বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ১৪

"সাইন্স ফিকশন" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ʀɪᴍᴜ (০ পয়েন্ট)

X মাঝে কোন পার্থক্য নাই। ছোট চাচা বললেন, আমি তো নিজের মাথার করছি, তোমার মাথায় তো করছি না। একটা সিগারেট খেলে দশ মিনিট আয়ু কমে যায়। আয়ু যতো করে তত ভাল। বুড়ো মানুষদের কত যন্ত্রণা দেখেছ? সিগারেট খেলে লাংস ক্যান্সার হয়। লাংস ক্যান্সারের মৃত্যু ভয়ঙ্কর যন্ত্রণার মৃত্যু। ছোট চাচা এক মুখ ধোঁয়া ছেড়ে বললেন, কোন্ মৃত্যু আরামের? খালেদ তর্কে বেশি সুবিধে করতে না পেরে হঠাৎ লাকিয়ে ছোট চাচার মুখ থেকে সিগারেটটা ছোঁ মেরে কেড়ে নিল। ছোট চাচা কিছু বোঝার আগেই সে সিগারেটটা ছুঁড়ে দিয়েছে রাস্তার ওপারে। অন্য কেউ হলে ছোট চাচা রেগে মেগে একটা কাণ্ড করতেন, কিন্তু খালেদের ওপর রাগবেন কেমন করে? সে সত্যি সত্যি বিশ্বাস করে সিগারেট খাওয়া আর মানুষ খুন করার মাঝে বিশেষ কোন পার্থক্য নেই। ছোট চাচা আরেকটা সিগারেট ধরাবেন কি না বুঝতে পারলেন না। খালেদের দিকে একবার বিষ দৃষ্টিতে তাকিয়ে হেঁটে অন্যদিকে চলে গেলেন। ঠিক তখন দেখতে পেলাম এক কোণায় বেশ কিছু মানুষের জটলা, সেখান থেকেই রাজু আমাদের হাত তুলে ডাকছে। রাস্তার পাশে আশ্চর্য মলম, দাঁতের মাজন, সাপ কিংবা বানরের খেলায় খালেদের খুব উৎসাহ, রাজুকে দেখে সে প্রায় সাথে সাথে ছুটে গেল। ভিড় ঠেলে ঢুকে দেখি মাটিতে একটা চাদর বিছিয়ে সেখানে ছোট ছোট কোটায়, ছোট ছোট বাক্সে নানারকম গাছগাছড়া, ওষধপত্র সাজানো। পেছনে দড়ির মতো শুকনো একজন মানুষ চিৎকার করে হাত পা নেড়ে কথা বলছে। নানা রকম অসুখের বর্ণন৷— বেশির ভাগই অসভ্য অসুখ এবং কিভাবে তার আশ্চর্য ওষুধ দিয়ে সেই সব অসুখ নিরাময় হয় তার উপরে বক্তৃতা। এক পাশে নানা রকম হাড়গোড়, একটা মানুষের মাথার খুলি আর একটা বিশাল হাড়। এতো বড় হাড় কোন প্রাণীর কে জানে। খালেদ বড় হাড়টা দেখে খুব অবাক হয়ে গেল। আমাকে জিজ্ঞেস করল, ওটা কিসের হাড়? আমি তো জানি না। ছোট চাচা এই সময় বাস থেকে আমাদের নাম ধরে ডাকলেন। বাস নিশ্চয়ই ছেড়ে দিচ্ছে। খালেদ তখনো অবাক হয়ে হাড়টার দিকে তাকিয়ে আছে, আমাকে আবার বলল, জিজ্ঞেস কর তো কিসের হাড়। দড়ির মত শুকনো লোকটা তখন খুব উত্তেজিত হয়ে সপ্ত ধাতু দিয়ে তৈরি কি একটা মহৌষধের কথা বলছে, মাঝখানে তাকে বাধা দেয়া ঠিক না, কিন্তু আমাদের বাসও ছেড়ে দিচ্ছে আর দাঁড়িয়ে থাকতে পারি না লোকটাকে থামিয়ে জিজ্ঞেস করতেই হল, ওটা কিসের হাড়?


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯৯ জন


এ জাতীয় গল্প

→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৫২
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৫১
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৫০
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৯
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৬
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৮
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৭
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৫
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৩২
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৩১
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৩০
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ১৭
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ১৮
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ১৯
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ২০

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now