বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ১০

"সাইন্স ফিকশন" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ʀɪᴍᴜ (০ পয়েন্ট)

X পর সে পুরো কথাটা হেসে উড়িয়ে দিয়ে বলল, সেটা সত্যি নয়। বড় চাচা গম্ভীর হয়ে বললেন, কি বলছ তুমি, আমি নিজে দেখেছি! খালেদ অবাক হয়ে বলল, আপনি কখন দেখেছেন? তার মুখে 'আপনি' কথাটা আসতে চায় না কিন্তু বড় চাচার সাথে জোর করে চেষ্টা করে। তোমার স্কুলের ছেলেমেয়েদের ছবি। মেয়েদের ছোট ছোট কাপড়। আস্তাগফেরুল্লাহ্। পা দেখা যাচ্ছে! ছিঃ! খালেদ প্রথমে একটু অবাক হল তারপর কেমন জানি রেগে উঠল, বলল, যেখানকার মানুষ সেরকম রীতিনীতি। বেরকম পোশাকে তারা অভ্যস্ত, সেটাই তাদের কাছে স্বাভাবিক। বাইরের মানুষের কাছে সেটা অস্বাভাবিক লাগলে কিছু করার নেই। বড় চাচা বললেন, কিন্তু পরকাল রয়েছে, খোদার কঠিন শাস্তি রয়েছে। খালেদ বলল, খোদার আর খেয়ে দেয়ে কাজ নেই তখন বড় চাচা ভীষণ রেগে গেলেন, তিনি যত জোরে কথা বলেন খালেদ তার থেকে জোরে কথা বলে, যাকে বলে একটা ফাটাফাটি অবস্থা। তর্ক যখন খুব জমে উঠেছে প্রায় হাতাহাতি শুরু হয়ে যায় তখন মা হঠাৎ বই থেকে মুখ তুলে বললেন, আমার মনে হয় খালেদ আর বাচ্চারা মিলে কোন এক জায়গা থেকে বেড়িয়ে আসুক। বড় চাচা থতমত খেয়ে বললেন, কেন? মা বললেন, ছোট বাচ্চাদের বেড়াতে ভাল লাগে। এই বাচ্চারা অনেকদিন কোথাও বেড়ায় নি। তা ছাড়া এই বাসার পরিবেশ বলতে গেলে দূষিত! আনন্দের কিছু নেই। বড় চাচা মুখ হা করে তাকিয়ে রইলেন। যা আবার বললেন, এদেশে অনেক সুন্দর জায়গা আছে, ঘুরে আসুক। খালেদ টেবিলে থাবা দিয়ে বলল, ইয়েস! খালেদের সাথে থেকে থেকে আমাদেরও একটু একটু সাহস বেড়ে যাচ্ছে। আমরাও টেবিলে থাবা দিয়ে বললাম, ইয়েস! সবাই চোখ পাকিয়ে আমাদের দিকে তাকাল কিন্তু কিছু বলল না। ছোট চাচা বললেন, কক্সবাজার থেকে ঘুরে আসতে পারে। পর্যটনের চমৎকার হোটেল আছে। সুন্দর বীচ। বড় চাচা কেশে বললেন, কত পয়সা লাগে হোটেলে জানিস? খালেদ আবার টেবিলে থাবা দিয়ে বলল, পয়সার কোন চিন্তা নেই। আমার ব্যাঙ্কে এখনো কত টাকা। সবাইকে নিয়ে খরচ করার জন্যে বাবা দিয়েছেন। বড় চাচা চুপ মেরে গেলেন, একটু পরে বিড় করে বললেন, খরচ করতে দিয়েছে, নষ্ট করতে দেয় নি। ছোট চাচা বললেন, মনে হয় ভাবী ঠিকই বলেছেন। বাচ্চারা ঘুরে আসুক। কক্সবাজার খুব সুন্দর জায়গা। এত সুন্দর সমুদ্র আর কোথায় পাবে? জয়নাল চাচা নাকের একটা লোম ছিড়তে গিয়ে থেমে গেলেন, সুন্দর চ


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯৬ জন


এ জাতীয় গল্প

→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৫২
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৫১
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৫০
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৯
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৬
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৮
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৭
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৫
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৩২
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৩১
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৩০
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ১৭
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ১৮
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ১৯
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ২০

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now