বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ১

"সাইন্স ফিকশন" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ʀɪᴍᴜ (০ পয়েন্ট)

X মালিবাগের মোড়ে যে নতুন চায়ের দোকানটা খুলেছে, তার ডান পাশের রাস্তাটা ধরে গিয়ে প্রথম গলিটার সামনে যে ময়লা দোতলা দালানটি চোখে পড়ে সেটা আমাদের বাসা। আমাদের মানে ঠিক আমাদের না, আমার চাচাদের। আমার চাচারা ছয় ভাই। তার মাঝে চারজন এখানে থাকেন। যে দুজন থাকেন না তার একজন আমার বাবা। বাবার থাকার কোন উপায় নেই, কারণ বাবা অনেক আগেই মারা গেছেন। আমি যখন মায়ের পেটে, তখন বাবা একটা ক্রেনের ওপর থেকে পড়ে গিয়েছিলেন। ব্রেনের মাঝে চোট লেগেছিল। দুই দিন হাসপাতালে থেকে মরে গেলেন। আমার জন্মের বছরে বাবা মারা গেছেন বলে আমাকে ধরা হয় অপয়া। শুনলে মনে দুঃখ পাব বলে কেউ সোজাসুজি বলে না, ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বলে। তবু দিনে কয়েকবার করে আমাকে শুনতে হয়। আমি অবশ্যি দুঃখ টুঃখ পাই না। বাবা মারা যাবার পর আমার মা একটু অন্য রকম হয়ে গেছেন। অন্যেরা বলে মাথা খারাপের মত, কিন্তু সেটা সত্যি নয়। দিনরাত শুধু মোটা মোটা বই পড়েন। আমাকে সেজন্য বেশি দেখেন শুনেননি, আমি নিজে নিজেই বড় হয়েছি। নিজে নিজে বড় হলে মনে হয়, মানুষের বেশি দুঃখকষ্ট হয় না। সে জন্যে আমার বেশি দুঃখকষ্ট নেই। আরেকজন যে চাচা এই বাসায় থাকেন না, তিনি হচ্ছেন হীরা চাচা। হীরা চাচা আমেরিকা থাকেন। সেখানে নাকি লস এঞ্জেলস বলে একটা শহর আছে। সেই শহরে নাকি একটা পাহাড় আছে। তার কাছে নাকি একটা সমুদ্র আছে। সেই সমুদ্রের কাছে একটা ছবির মত বাসায় থাকেন হীরা চাচা। হীরা চাচাকে আমি অনেকদিন দেখি না। শেষবার যখন দেখেছি তখন আমি অনেক ছোট পরিষ্কার করে মনে নেই। শুধু মনে আছে, তাঁর ঠিক আমার সমান একটা ছেলে, সে দিনরাত শুধু ট্যা ট্যা করে চেঁচাচ্ছে, আর সবাই সেটা নিয়ে খুব ব্যস্তক'দিন ঘরে বসে যোগ ব্যায়াম প্র্যাকটিস করলেন (পদ্মাসনে চোখ বন্ধ করে বসে থাকতেন, তখন গোলমাল করা নিষেধ ছিল)। তারপর চুল দাড়ি কাটা বন্ধ করে দিয়ে মাছ মাংস খাওয়া ছেড়ে দিলেন। শুধু আতপ চাউল ধোয়া পানি খেতেন। ক'দিনের মাঝেই না খেয়ে খেয়ে তার চেহারা খারাপ হয়ে গেল। তখন আবার হঠাৎ করে খাওয়া শুরু করলেন, আর সে কী খাওয়া। চুল দাড়ি বড় হয়ে যখন তাকে চে গুয়েভারার মত দেখাতে লাগল, তখন তিনি হঠাৎ করে দাড়ি গোঁফ কামিয়ে ঘোষণা করলেন, তিনি বাসায় সাপের চাষ করবেন। সাপের বিষ নাকি সোনার দরে বিক্রি হয়। অনেক হৈ চৈ করে কোথা থেকে একটা ঢোরা সাপ ধরে আনা হল। একটা কাঁচের বয়ামে সেটা থাকত, খাবার দাবারে সেটার বেশি রুচি ছিল না। তাই অনেক খুঁজে একটা ইঁদুর ধরে আনা হল। সাপটা সত্যি যখন সেই ইঁদুরটাকে গিলে ফেলল, তখন বাসার সব বড়বা "হ্যাক পুঃ" "হ্যাক থুঃ" বলে ছোট চাচাকে প্রায় বাড়ি থেকে বের করে দিচ্ছিল। সাপের চাষ কতদূর এগুতো বলা যায় না কিন্তু তার মাঝে একদিন সাপটা বয়মে থেকে পালিয়ে গেল। এতদিন মানুষ দেখে দেখে অভ্যাস হয়ে গেছে বলে মানুষকে ভয় পায় না। সোজা রান্নাঘরে গিয়ে বড় চাচীর