বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন

বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

সংশোধন (১)

"জীবনের গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান TAMIM (৩০ পয়েন্ট)



X লেখকঃ ও হেনরি সংশােধন ও হেনরি কারাগারের জুতাে কারখানায় জিমি ভ্যালেন্টাইন একমনেজুতাের উপরের অংশ জোড়া দিয়ে যাচ্ছিল, একজন রক্ষীএসে তাকে সামনের অফিসঘরে নিয়ে গেলওয়ার্ডেন জিমিকে মার্জনাপত্র ধরিয়ে দিলেন, আজ সকালেই গভর্নর সেটায় স্বাক্ষর করেছেন। জিমি একরকম ক্লান্ত ভঙ্গিতে ওটা নিল। চার বছরের সাজার ভেতর প্রায় দশ মাস পার করেছে সে। তার ধারণা ছিল বড়জোর মাস তিনেক থাকা লাগবে।জিমি ভ্যালেন্টাইনের মত লােক যার কিনা বাইরে হাজারটাবন্ধুবান্ধব রয়েছে, তার তাে পলক ফেলার আগেই বেরিয়ে আসার কথা।“তা ভ্যালেন্টাইন,” ওয়ার্ডেন বললেন, “সকালে তােমাকেছেড়ে দেয়া হবে। নিজেকে গুছিয়ে নিয়ে এবার একটু মানুষ হও। ভেতরে ভেতরে তাে তুমি লােক তত খারাপ না। এখন সিন্দুক ভাঙা বাদ দিয়ে সরলসােজা রাস্তায় বাঁচতে শেখ।"আমি?” জিমির গলায় বিস্ময়, “আমি ত জীবনে একটাও সিন্দুক ভাঙিনি।” “ও তাই ত! না, নিশ্চয়ই না।”, ওয়ার্ডেন হাসেন, “দেখ, ম্প্রিংফিল্ডের ব্যাপারটায় তুমি কীভাবে সাজা পেলে? খুব উঁচু সমাজের কেউ ফেঁসে যাওয়ার ভয়েই কি তুমি নিজের নির্দোষিতা প্রমাণ করাে নি? নাকি এক শয়তান বুড়াে জুরি তােমার উপর খেপে ছিল? তােমার মত পরিস্থিতির শিকারদের বেলায় সবসময়ই এই দুটোর একটা খাটবেই।”“আমি?”, জিমি এখনও নিস্পাপ সারল্য ধরে রেখেছে,“আমি জীবনে স্প্রিংফিল্ডেই যাই নি!“ক্রোনিন, ওকে নিয়ে গিয়ে বাইরে পড়ার মত কিছু পােশাক দিয়ে দাও। সকাল সাতটায় ওকে বের করে বাইরের হাজতে নিয়ে য়েও। ভ্যালেন্টাইন, আমার কথাটা মনে রাখলে ভাল করব|পরদিন সকাল সােয়া সাতটায় জিমি ওয়ার্ডেনের বাইরের অফিসে এসে দাঁড়াল। গায়ে বেঢপভাবে তৈরি পােশাক, পায়ে শক্ত, মচমচে একজোড়া জুতাে, যেমনটা সরকার তার বাধ্যতামূলক অতিথিদের ছেড়ে দেবার সময় দিয়ে থাকে তেমনই।কেরানি তাকে একটা রেলের টিকেট আর একটা পাঁচডলারের নােট ধরিয়ে দিয়েছে, আইন আশা করে এ দিয়েই সে সভ্যতা এবং উন্নতির একেবারে চূড়ায় চড়ে বসবে।ওয়ার্ডেন তাকে একটা চুরুট দিয়েছিলেন, হাতও মিলিয়েছিলেন। নথিতে লেখা হল, ভ্যালেন্টাইন, ১৭৬২,গভর্নর কর্তৃক ক্ষমাকৃত; তারপরই মিঃ জেমস ভ্যালেন্টাইন সূর্যের আলােয় বেরিয়ে এলেন।পাখির গান, সবুজ গাছ, ফুলের গন্ধ, সবকিছু উপেক্ষা করে জিমি সােজা রেস্তোঁরায় চলে গেল। সেখানে মুক্তির আনন্দের প্রথম স্বাদটা নিল ঝলসানাে মুরগি আর সাদা ওয়াইনের সাথে – তারপর কারাপ্রধানের দেয়া চুরুটটার চেয়ে ভাল আরেকটা টানল। সেখান থেকে মন্থরগতিতে চলল।রেলডিপােতে। দরজার পাশে এক অন্ধের পেতে রাখা টুপিতে একটা সিকি ছুঁড়ে দিয়ে ট্রেনে চড়ে বসল সে। ঘন্টা তিনেক পড়ে প্রদেশ-সীমানার কাছে এক ছােট্ট শহরে এসে নামল,তারপর সে মাইক ডােলানের কাফেতে গিয়ে ঢুকে তার সাথে হাত মেলাল, বারের পেছনে একাই বসে ছিল সে।“আরও আগে কিছু করতে পারলাম না বলে দুঃখিত, জিমি,মাইক বলল, “কিন্তু স্প্রিংফিল্ডের বিক্ষোভটা সামলাতে হল,গভর্নরটাও আরেকটু হলে ঘাপলা বাঁধিয়ে ফেলেছিল। সব ঠিক আছে ত?”“ঠিক আছে। আমার চাবিটা আছে?”সে চাবিটা নিয়ে সিঁড়ি বেয়ে উঠে গেল, পেছন দিকের একটা দরজা খুলল। সবকিছু যেমনটি সে রেখে গিয়েছিল, ঠিকনতেমনই আছে। মেঝেতে এখনও বেন প্রাইসের গলার বােতামটা পড়ে রয়েছে, জিমিকে জোর করে গ্রেপ্তার করার সময় বিখ্যাত গােয়েন্দার জামা থেকে ওটা খসে পড়েছিল।দেয়াল থেকে একটা ভাঁজকরা বিছানা টেনে নামাল জিমি,তারপর একটা দেয়াল থেকে একটা প্যানেল সরিয়ে ফেলে একটা ধুলােমাখা সুটকেস টেনে বের করল৷ সেটা খুলে পূবের সেরা চুরির সরঞ্জামগুলাের দিকে কিছুক্ষণ মুগ্ধচোখে তাকিয়ে রইল সে৷ একটা সম্পূর্ণ সেট, বিশেষরকম ইস্পাতের তৈরি, আধুনিক নকশার ড্রিল, পাশ্চ, ব্রেস, বিট,জিমি, ক্ল্যাম্প, অগার, আরও দু'তিনটা জিনিস আছে যেগুলো জিমির নিজস্ব উদ্ভাবন, গর্বের সাথে জিমি ভাবে। এগুলি বানাতেই ওর নয়শ ডলারের বেশি গেছে, যেখান থেকে বানিয়েছে তারা পেশাদার কাজের জিনিস বানায়।।আধঘন্টার ভিতর জিমি সিঁড়ি বেয়ে নেমে কাফে থেকে বেরিয়ে এল, তার পরনে এখন রুচিশীল, সুন্দরভাবে ফিট করা পােশাক, হাতে সেই সুটকেস, এখন ধুলাে ঝেড়ে পরিষ্কার করা হয়েছে।“কোন মতলব আছে?” মাইক ডােলান খুশিখুশি গলায় জিজ্ঞেস করল।“আমি?”, জিমি বিভ্রান্ত গলায় বলল, “বুঝলাম না। বাকীটা পরে লিখব আজ আর লিখতে পারছি না☹☹...


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ১৭ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...