বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
আমরা বুঝতে পারি এই মানুষটা সত্যি আমাদের রক্ষা করবে। একটু আগে যে রকম আতঙ্কে হাত পা শীতল হয়ে যাচ্ছিল সেটা কমে গিয়ে এখন এক ধরনের উত্তেজনা হতে থাকে। মুসলিম ভাই দাঁড়িয়ে এদিক সেদিক তাকিয়ে নৌকা থেকে নেমে গেল। একটু পরে দেখি মুসলিম ভাই নৌকা খুলে দিয়েছে। স্রোতের টানে নৌকা ভেসে যাচ্ছে নিঃশব্দে। বেশ খানিকক্ষণ পরে মুসলিম ভাই ভেজা কাপড়ে নৌকায় উঠে বসল, নৌকা নিঃশব্দে অন্ধকারে ভেসে যেতে থাকে।
আমি ফিসফিস করে বললাম, কোথায় যাও মুসলিম ভাই? সরে যাই। কাছে একটা জায়গা আছে, গাছপালায় ঢাকা। কারো সাধ্যি নেই সেখানে আমাদের খুঁজে পাবে।
শুনলাম ছোট চাচা আবার বিড়বিড় করে শোষণহীন শাসন ব্যবস্থা আর গণতন্ত্র নিয়ে কি একটা কথা বলে আবার পাশ ফিরে ঘুমিয়ে গেলেন। আমরা তাকে আর ঘাটালাম না। মুসলিম ভাই প্রায় নিঃশব্দে নৌকাটাকে নিয়ে গাছপালা ঢাকা একটা জায়গায় হাজির হল। সেখানে সাবধানে নৌকাটাকে লুকিয়ে ফেলে বলল, আর কোন
ভয় নাই। সত্যি ?
হ্যাঁ, কারো বাবার সাধ্যি নাই আমাদের খুঁজে বের করে। আর আমি তো আছি।
কাচু মিয়া যদি আসে, এই বর্ষা দিয়ে তাকে এফোঁড় ওফোড় করে
বাচ্চা!
1 দেব। ইবলিশের
কাচু মিয়া গামছা দিয়ে তার ভেজা শরীর মুছে নিচ্ছি আমি বললাম, তোমার ভেজা কাপড় বদলাবে না?
মুসলিম ভাই হেসে বলল, এই তো, দেখতে দেখতে শুকিয়ে যাবে। আমি বুঝতে পারলাম তার আর কোন কাপড় নেই। আমি, খালেদ আর রাজু অনেকক্ষণ চুপচাপ বসে রাতজাগা নানারকম পাখি আর জন্তুর ডাক শুনতে শুনতে এক সময় সত্যি সত্যি ঘুমিয়ে গেলাম।
খুব ভোৱে ছোট চাচা আমাদের ঘুম থেকে ডেকে তুললেন। তাঁর চোখে মুখে আতঙ্ক, ফিসফিস করে কাপা গলায় বললেন, তাড়াতাড়ি ওঠ সবাই। মহাবিপদ। আমি লাফিয়ে উঠে বসে জিজ্ঞেস করলাম, কি হয়েছে?
সর্বনাশ হয়েছে। কি সর্বনাশ ?
বাইরে তাকিয়ে দ্যাখ নৌকা কোথায় এনে রেখেছে। একটা জঙ্গলের ভেতরে। এই
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now