পা পেঁচিয়ে উপরে ওঠার চেষ্টা করতে থাকে। সেটা দেখে বড় চাচী ভয়ঙ্কর একটা চিৎকার করে ফিট। বাসার কাজের মেয়েটি কাছে বসে রুটি বেলছিল। বেলুন দিয়ে এক ঘা বসিয়ে সাপের বারোটা বাজিয়ে দিল। সেই ঘটনার পর এই বাসায় সাপের চাষ এবং ছোট চাচার ভবিষ্যৎ দুটোই একেবারে শেষ হয়ে গিয়েছে। তবু এই বাসার ছোট চাচা আছেন বলে আমরা কোনমতে টিকে আছি। তা না হলে সারা পৃথিবীতে এই বাসার মত নীরস আর আনন্দহীন বাসা মনে হয় একটিও নেই। গালিগালাজ ধমক খেয়ে আমরা বড় হই। বাসায় খেলার জায়গা নেই। ছাদে কিংবা বাসার সামনে এক চিলতে জায়গার কিছু খেলার চেষ্টা করলেই সবর চিৎকার হৈ চৈ শুরু হয়ে যায়। ছোট ফুফুর বিয়ে ভেঙে এ বাসায় যখন এসে উঠেছিলেন, তখন বাসায় একটু উত্তেজনা হয়েছিল, রাজু আসার পর আমার একটা বন্ধু হয়েছে। কিন্তু তারপর আর কিছু ঘটে নি। মনে হয় না কিছু ঘটবে। এই রকম করে বড় হয়ে হয়ে মনে হয় এক সময় আমরা কেউ বড় চাচা, কেউ জয়নাল চাচা আর কেউ সুন্দর চাচা হয়ে যাব। খুব কপাল ভাল থাকলে হয়ত ছোট চাচা হব। কিন্তু সে রকম কপাল আর ক'জনের হয়? এরকম সময় আমাদের বাসায় হীরা চাচার একটা চিঠি এল আমেরিকা থেকে। সুদীর্ঘ চিঠি, বড় চাচার নামে এসেছে কিন্তু সবাইকে উদ্দেশ্য করে লেখা। চিঠির বক্তব্য হচ্ছে এরকম : । বড় ছেলে খালেদে বয়স প্রায় তরো হতে চলল কিন্তু সে এখনো তার পূর্বপুরুষের দেশ, ধর্ম, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য বা ভাষা সম্পর্কে কিছুই জানে না। সে সম্পর্কে একটা ধারণা দেয়ার জন্যে খালেদকে তিন মাসের জন্যে দেশে পাঠানো হবে, যেন সে দেশের পরিবেশে তিন মাস থেকে নিজেদের ঐতিহ্য সম্পর্ক একটা ধারণা করতে পারে। চিঠিটা পড়ে আমাদের মাঝে উত্তেজনার একটা ঢেউ বয়ে গেল। খালেদের বয়স তেরো অর্থাৎ একেবারে আমার আর রাজুর বয়স। আমেরিকা থেকে আসছে, মনে হয় একটা বাংলা শব্দও জানে না। কী সাঙ্ঘাতিক ব্যাপার। বাসার সব বড় মানুষেরা বসে খুব গম্ভীর গলায় আলোচনা শুরু করে দিল। বড় চাচা বললেন, খালেদ হীরার ছেলে মানলাম, কিন্তু একেবারে আমেরিকান বাচ্চা। এই বাচ্চাকে দেশে রাখার একটা খরচপাতি আছে না? সুন্দর চাচা বললেন, হীরার মাথায় তো বুদ্ধিসুদ্ধি নিশ্চয়ই আছে। টাকাপয়সা নিশ্চয় দিয়েই পাঠাবে। বড় চাচার চোখ সাথে সাথে লোভে চকচক করে ওঠে। মাথা নেড়ে বললেন, নিশ্চয়ই পাঠাবে। নিশ্চয়ই পাঠাবে। ছোট ফুফু বললেন, কি খাবে এখানে? বড় চাচী বললেন, ভাত মাছ কি খায়? পাওয়া যায় ঐ দেশে? কেউ তার কথার উত্তর দিল না। আমাদের বাসায় মেয়েদের কোন রকম মানসম্মান নেই। সময় সময় মনে হয় তাদের অবস্থা বাচ্চাদের থেকেও খারাপ। একটু পরে বড় চাচা বললেন, আজকাল খাবার দাবারের যা দাম! সুন্দর চাচা বললেন, সোনার গাঁ হোটেলের ম্যানেজারের সাথে আমার জানাশোনা আছে। আমি বলে দেব, হামবার্গার আর হট ডগ পাঠিয়ে দেবে বাসায়। ছোট চাচা বললেন, বিদেশ থেকে একটা ছেলে দেশে এসেছে কি শুধু হামবাগরি আর হট ডগ খাওয়ার জন্যে? জয়নাল চাচ৷ কান চুলকাতে চুলকাতে বললেন, অ আমার মা টেবিলের এক মাথায় মাথা গুঁজে কি একটা ইংরেজি বই পড়ছিলেন। হঠাৎ একটু হেসে ফেললেন। ছোট চাচা বললেন, ভাবী, আপনার কি মনে হয়? মা মাথা তুলে ছোট চাচার দিকে তাকিয়ে থেকে বললেন, ভেরি হটারেস্টিং। কি? সাইক্লপ নামে এক চোখের দৈত্যের কথা লিখেছে। নাবিকেরা নাকি এক দ্বীপে কঙ্কাল দেখেছে সাইক্লপের। বিরাট মাথা। মা কথা বন্ধ করে আবার বইয়ের মাঝে ডুবে গেলেন। এখানকার একটা কথাও শুনেছেন বলে মনে হল না। কেউ আর তাকে বিরক্ত করল না। কখনো করে না। রাজু ভয়ে ভয়ে বলল, কোথায় ঘুমাবে খালেদ কেউ তার কথার উত্তর দিল না। এই বাসায় ছোটদের প্রশ্নেরও কোন উত্তর দেয়া হয় না। খানিকক্ষণ পরে সুন্দর চাচা বললেন, উপরে একটা ঘর খালি করতে হবে। বিছানা বালিশ মশারি - বড় চাচা মাথা চুলকে বললেন, যা দাম লেপ তোষকের।জয়নাল চাচা নাক দিয়ে ঠোৎ করে একটা শব্দ করে লুঙ্গি চেপে শব্দ করে নাক ঝাড়লেন। সুন্দর চাচা বললেন, আমার বোজম ফ্রেন্ডের এয়ার কন্ডিশনারের বিজনেস। সিঙ্গাপুর থেকে একটা চালান এসেছে। বললেই বাসায় লাগিয়ে দেবে। রাজু আবার ভয়ে ভয়ে বলল, আমার ঘরে ঘুমাতে পারে। টেবিলটা সরালে আরেকটা বিছানার জায়গা হয়ে যাবে। ছোট চাচা মাথা নাড়লেন। অন্য সবাই রাজুর দিকে চোখ পাকিয়ে তাকাল। এই বাসায় ছোটদের সব কথা হয় বোকামি না হয় বেয়াদপি হিসেবে ধরা হয়। ভেবেছিলাম, রাজু একটা রাম ধমক খাবে, কিন্তু তার কপাল ভাল, খেল না। জয়নাল চাচা শুধু ঘোঁৎ করে একটা শব্দ করলেন। রাতে ঘুমানোর সময় আমি মাকে জিজ্ঞেস করলাম, মা, তুমি জান হীরা ছেলে আসছে আমেরিকা থেকে? চাচার যা অন্যমনস্কের মত বললেন, তাই নাকি! আসছে নাকি? মা চুপ করে আবার কি একটা ভাবতে লাগলেন। আমার কথা শুনেছেন বলে মনে হল না। আমি আবার জিজ্ঞেস করলাম, এক চোখের দৈত্যের কথা বলেছিলে মা? হ্যাঁ। সাইক্লপ নাম। হ্যা, মা। কোথায় ছিল? একটা দ্বীপে। মানুষ তার কঙ্কাল পেয়েছিল। সিন্দাবাদের গল্প পড়িস নি? সত্যি পেয়েছিল মা? মা হেসে ফেললেন। আজকাল আর বেশি হাসেন না, কিন্তু হাসলে মাকে এখনো কী সুন্দর দেখায়! মায়ের মাথার সব চুল সাদা হয়ে যাচ্ছে, কিন্তু মুখটা কী সুন্দর, বাচ্চা মেয়েদের মত কি হল মা? হাস কেন? দৈত্য কি কখনো থাকে নাকি। তাহলে কঙ্কাল পেল কেমন করে? হাতির কঙ্কাল। যেখান থেকে শুঁড় বের হয় সেখানে গর্ত, মনে হয় বুঝি চোখ। তাই মানুষ ভেবেছিল, এক চোখের দৈত্য। দৈত্য কি আর আলাদা করে হয়? মানুষই দৈত্য হতে পারে। পারে না? একাত্তরে হয়েছিল না? আমি কিছু না বুঝে মাথা নাড়লাম। মা অনেকক্ষণ জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে থেকে বললেন, ছেলেটা কষ্ট পাবে। কোন ছেলেটা? হীরার ছেলে। খালেদ। এই বাসায় কি মানুষ থাকতে পারে? পারে না। এই বাসায় কোন আনন্দ নেই, কোন সুন্দর জিনিস নেই, কোন ভাল জিনিস নেই। এই বানায় শুধু কুৎসিত জিনিস। তুই কেমন করে থাকিস টোপন? আমি হলে তো মরেই যেতাম। আমি একটু অবাক হয়ে আমার মা'র দিকে তাকিয়ে রইলাম। আমার মাথা খারাপ মা! আমার মাঝে মাঝে এত ইচ্ছে করে যে, মা আমাকে একবার একটু বুকে চেপে আদর করবেন, কিন্তু মা আমাকে কখনো হাত দিয়ে ছুঁয়েও দেখেন না। এই ঘরে আমাদের আলাদা আলাদা বিছানা। আমি যখন