বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৮

"সাইন্স ফিকশন" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ʀɪᴍᴜ (০ পয়েন্ট)

X বড় চাচা আর কোন কথা বলতে পারছিলেন না। অনেক কষ্ট করে চি চি করে বললেন, তুমি করতে দিলে? মা সুন্দর করে হাসলেন। বললেন, কেন দেব না? তার টাকা সে যেভাবে খরচ করতে চায়। মাথা নেড়ে হাসতে হাসতে বললেন, দৃশ্যটা যদি দেখতেন! বিশাল একটা টেবিলে প্রায় কুড়িজন বাচ্চা ছেলেমেয়ে হৈচৈ করে চাইনিজ খাচ্ছে। কাঁটা চামচ দিয়ে খেতে গিয়ে হেসে গড়াগড়ি। সে যা একটা দৃশ্য ! এ রকম সময় রাজু ছুটতে ছুটতে আমার কাছে এল। বলল, টোপন? কি? ছাদে চল। কেন? আকাশে কবুতর ওড়ানো হবে। খালেদ তোমার জন্যে অপেক্ষা করছে। বড় চাচা হুঙ্কার দিয়ে বললেন, পয়সা দিয়ে কবুতর কিনে আকাশে ওড়াবে মানে? পয়সা কি গাছে ধরে? মা হেসে বললেন, কি আছে! ছোট বাচ্চারা যদি পাগলামি না করে তাহলে কি বুড়োরা করবে? বড় চাচার চোখ দিয়ে আগুন বের হতে লাগল। সপ্তাহখানেক পরের কথা। খালেদ আজকাল বাংলা বেশ ভালই বুঝতে পারে। বলতে এখনো অসুবিধা হয় কিন্তু সে প্রাণপণ চেষ্টা করে যাচ্ছে। আমাদের ইচ্ছে নে ইংরেজিতে কথা বলুক, তার ইংরেজি উচ্চারণ এত বিদেশী যে আমাদের তাক লেগে যায়। খালেদ কিন্তু চেষ্টা করে বাংলায় কথা বলতে। ভুল বাংলা, অশুদ্ধ বাংলা, হাস্যকর বাংলা, কিন্তু বাংলা তাতে কোন সন্দেহ নেই। সবাইকে চোখ বুজে সে তুমি করে ডাকে, কেউ কিছু মনে করে না, শুধু বড় চাচা খুব রেগে যান। বড় চাচা খুব চেষ্টা করে যাচ্ছেন তাকে আদব কায়দা এবং ধর্ম শেখাতে কিন্তু খুব ভাল এগুচ্ছে বলে মনে হয় না। যেমন ধরা যাক, বাথরুমের সেই মাদি মাকড়সাটার কথা। হাদিসে নাকি আছে মাকড়সা মারা নিষেধ, তাই বড় চাচার কড়া হুকুম কেউ সেই মাকড়সা মারতে পারবে না। সেটা শুনেও খালেদ একদিন এক ঝাঁটার আঘাতে মাকড়সাটার বারটা বাজিয়ে দিল। বাথরুমে কেউ তার দিকে আট চোখে তাকিয়ে আছে সেটা নাকি সে সহ্য করতে পারবে না। বড় চাচা তাকে একটা বড় লেকচার দিলেন, খালেদ গা করল না। তারপর ধরা যাক জয়নাল চাচার ব্যাপারটা। একদিন ঝাঁটার কাঠি দিয়ে খুব মনোযোগ দিয়ে দাঁত খুঁচিয়ে যাচ্ছেন, খালেদ হঠাৎ বলে বসল যে, সবার মাঝখানে বসে


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৭৩ জন


এ জাতীয় গল্প

→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৫২
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৫১
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৫০
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৯
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৬
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৮
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৭
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৫
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৩২
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৩১
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৩০
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ১৭
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ১৮
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ১৯
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ২০

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now