বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
এতো সুন্দর জায়গা, লোকজন বেড়াতে আসে? যে না। মাঝেমধ্যে কেউ একজন আসে।
বিদেশী লোকজন আসে?
জে না। আগে কখনো দেখি নাই।
এই যে দেখলাম একজন।
এই প্রথম দেখলাম। মুসলিম ভাই ভুরু কুঁচকে জিজ্ঞেস করল, কেন এসেছে
জানেন?
তেল খুঁজতে এসেছে। মাটির নিচে তেল থাকে। যন্ত্রপাতি দিয়ে সেই তেল খুঁজে বের করে।
মুসলিম ভাই অবিশ্বাসের ভঙ্গি করে মাথা নেড়ে বলল, জে না। আমার বিশ্বাস হয় না। অন্য বদ মতলব আছে। ছোট চাচা অবাক হয়ে বললেন, সে কী! বদ মতলব থাকবে কেন?
জে, আছে বদ মতলব।
কেমন করে জান তুমি? সাহেবের সাথে লাল লুঙ্গি পরা একজন মানুষ দেখেছিলেন কালো মতন? আমি মাথা নেড়ে বললাম, হ্যাঁ দেখেছি। সাহেরের সাথে দাড়িয়ে সিগারেট খাচ্ছিল।
তার নাম কাচু মিয়া।
কি হয়েছে কাচু মিয়ার ?
কাচু মিয়া হচ্ছে এই এলাকার বদমানুষ খুন খারাপির মানুষ। টাকা দিলে গলা নামিয়ে দেয়। এই মানুষকে যেখানে দেখবেন, বুঝবেন সেখানে গোলমাল আছে। খুন খারাপি আছে।
মুসলিম ভাইয়ের কথা শুনে আমি শিউরে উঠলাম। আমার মনে পড়ে গেল নদী তীরে দাঁড়িয়ে সাহেব আর কাচু মিয়া বাইনোকুলার দিয়ে আমাদের দেখছিল। তাহলে কি আমাদের নিয়ে কোন বদমতলব আছে? আমি একটা কিছু বলতে যাচ্ছিলাম। তার আগেই ছোট চাচা বললেন, আরে ধুর! কি বলছ মাঝি! জে. ঠিক বলছি। সাহেবের সাথে কাচু মিয়াকে দেখলাম। তার নিশানা ভাল না।
অনেক বড় বদ মতলব এই সাহেবের। ছোট চাচা হাত নেড়ে পুরো ব্যাপারটা উড়িয়ে দিয়ে বললেন, আরে কি বলছ তুমি?
এরা কত বড় জাতি! কত বড় এদের মন! কত বড় এদের ডেমোক্রেসি। আমি নিজে সাহেবের সাথে কথা বলেছি। কী মাইডিয়ার মানুষ ! সাহেবের কথা চিন্তা করেই ছোট চাচার মুখে একটা স্মিত হাসি ফুটে উঠল, কিন্তু আমার পেটের ভেতরে হঠাৎ কেমন জানি পাক খেয়ে ওঠে।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now