বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন

বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

আমার সাইন্টিস মামা (২৯)

"ছোটদের গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান TARiN (৩০ পয়েন্ট)



X মুহম্মদ জাফর ইকবাল আমরা কতোক্ষণ বসেছিলাম জানি না। আমার মনে হয় একটু ঘুম এসে গিয়েছিল। হঠাৎ মামা সোজা হয়ে বসে বলল, “কেউ একজন আসছে।” আমিও সোজা হয়ে বসলাম। মানুষের গলার স্বর শোনা যাচ্ছে তার মানে একজন নয় একজনের বেশি মানুষ আসছে। মানুষ একা একা কথা বলে না। মামা ফিসফিস করে বলল, “হাত দুটো পিছনে রেখে চুপচাপ বসে থাক। দেখে যেন মনে হয় তোর হাত দুটো এখনো বাঁধা।” আমি তাড়াতাড়ি আমার দড়িটা লুকিয়ে ফেললাম। তারপর হাত দুটো পিছনে নিয়ে বসে পড়লাম। মুখে হতাশ একটা ভঙ্গী করে মাথাটা এক পাশে কাত করে রাখলাম। মামাও তার দড়িটা পিছনে সরিয়ে হাত দুটো পিছনে নিয়ে রাখল। এক হাতে পিস্তলটা ধরে রেখেছে। মামাও চোখে মুখে খুব একটা হতাশ ভাব ফুটিয়ে রাখল। আমরা শুনতে পেলাম দরজার বাইরের আলমারিটা ঠেলে সরানো হচ্ছে তারপর দরজা খুলছে। তারপর দুইজন মানুষ ভিতরে ঢুকলো। দুইজন বিদেশি। আমাদের দুইজনের দিকে একবার দেখল, তারপর একটু সরে গিয়ে নিজেদের ভেতর নিচু গলায় কথা বলতে লাগল। আমি স্পষ্ট ক্রসফায়ার শব্দটা শুনতে পেলাম। মামা খুব ধীরে ধীরে মাথাটা একটু তুলে খুবই ক্লান্ত গলায় ইংরেজিতে জিজ্ঞেস করল, “আমাদের নিয়ে তোমাদের পরিকল্পনাটি কী?” একজন খেঁকিয়ে উঠে বলল, “শাট আপ।” মামা আস্তে আস্তে মাথা তুলে বলল, “তার মানে আমাদের নিয়ে তোমাদের কোনো পরিকল্পনা নাই?” মানুষটা আবার খেঁকিয়ে উঠল, “আই সেইড শাট আপ।” মামা মোটেও হাল ছেড়ে দিল না। খুবই নরম গলায় ইংরেজিও বলল, “তোমাদের যেহেতু কোনো পরিকল্পনা নেই, তাহলে আমাদের পরিকল্পনাটাই কাজে লাগাই। কী বল?” মানুষ দুটো কেমন জানি চমকে উঠল। মামা তখন পিছন থেকে তার হাতটা বের করে সামলে নিয়ে আসে। তার হাতে চকচকে কালো একটা পিস্তল। মানুষ দুটো কী করবে বুঝতে পারে না, তাদের মুখ পুরোপুরি হা হয়ে থাকে। একজন ফাঁসাসে গলায় বলল, “ইউ ইউ ইউ” কিন্তু কথা শেষ করতে পারল না। মামা বলল, “তোমরা একটু খানি তেড়েবেড়ি করলে আমি গুলি করে দেব। আমার কথা বুঝেছ?” মানুষ দুটি মাথা নাড়ল, মামা বলল, “শুধু মাথা নাড়লে হবে না, মুখে বল, বুঝেছি স্যার। স্যার এর উপর জোর।” মানুষ দুটি বলল, “বুঝেছি স্যার।” স্যার এর উপর জোর। মামা এবারে উঠে দাঁড়াল, তারপর বলল, “দুইজন দেওয়ালের দিকে মুখ করে দাঁড়াও। হাত উপরে তুলে।” মানুষ দুইজন হাত উপরে তুলে ঘুরে দাঁড়াল।  