বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
এখনই কাচু ভাই?
তাহলে কখন? আরেকটু রাত হোক। লোকজন এখন জাগা।
জাগাই তো ভাল। কাচু মিয়া গম্ভীর গলায় বলল, কাচু মিয়ার হাতের কাজ তো লোকজন জেগেই দেখবে! কাচু মিয়া কি কাউকে ভয় পায় ?
আমি আবছা অন্ধকারে দেখলাম, কাচু মিয়া তার বগল থেকে একটা দা বের করে তার উপরে আঙুল বুলিয়ে তার ধারটা পরীক্ষা করে মুখ দিয়ে একটা খুব সন্তুষ্টির মত
শব্দ করল। অন্য লোকটি বলল, আগে এক কাপ চা খেয়ে আসি চলেন। কাজের সময় কাজ। খাওয়ার সময় খাওয়া। এক কাপ চা খেতে আর কতক্ষণ লাগবে। ফ্রেস পাত্তির গরম চা। সাদা চিনি। কাচু মিয়া একটু নরম হল মনে হল। জিজ্ঞেস করল, এত রাতে চা কি আছে? চল তাহলে।
জে, আছে।
কাচু মিয়া আর তার সঙ্গী দুজন হেঁটে হেঁটে ঝুপড়ির দিকে এগিয়ে গেল। ভয়ে আতঙ্কে আমার হৃদস্পন্দন থেমে গেছে, কোনমতে চাপা গলায় ডাকলাম, খালেদ!
খালেদ জঙ্গল থেকে বের হয়ে জিজ্ঞেস করল, কি হয়েছে? আমি ফিসফিস করে বললাম, তাড়াতাড়ি চল নৌকায়। সর্বনাশ!
কী হয়েছে?
কাচু মিয়া এত বড় একটা দা নিয়ে এসেছে, ছোট চাচাকে মারবে।
সত্যি ?
হ্যাঁ, নৌকায় চল। আমি আর খালেদ ভুটতে ছুটতে নৌকায় এসে ছোট চাচাকে তোলার চেষ্টা করলাম কিন্তু ছোট চাচা গভীর ঘুমে অচেতন হয়ে আছেন। দু একবার ধাক্কা দেয়ার পর ঘুমের মাঝে বিড়বিড় করে বললেন, স্বৈরতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা
গণতন্ত্রের পরিপন্থী ... মুসলিম ভাই আর রাজু ঘুম থেকে জেগে উঠেছে। মুসলিম ভাই জিজ্ঞেস করল, কি হয়েছে?
কাচু মিয়া আমাদের খুঁজছে। ছোট চাচাকে কেটে ফেলবে। হাতে এই বড় একটা দা।
কোথায়?
এখন চা খেতে গেছে। মুসলিম ভাই লাফ দিয়ে উঠে বসে নৌকার ছই থেকে টেনে কি একটা জিনিস বের করল। আমরা দেখলাম একটা বশী। হাতে নিয়ে ফিসফিস করে বলল, কোন ভয় নাই।
আমি আছি।
মুসলিম ভাইয়ের শক্ত শরীর, কঠোর মুখ আর এরকম একটা বর্শা দেখে হঠাৎ
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now