বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৬

"সাইন্স ফিকশন" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ʀɪᴍᴜ (০ পয়েন্ট)

X লাগল। গেটের কাছে এসে বড় চাচা শেষবার মা'কে থামানোর চেষ্টা করলেন। বললেন, শাহানা মা চোখ তুলে তাকালেন আর সাথে সাথে বড় চাচা ঘাবড়ে গিয়ে বললেন, ইয়ে মানে যা রোদ একটা ছাতা দেব? আমব্রেলা? মা কিছু বলার আগেই খালেদ বলল, মাথা খারাপ হয়েছে? ছাতা? এই সুন্দর রোদে? রোদ আবার সুন্দর হয় কেমন করে কে জানে। যা খালেদকে নিয়ে বের হয়ে গেলেন। আমরা দেখলাম মোড়ে একটা রিকশা থামিয়ে খানিকক্ষণ কথাবার্তা বলে সেটাতে উঠে বসলেন, তারপর দু’জন রিকশা করে চলে গেলেন। বাসায় একটা থমথমে আবহাওয়া নেমে এল। বড় চাচা বাজারে যেতে দেরি করছে অজুহাতে খামোখা কাজের ছেলেটার গালে একটা চড় কসিয়ে দিলেন। জয়নাল চাচা আর সুন্দর চাচা খুব গম্ভীর মুখে অফিসে গেলেন, যাবার সময় এমনভাবে আমার দিকে তাকাতে লাগলেন যেন সব দোষ আমার। আমি চুপচাপ ছাদে গিয়ে বসে রইলাম। শুনতে পেলাম নিচে থেকে ছোট ফুফু বলছেন আমার মাকে অনেক আগেই পাগলা গারদে আটকে রাখা উচিত ছিল তাহলে এখন আর এরকম ঝামেলা হত না। মা খালেদকে নিয়ে সকালে বের হয়েছেন, ঘণ্টা দু'তিনের মাঝে ফিরে আসার কথা ছিল কিন্তু দুপুর গড়িয়ে গেল তবু তাদের দেখা নেই। আস্তে আস্তে সবাই মায়ের ওপর ক্ষেপে উঠতে লাগল। বড় চাচা বললেন, মেয়েমানুষের বুদ্ধি আর কত হবে? খামোখা কোরআন শরিফে লিখেছে যে, মেয়েদের ধরে মারপিট করা দুরস্ত আছে? বড় চাচী আর মেজ চাচী মুখ ঢেকে কি একটা বললেন ঠিক বোঝা গেল না। শুধু ছোট চাচা বললেন, ব্যাঙ্ক ড্রাফট ভাঙানো কি পানিভাত নাকি? সময় লাগবে না একটু? কেউ ভাঙিয়েছে কখনো? আস্তে আস্তে বিকেল হয়ে গেল তবু মায়ের কোন দেখা নেই। অফিস থেকে সুন্দর চাচা আর জয়নাল চাচা ফিরে এসে খুব গম্ভীর হয়ে বসে রইলেন। রাগের বদলে তখন আস্তে আস্তে সবাই ভয় পেতে শুরু করল। সুন্দর চাচা বললেন, মোড়ের দোকান থেকে সিটি এস. পি.কে একটা ফোন করে আসব ? কেউ তার কথার উত্তর দিল না। ছোট চাচা বাইরে গিয়ে দাঁড়িয়ে রইলেন, একবার রাস্তা ধরে এগিয়ে যান তারপর ফিরে আসেন। ভয়ে আমার কান্না পেতে লাগল, কি করব বুঝতে না পেরে ছাদে একা একা দাঁড়িয়ে রইলাম। মা খালেদকে নিয়ে যখন ফিরে এলেন তখন সন্ধ্যে পার হয়ে গেছে। রিকশাভর্তি বিচিত্র সব জিনিস, এক কাঁদি কলা, একটা মাটির কলসি, বেশ কিছু কবুতর আর এক


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১০৮ জন


এ জাতীয় গল্প

→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৫২
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৫১
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৫০
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৯
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৬
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৮
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৭
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৫
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৩২
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৩১
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৩০
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ১৭
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ১৮
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ১৯
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ২০

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now