শুয়ে শুয়ে ঘুমানোর চেষ্টা করি আমার মা তখন মশারির ভিতরে বসে বসে বই পড়েন। আমি মায়ের দিকে তাকিয়ে রইলাম আর আমার চোখে পানি এসে যেতে লাগল। খালেদকে এয়ারপোর্ট থেকে আনার জন্যে বাসার সবাই এয়ারপোর্টে হাজির হল। একটা গাড়ি অনেক কষ্ট করে যোগাড় হয়েছে। সেটাতে ঠেলাঠেলি করে প্রায় সবাই এসে গেছে। সুন্দর চাচা বলেছিলেন, তাঁর এক বন্ধুর অনেকগুলো গাড়ি, তাকে সবসময় ব্যবহার করার জন্যে সাধাসাধি করেন। তাকে বলে একটা মাইক্রোবাস যোগাড় করে আনবেন। শেষ মুহূর্তে তিনি খবর আনলেন, গাড়ি নিয়ে সমস্যা হয়েছে। ইঞ্জিনের গোলমাল কারবুরেটর না কি যেন পুড়ে গিয়েছে। তখন ছোট চাচা অনেক ছোটাছুটি করে এই গাড়িটা যোগাড় করেছেন। সেই গাড়িতে করে আমরা সবাই এয়ারপোর্টে এসেছি। প্লেন সময়মত এসে নেমেছে, আমরা কাঁচের জানালা দিয়ে উঁকিঝুঁকি মারছি, তখন শেষ পর্যন্ত খালেদকে দেখা গেল। এতটুকু ছেলে একা আমেরিকা থেকে বাংলাদেশে চলে এসেছে আমাদের বিশ্বাস হয় না। তাকে দেখে অবশ্যি আমাদের একটু আশাভঙ্গ হল। আমাদের সবার ধারণা ছিল, তার গায়ের রঙ হবে ফর্সা, গাল হবে গোলাপী। তার পরনে থাকবে কোট এবং টাই, হাতে থাকবে চামড়ার এ্যাটাচি কেস। কিন্তু দেখা গেল তার গায়ের রং আমাদের মত শ্যামলা। পরনে হাঁটু পর্যন্ত লম্বা অত্যন্ত ঢিলা একটা রং ওঠা টি-শার্ট। দেখে মনে হয়, ভুল করে অন্য কারোটা পরে চলে এসেছে। টি শার্টের বুকে লেখা ‘ইকো ফার্স্ট'। তার মানে কি খোদায় জানেন। তার প্যান্টটা ভুসভুসে নীল রঙের। শুধু তাই নয়, মনে হল হাঁটুর কাছে একটু ছেঁড়া। পিঠে ক্যাটকেটে সবুজ রঙের একটা ব্যাগ। মাথায় বারান্দাওয়ালা একটা টুপি, সেটা আবার পরেছে উল্টো করে। বড় চাচা বললেন, কাস্টমসে অনেক দেরি হবে। আমেরিকা থেকে আসছে। স্যুটকেস ভর্তি জিনিসপত্র। ছোট ছেলে পেয়ে অনেক হয়রানি করবে। কিন্তু কাস্টমসে কোনই হয়রানি হল না। কারণ খালেদের কোন স্যুটকেসই নেই।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২০ জন


এ জাতীয় গল্প

→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৫২
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৫১
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৫০
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৯
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৬
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৮
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৭
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৫
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৩২
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৩১
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৩০
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ১৭
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ১৮
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ১৯
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ২০

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now