বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ১২

"সাইন্স ফিকশন" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ʀɪᴍᴜ (০ পয়েন্ট)

X সর্ষের তেলে রসুন দিয়ে গরম করে পিঠে মালিশ করতে লাগলেন, আর বড় চাচ। গরুর মত চিৎকার করতে থাকলেন। সেই চিৎকার আমাদের কানে যে কি মধুর লাগল সেটা আর বলার মত নয় ! ট্রেনের টিকিট কাটা হয়ে গেছে, হোটেল রিজার্ভেশন হয়ে গেছে, এখন তো আর কিছু বাতিল করা যায় না। বড় চাচা যেতে পারছেন না তাই ঠিক হল ছোট চাচা আমাদের সাথে যাবেন। এতদিন আমরা কোন উৎসাহ পাচ্ছিলাম না, হঠাৎ করে আমাদের মাঝে উৎসাহের বান ডাকল। আমরা আমাদের ব্যাগ বোঝাই করতে শুরু করলাম। ট্রেনে পড়ার জন্যে সায়েন্স ফিকশান সমুদ্র দেখে ভাব এসে গেলে কবিতা লেখার জন্যে নোটবই এবং কলম, ভ্রমণে কাজে লাগতে পারে সেজন্যে পকেটে রাখার মত ছোট চাকু, টর্চ লাইট, ফার্স্ট এইডের জন্যে ব্যান্ডেজ, এ্যান্টিসেপটিক, মাথা ধরার জন্যে এসপিরিন, পেটের গোলমালের ওষুধ। খালেদের একটা ছোট ক্যাসেট প্লেয়ার আছে সেটাতে শোনার জন্যে গানের ক্যাসেট। ছোট চাচা একটা ক্যামেরা যোগাড় করার চেষ্টা করছিলেন তখন দেখা গেল খালেদের নিজেরই একটা ক্যামেরা আছে, তবে ছবি তোলার তার কোন শখ নেই। আমি আর রাজু খোঁজাখুঁজি করে মাথায় পরার জন্যে বারান্দাওয়ালা টুপি বের করলাম, বাসায় পরলে সবাই হাসাহাসি করবে, একবার বের হলেই মাথায় দিয়ে দেব। উৎসাহে আমাদের শেষ কয়েকটি ঘণ্টা আর কিছুতেই কাটতে চায় না। ৪. টি-রেক্স আমরা চট্টগ্রাম পৌঁছালাম খুব ভোরে। ট্রেনে ঘুমনো খুব সোজা নয়। বড় চাচা যাবেন ঠিক ছিল বলে সস্তা টিকিট কিনেছেন, না হয় একেবারে ফার্স্ট ক্লাসের টিকেট কেনা যেত আর আমরা একেবারে মন্ত্রীদের মত আরামে ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে যেতে পারতাম। আমি কখনো ট্রেনে ফার্স্ট ক্লাসে উঠি নাই, না জানি কত মজা ফার্স্ট ক্লাসে! অবশ্যি সেটা নিয়ে আমাদের মনে একেবারেই কোন দুঃখ নাই, যখনই মনে পড়ছে যে বড় চাচা বিছানায় বাকা হয়ে শুয়ে আছেন, আনন্দে আমাদের মন ভরে যাচ্ছে। খোদা সত্যিই আছেন এবং আমাদের ওপর তাঁর নেক নজর আছে সেটা নিয়ে এখন আর আমাদের মনে বিন্দুমাত্র সন্দেহ নাই। কে জানে এবারে ফিরে গিয়ে হয়তো নিয়মিত জুম্মার নামাজ শুরু করে দেব। আমরা বেশ খানিকক্ষণ ট্রেনে বসে থাকলাম। অন্ধকার কেটে যখন একটু আলো হল আমরা ট্রেন থেকে নেমে এলাম, সাথে বেশি মালপত্র নেই, যে যার নিজের ব্যাগ নিয়ে নেমেছি। খালেদের দেখাদেখি আমরাও টুপিটা পরেছি উল্টো করে দেখতে নিশ্চয় একেবারে অভিযাত্রীদের মত লাগছে আমাদের। রাতে ভাল ঘুম হয়নি, চোখে


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯৬ জন


এ জাতীয় গল্প

→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৫২
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৫১
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৫০
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৯
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৬
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৮
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৭
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৫
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৩২
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৩১
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৩০
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ১৭
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ১৮
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ১৯
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ২০

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now