আসসালামু আলাইকুম
। নিয়ে এলাম তৃতীয় পর্ব
আর এটাই শেষ পর্ব
।
গল্প শুরু
তারপর আমার আম্মু সবাইকে বিরিয়ানি দিল
। যখন আমার আম্মু ফাহাদ ভাইয়াকে বিরিয়ানি দিবে তখন আমি আমার আম্মুকে বলি, মা একটু প্লেটটা দেন তো
?
আমার আম্মু: কেন দিব তোকে
?
আমি: আম্মু ফাহাদ ভাইয়া একটু বিরিয়ানিতে বেশিই লবণ খায়
। তাই তার খাবারে একটু লবণ ছিটিয়ে দিব
।
আমি এই সুযোগে আমার বদলাটাও নিয়ে নিব



।
তাই আমি ফাহাদ ভাইয়ার খাবারে কিছু জামাল গুটা মিশিয়ে দেই


।
তারপর ফাহাদ ভাইয়াকে দিয়ে দেই



।
সবাই বলছে আন্টি বিরিয়ানিটা অনেক মজা হয়েছে
।
তানিম ভাইয়া:আন্টি এই রকম মজার বিরিয়ানি আমি জন্মেও খাই নি 
।
আমি মনে মনে বললাম, মানুষের আলুবোখরা তো তাই এতো মজা লাগছে
।
রিদা আপু:আন্টি বিরিয়ানির মধ্যে এটি কীসের মাংস
।
আমার আম্মু:এটি উটের মাংস
।
মেঘলা আপু:ও তাই.... এজন্য এতো মজা

।
ইসরাত আপুর অবস্থা দেখলে মরা মানুষও হাসবে



।
ইসরাত আপু পুরো বিরিয়ানির মধ্যে চা ☕☕☕☕ দিয়ে খাচ্ছে









।
সবার খাওয়া-দাওয়া শেষ
।
সবাই এখন আড্ডা দিচ্ছে।
এমন সময়.....……………………
ফাহাদ ভাইয়া:আন্টি ওয়াশরুমটা কোথায়



।
আমার আম্মু:এইতো বামে
।
আমি মনে মনে বলছি, কাম শারছে


।
এখন বুঝেন ঠেলা




।
ফাহাদ ভাইয়া ২০মিনিট পর বের হলো আবার গেলো







।
এরকম করে ফাহাদ ভাইয়া ১০বার ওয়াশরুমের 



চক্কর কেটে আসলো।
ফাহাদ ভাইয়ার অবস্থা আমি টাইয়েড করে দিয়েছে










।
এখন ফাহাদ ভাইয়া বুঝবে কত ধানে কত চাল



।
এ রকম গপ্প-শপ্প করে জিজেরা চলে গেলো
:Wavecry::Wavecry:।
তো এখানেই গল্পটা শেষ
।
পুরো গল্পটি কাল্পনিক
।
কোনো ভুল হলে ক্ষমা করবেন।