বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
ফেঁদে বসলেন।
উপস্থিত যারা আছে তার মাঝে বেশ কয়েকজনকে দেখা গেল যারা এই জায়গাটার কথা শুনেছে। ঝুমিয়া থেকে উত্তরে ছোট্ট একটা স্রোতধারার পাশ দিয়ে কয়েকটা পাহাড় ডিঙিয়ে গেলে একটা পাহাড়ি হ্রদ পাওয়া যায়। তার আশেপাশে সত্যিই নাকি ভয়ঙ্কর প্রাণীর দেহাবশেষ দেখা গেছে। স্থানীয় মানুষ সেখানে যায় না, অনেকে মনে করে সেখানে সে ভয়ঙ্কর প্রাণী এখনো বেঁচে আছে। সবাই সেটাকে বলে পাহাড়ি দানো। গল্প শুনে আমাদের উৎসাহ আরও বেড়ে গেল। রাজু ফিসফিস করে বলল, সত্যি
কি পাহাড়ি দানো আছে? খালেদ মাথা নেড়ে বলল, মনে হয় না। আমরা যে হাড়টা দেখেছি, সেটা ফসিল। ফসিল তৈরি হতে লক্ষ লক্ষ বছর লাগে। এই প্রাণী পয়ষট্টি মিলিয়ন বছর আগে শেষ হয়ে গেছে।
আমরা খানিকক্ষণ গল্পগুজব করে একটু হাঁটাহাঁটি করে ফিরে এলাম নৌকোয়। মুসলিম ভাই রান্না চাপিয়েছে। কী চমৎকার ঘ্রাণ বের হচ্ছে, জিবে একেবারে পানি এসে গেল। ছইয়ের মাঝে হেলান দিয়ে ছোট চাচা আয়েস করে বললেন, এটাকে বলে বেঁচে
থাকা! কি বলিস তোরা? আমরা সবাই মাথা নাড়লাম। রাজু মাথা নেড়ে বলল, আপনি তো আসতেই চাচ্ছিলেন না!
ছোট চাচা না শোনার ভান করে গম্ভীর হয়ে বললেন, প্রকৃতির কাছাকাছি যে জীবন, সে হচ্ছে সত্যিকার জীবন। তারপর গম্ভীর হয়ে কবিতা আবৃত্তি করতে শুরু করলেন, আবার আসিব ফিরে
ছোট চাচার ভাব এসে গেলে ভারি মুশকিল।
মুসলিম ভাই কিছুক্ষণের মাঝে আমাদের ভাত বেড়ে দিল। ভাত এবং ভাল, এর আগেও কিছু নেই, পরেও কিছু নেই। না একটু সবজি, মাছ, ডিম, আলু – কিচ্ছু না। সেটা যে অস্বাভাবিক হতে পারে সেটাও মুসলিম ভাইয়ের চোখে পড়ছে না। আমি বুঝতে পারলাম, অসম্ভব গরিব মানুষ এই নৌকোর মাঝিরা, তারা হয়তো জানেও না ডাল এবং ভাত ছাড়াও আরো কিছু খাওয়া যায়।
শুধু ডাল এবং ভাত, কিন্তু খেতে কী যে ভাল লাগেল তা আর বলার নয়। হাত দিয়ে মাখিয়ে গপাগপ করে গোগ্রাসে খেয়ে ফেললাম আমরা। ছোট চাচা খাওয়া শেষ করে একটা ঢেকুর তুলে বললেন, এই হচ্ছে সত্যিকার জীবন। খাওয়ার পর নৌকার ছইয়ে হেলান দিয়ে ছোট চাচা খালেদ থেকে নিজেকে
বাঁচিয়ে রেখে সাবধানে একটা সিগারেট ধরিয়ে একটা লম্বা টান দিয়ে বললেন, খুব ভাল রান্না করেছ মাঝি।
মুসলিম ভাই একটু হেসে কি একটা বলল। ছোট চাচা আবার জিজ্ঞেস করলেন,
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now