বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ১১

"সাইন্স ফিকশন" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ʀɪᴍᴜ (০ পয়েন্ট)

X পর্যটনের বড় অফিসারকে চেনেন এই ধরনের একটা কথা বলতে গিয়ে মনে হয় খালেদের ভয়েই থেমে গেলেন। বড় চাচী এমনিতে বেশি কথা বলেন না, আজ মৃদু স্বরে কিন্তু বেশ জোর দিয়েই বললেন, আমারও মনে হয় কোন সুন্দর জায়গা থেকে ঘুরে আসুক। এ বাসায় আর কি আছে আনন্দ করার মত? বড় চাচা অনেকক্ষণ চুপ করে থেকে গম্ভীর গলায় বললেন, ঠিক আছে। আমরা আরেকটু হলে আনন্দে চিৎকার করে উঠতাম কিন্তু তার শেষ কথাটা শুনে একেবারে চুপসে গেলাম। বললেন, সাথে বড় মানুষ কাউকে যেতে হবে, আমি নিয়ে যায়। বড় চাচার সাথে আমি বেহেশতেও যেতে রাজি না। যদি সত্যি সত্যি বড় চাচা বেহেশতে যান (আমার খুব সন্দেহ আছে) তাহলে মনে হয় মানুষজন খুন করে আমি দোজখেই যাবো। বড় চাচার সাথে কক্সবাজার যাওয়া হবে একটা বড় বিভীষিকা। পয়সা বাঁচানোর জন্যে তিনি এমন সব কাজ করবেন যে আমরা অতিষ্ঠ হয়ে যাব। তার ভিতরে ভাল কোন গুণ নেই, তার সাথে ভাল কিছু নিয়ে কথা বলা যায় না। বাসায় থাকলে তবু তার সাথে থাকতে হয় না, আমরা নিজেরা নিজেরা থাকতে পারি। সপ্তাহ খানেকের জন্যে কক্সবাজার গেলে চব্বিশ ঘণ্টা তাঁর সাথে থাকতে হবে, চিন্তা করেই আমার শরীর কাঁটা দিয়ে উঠে। খুব মন খারাপ করে আমরা উঠে এলাম, ব্যাপারটা কিভাবে অগ্রসর হয় দেখতে হবে। যদি দেখা যায় সত্যি বড় চাচা আমাদের সাথে রওনা দিচ্ছেন তাহলে কালে রসুন নিয়ে রৌদ্রে দাড়িয়ে থেকে জ্বর বাধিয়ে ফেলতে হবে। খোদা আছেন কি নেই সেটা নিয়ে মাঝে মাঝেই আমরা চিন্তাভাবনা করি। খালেদের ধারণা খোদা বলে কিছু নেই। আমার ধারণা খোদা আছেন কিন্তু আমাদের জন্যে নেই। রাজুর ধারণা আমরা ঠিকমত নামাজ রোজা করি না বলে খোদা আমাদের দিকে নেই, যদি নিয়মিত জুম্মার নামাজ পড়তে শুরু করি তাহলেই খোদা আমাদের কথা শোনা শুরু করবেন। আমার কখনই সেটা ঠিক বিশ্বাস হয় নাই। কিন্তু সপ্তাহ শেষ হবার আগেই আমরা আবিষ্কার করলাম খোদা আছেন। শুধু যে আছেন তাই নয়, আমাদের দিকেই আছেন। খালেদ সেই মাদী মাকড়সাকে ঝাটা পেটা করার পরও খোদা মনে হয় তাকে এবং আমাদেরকে মাফ করে দিয়েছেন। আমাদের রওনা দেবার কথা শুক্রবার রাতে। বৃহস্পতিবার সকালে বড় চাচা দেখলেন মেঝেতে একটা আধুলি পড়ে আছে। বড় চাচা নিচু হয়ে সেই আধুলিটা তুলতে গিয়ে আর সোজা হতে পারলেন না। বাঁকা হয়ে থেকে চিৎকার করতে থাকেন, তার পিঠে কোথায় নাকি টান পড়ে গেছে। তাকে সেই অবস্থায় চ্যাংদোলা করে তুলে বিছানায় শুইয়ে দেয়া হল। পয়সা খরচ হবে বলে ডাক্তার ডাকা হল না। বড় চাচী


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯৯ জন


এ জাতীয় গল্প

→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৫২
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৫১
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৫০
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৯
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৬
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৮
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৭
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৫
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৩২
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৩১
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৩০
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ১৭
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ১৮
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ১৯
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ২০

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now