বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন

বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

আমাদের জীবনটাই অন্যরকম এবং জিজে মেম্বারস(পর্ব২)

"জীবনের গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ESHRAT JAHAN (২২৮ পয়েন্ট)



X রেস্টুরেন্ট থেকে বের হয়ে মনের আনন্দে গান বলছি আর যাচ্ছি আখিয়া মেলাও কাভি আখিয়া চুরাও কেয়া টুনে কেয়া যাদু... হাহ,আখিয়া মেলাও কাভি আখিয়া চুরাও কেয়া টুনে কেয়া যাদু কাভি গাবরু কাভি গালে লাগ যায়ূ মেরা খুদপে নাহি কাবু বিনা পায়েল কে ভি বাজে ঘুঙু.... এইদিক মোজাহিদ যাচ্ছিল।আমাকে দেখে বললো,"কিরে এত খুশি ক্যান? "আর বলিস না দুই বেলা রেস্টুরেন্টে খেয়েছি।সকালে রেহনু আপু খাইয়েছে আর বিকেলে তানিম ভাই।" "ওহ আগে বলবি তো আমিও খেতাম।" "আচ্ছা তালে সকালে খাবোনি।কালকে তালহা ভাইয়ার থেকে খাবো।একটু কল করে বলে দে আমরা একসাথে ব্রেকফাষ্ট করবো।" মোজাহিদ তালহা ভাইয়াকে কল দিলো। "ভাইয়া একটা কথা।" "হ্যা হ্যা বলো ছোটভাই।" "ভাইয়া অনেকদিন হলো আপনার সাথে ব্রেকফাস্ট করা হয় না।তাই ভাবছি কাল সকালে একসাথে ব্রেকফাস্ট করবো।" "ঠিক আছে সমস্যা নাই।চলে এসো।" "আমি আর ইসরাত আসবো।" "ওহ তাহলে আরো ভালো।আচ্ছা।" "আচ্ছা ভাইয়া।" মোজাহিদ ফোন রেখে দিল।আমি বললাম,"ভাইয়া রাজি হয়ে গেল!" "হ laugh "তাহলে কাল সকালে দেখা হচ্ছে।আমি আর তুই একসাথে যাবো।" "আচ্ছা।" আমি রিশুর ওখানে গেলাম।রিশু গেট খুলে দিল। "হেই তারিন্না,রিদিন্না,রিশুন্না কি করিস তোরা?" "এইতো গল্প করছি আপ্পু।" "ওহ ভালো তোদের খোঁজখবর নিতে এলাম।" তারিন বললো,"তা তো নিবেই বড় আপু হয়ে একটা দায়িত্ব এটা।" আমি বললাম ,"হ দায়িত্ব।দেখ তো কে এসেছে।" রিদি গেট খুলে দেখলো রাকিব,শাহরিয়ার আর ফারহান।ভেতরে ঢুকে এদিকে এলো।শাহরিয়ার বললো,"কি আপু এখানে?" আমি বললাম,"হ বড় আপু হয়ে একটা খোঁজখবর নিচ্ছি।দায়িত্ব আছে তো।" তারিন বলে উঠলো,"বড় দেখে ভাব দেখাচ্ছ আপু।" এরই মধ্যে রাকিব বলে উঠলো,"আমি তো তোদের সবার বড় ভাই খালি ইসরাত আপুর ছোট।আর সবার বড় ভাই blush রাকিব এই বড় ভাইয়ের ভাব নিয়ে হাটতে হাটতে দেওয়ালের সাথে ধাক্কা খেল।মাথায় ব্যাথা পেয়ে চিল্লাতে থাকলো,"ওমা গেসে মাথা ফেটে।" চিল্লাতে চিল্লাতে ফারহানের সাথে মাথায় জোরে ধাক্কা খেল।ফারহান চিল্লাতে থাকলো,"ওমা ভাইয়াআআ.." এই বলে চিল্লাতে চিল্লাতে এগোতে এগোতে শাহরিয়ার ঘাড়ে কামড় বসিয়ে দিল।শাহরিয়ার চিল্লাতে বলতে লাগলো,"আমার ঘাড় গেল।আল্লাহ গো.. ওমা..।" সবাই ফ্লোরে ধপাস হয়ে পড়ে গেল wacko কারো কোনো সাড়াশব্দ নাই।কি ব্যাপার কি হলো সবার! আমি কাছে যেয়ে বললাম,"এই তোদের কি হলো উঠgj তিনজনকে ধাক্কা দিতে দিতে বললাম,"কিরে উঠ তোরা।" তারপর দাঁড়িয়ে বললাম,"গেসে এরা।যা পানি আন।" রিশু বালতিতে পানি আনলো।তিনজনের মুখে পানি ছিটিয়ে দিচ্ছি।তাও কেউ কিছু বলে না।এই সময় কে যেন গেটে নক করছে।রিদি গেট খুলে দিল।ফাহাদ এসেছে।তিনজনকে ফ্লোরে পড়ে থাকতে দেখে বললো,"কি হয়েছে এদের এই কি অবস্থা।" আমি বললাম,"অজ্ঞান হয়ে গেসে।পানি ছিটিয়ে দিচ্ছি তাও হচ্ছে না gj" "ওহ ।" ফাহাদ বালতির সবটুকু পানি সবার ওপর ঢেলে দিল।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৯৯ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...