বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ২৮

"সাইন্স ফিকশন" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ʀɪᴍᴜ (০ পয়েন্ট)

X রাতে ঘুমানো নিয়ে একটু সমস্যা হল, সবাইকে নিয়ে আরাম করে শোয়ার জন্যে নৌকোটা যথেষ্ট বড় না। আমি আর খালেদ এক পাশে শুয়েছি, বাঝখানে ছোট চাচা আর রাজু, অন্য পাশে নৌকোর গলুইয়ে গুটিসুটি মেরে শুয়েছে মুসলিম ভাই। ছোট চাচার পা আমাদের পেট পর্যন্ত চলে এসেছে আর সেই পায়ে সে কী বিদঘুটে গন্ধ। রাত্রে নৌকায় শুয়ে নৌকোর অল্প অল্প দুলুনিতে ঘুমনোর চেষ্টা করতে লাগলাম। আরো নৌকো এসে থামছে আশেপাশে শুয়ে থেকেই আমরা টের পাচ্ছি। রেল গাড়ির যে রকম জংশন থাকে, এটাও নিশ্চয় সে রকম নৌকার জংশন। শুয়ে শুয়ে ঘুমানোর চেষ্টা করতে থাকি কিন্তু এত সহজে চোখে ঘুম আসতে চায় না। মনে হচ্ছিল বুঝি কখনোই ঘুম আসবে না কিন্তু এক সময় সত্যি চোখে ঘুম নেমে এল। ছাড়াছাড়া ভাবে ঘুমাচ্ছি হঠাৎ দেখি খালেদ উঠে বসেছে। আমি আধো ঘুমে জিজ্ঞেস করলাম, কি হয়েছে? বাথরুম পেয়েছে। ছোট বাথরুম না বড় বাথরুম? ছোট বাথরুম। নৌকোর পাশে দাঁড়িয়ে করে ফেল। ধুর! নিচে নেমে করে আসি। তুমি আসবে একটু? ভয় ভয় করে। চল। অন্ধকারে হাতড়ে হাতড়ে আমি আর খালেদ নৌকা থেমে নেমে এলাম। খালেদের লজ্জাশরম বা স্বাস্থ্যজ্ঞান মনে হয় অন্য দশজন মানুষ থেকে একটু বেশি। একটা গাছের পাশে দাঁড়িয়ে কাজ সেরে ফেলতে অসুবিধে কি, কিন্তু সে একেবারে জঙ্গলের মাঝে ঢুকে গেল। আমি দাঁড়িয়ে আছি। হঠাৎ মনে হল দুজন মানুষ একেবারে অন্ধকার ফুঁড়ে বের হয়ে এল। আমি ভয়ে প্রায় চিৎকার করে উঠছিলাম, কোনমতে নিজেকে সামলে নিয়ে গাছের আড়ালে সরে গেলাম। মানুষ দু'জন আমাকে দেখেনি। গাছের নিচে দাঁড়িয়ে একটা সিগারেট ধরাল আর আমি ম্যাচের আলোতে মানুষটাকে চিনতে পারি, কার্টু মিয়া আমার বুকটা ধ্বক করে ওঠে। নিজেকে লুকিয়ে রেখে নিশ্বাস বন্ধ করে দাঁড়িয়ে থাকি। কাচু মিয়া সিগারেটের ধোঁয়া ছেড়ে বলল, কোন নৌকা? সাথের অন্য মানুষটা বলল, দক্ষিণের দুইটা ছেড়ে তিন নম্বরটা । আমি আতঙ্কে শিউরে উঠলাম, সেটা আমাদের নৌকা। ঠিক জান? জে। দেখে এসেছি। তিনজন ছেলে, একজন বড় মানুষ। সাথে মাঝি। অ। শালাব ফেউয়ের বাচ্চা কাচু মিয়া অসম্ভব মুখ খারাপ করে আমাদের গালি দিয়ে বলল, পাহাড়ি দানোর হাড্ডি নেবে আমাদের আগে, কত বড় সাহস! কত বড় সাহস! অন্য লোকটা বিশ্বস্ত অনুচরের মত মাথা নাড়ে। চল। ছেলে তিনটারে ছেড়ে দেব। বড়টার গলাটা নামিয়ে দিয়ে আসি।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯৫ জন


এ জাতীয় গল্প

→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৫২
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৫১
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৫০
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৯
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৬
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৮
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৭
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৫
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৩২
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৩১
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৩০
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ১৭
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ১৮
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ১৯
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ২০

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now