিলাম। এমনিতে খাওয়ার জন্যে চিড়া আর গুড়। চিড়ার ওপরে নাকি খাবার নেই, যতদিন খুশি রাখা যায়, যেভাবে খুশি খাওয়া যায়। মুক্তিযুদ্ধের সময় যখন পাকিস্তানী মিলিটারির হাত থেকে বাঁচার জন্যে মানুষেরা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাচ্ছিল তখন তারা দীর্ঘ পথ পার হওয়ার সময় সাথে নিত চিড়া। আমাদের নিজেদের তখন হঠাৎ মুক্তিবাহিনী মুক্তিবাহিনী মনে হতে থাকে। আমরা রওনা দেওয়ার সময় মুসলিম ভাই বলল, আমি এখানে পুলিশের জন্যে অপেক্ষা করব। তারা যদি সময়মত না আসে তাহলে আরো কিছু মাঝি নিয়ে আমি যাব আপনাদের খোঁজে। ছোট চাচা বললেন, ঠিক আছে। আমরা গভীর রাতে অন্ধকার পথে মোটামুটিভাবে একটা অজানা গন্তব্য পথে রওনা দিলাম। কেউ বলে দেয় নি কিন্তু আমরা সবাই জানি সেখানে নিশ্চিতভাবে অপেক্ষা করছে বিচিত্র বিস্ময়। বেশ খানিকটা ঘুরে সাহেবদের তাঁবু এবং লোকজনকে পাশ কাটিয়ে আমরা ছোট স্রোতধারার পাশে হাজির হলাম। এখন এটার তীর ধরে হেঁটে যেতে হবে দীর্ঘ পথ। আমরা টর্চ জ্বালিয়ে যাচ্ছিলাম, থোয়াংসা চাইরের সেটা খুব পছন্দ হল না। জংগল থেকে কিছু শুকনো ডাল এনে আগুন জ্বালিয়ে মশাল তৈরি করে নিল, মনে হয় বুনো পশু আগুন দেখলে ধারে কাছে আসবে না। খোয়াংসা চাইয়ের হাতে একটা মশাল, সে সবার আগে আগে যাচ্ছে, আমরা পেছনে পেছনে। গভীর রাত, ঘুটঘুটে অন্ধকার, কোথাও কোন জনমানব নেই। গভীর অরণ্যের মাঝে দিয়ে হেঁটে যেতে যেতে আমাদের বুকে কেমন জানি শিহরণ হতে থাকে। রাজু নিচু গলায় বলে, ছোট চাচা। কি হল। একটা গল্প বলেন, শুনি। গল্প? হ্যাঁ। কিসের গল্প ? আমি বললাম, ভূতের। ছোট চাচা এক মুহূর্ত চুপ করে থেকে বললেন, ভয় পাবি না তো? না, পাব না। শোন তাহলে, ছোট চাচা শুরু করলেন, আমার এক বন্ধু আছে, তার নাম শওকত। তাদের বাসা মুহম্মদপুরে। আমাদের সাথে পড়ে। সাবসিডিয়ারি পরীক্ষার আগে আমাদের পড়ার খুব চাপ। একদিন তার বাসায় গেছি, অঙ্ক করতে করতে রাত


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯৪ জন


এ জাতীয় গল্প

→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৫২
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৫১
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৫০
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৯
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৬
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৮
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৭
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৫
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৩২
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৩১
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৩০
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ১৭
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ১৮
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ১৯
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ২০

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now