মামা তখন বলল, “টোপন, যা এদের সার্চ কর।” আমি ইতস্তত করে বললাম, “কেমন করে সার্চ করতে হয় আমি জানি না।” “প্রথমে পকেটে যা আছে সব বের করে নিয়ে আয়। তারপর শরীরে হাত বুলিয়ে দেখ কোথাও কোনো অস্ত্র লুকিয়ে রেখেছে কিনা। যা।” আমি তখন পকেটে হাত দিয়ে মানি ব্যাগ, চাবির রিং, টেলিফোন, কাগজপত্র সবকিছু বের করে নিয়ে এলাম। বগলের তলায়, পেটে, পিঠে হাত দিয়ে দেখলাম সেখানে কোনো অস্ত্র লুকানো আছে কি না। কিছু লুকানো নেই। মামা তখন আবার পিছনে সরে গিয়ে দেওয়ালে হেলান দিয়ে বসল। আমিও গিয়ে মামার পাশে বসলাম। মামা পিস্তলটা তাদের দিকে তাক করে রেখে বলল, “এবারে বল দেখি তোমরা কারা। এখানে কেন এসেছ? তোমাদের মতলবটা কী? আমাকে কেন ধরে এনেছ? আমার কথা না হয় ছেড়েই দিলাম, এই বাচ্চা ছেলেটাকে কেন ধরে এনেছ?” মানুষগুলো কোনো কথা বলল না। মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে রইল। মামা ধমক দিয়ে বলল, “কী হলো? কথা বল না কেন?” মানুষগুলো তবু কোনো কথা বলল না। মামা বলল, “আমি বুঝতে পারছি উত্তর দেওয়া খুব কঠিন। আমরা চোর, চুরি করতে এসেছি। এইসব কথা বলা কঠিন, কাজটা করে ফেলা সহজ।” মামা কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে বলল, “তোমরা কী প্রফেশনাল চোর? কোথাও চুরি করা শিখেছ?” এবারে একজন কথা বলল, অস্পষ্ট স্বরে বলল, “আমরা ইঞ্জিনিয়ার।”  “কিসের ইঞ্জিনিয়ার?” “নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ার। আর আমার পার্টনার মেটালার্জির ইঞ্জিনিয়ার।” মামা হা হা করে হাসল, বলল, “ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে কী শেখানো হয় কীভাবে অন্যদেশে গিয়ে তাদের সম্পদ চুরি করতে হয়?” মানুষ দুটি কোনো কথা বলল না, ঠিক তখন আমাদের সামনে মেঝেতে রাখা একটা টেলিফোন শব্দ করে বেজে উঠল। মামা জিজ্ঞেস করে উঠল, “এটা কার টেলিফোন।  নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ার বলল, “আমার।” মামা টেলিফোনটা হাত দিয়ে ঠেলে মানুষটার কাছে পাঠিয়ে দিয়ে জিজ্ঞেস করল, “কে টেলিফোন করেছে?” মানুষটা উবু হয়ে দেখে বলল, “আমাদের টিম ম্যানেজার।”  “কোথা থেকে ফোন করছে?” “উপরের বার থেকে।” “মদ খাচ্ছে?” মানুষটা এবারে কোনো উত্তর দিল না। মামা বলল, “তুমি ফোনটা ধরবে। ধরে কী বলবে সেটা আমি বলে দিব। যদি এর বাইরে একটা শব্দ বল আমি তোমার হাঁটুতে গুলি করব। মনে রেখো, মাথায় না, হাঁটুতে। বুঝেছ?” মানুষটা মাথা নেড়ে জানাল সে বুঝেছে। মামা বলল, “তুমি বলবে, আমরা যে ছোট ছেলেটাকে ধরে এনে বুকে লাথি দিয়েছি তার অবস্থা খুব খারাপ। নিঃশ্বাস নিতে পারছে না। কি করা যায় তার ডিসিশন নিতে হবে সবাই নিচে আস। এক্ষুণি। বুঝেছ?” মানুষটা কোনো কথা বলল না। মামা ধমক দিয়ে বলল, “বুঝেছ?” নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ার মানুষটা বলল, “বুঝেছি।”  মামা বলল, “ফোনটা ধরো।” ফোনটা ধরা গেল না, কারণ বেজে বেজে থেমে গেছে। মামা বলল, “এক্ষুণি আবার ফোন আসার কথা, যদি না আসে তুমি ফোন করবে।” মানুষটা মাথা নাড়ল। মামা বলল, “যদি আমার কথামতো কথা না বল আমি হাঁটুতে গুলি করব। ডান হাঁটু না বাম হাঁটু সেটা নিয়ে তোমার কোনো পছন্দ আছে? পছন্দ থাকলে এখনই জানিয়ে রাখ।” মানুষটা চাপা গলায় বলল, “তার প্রয়োজন হবে না।” মামা বলল, “ফ্যান্টাস্টিক। আমার রক্ত দেখতে ভালো লাগে না।” সত্যি সত্যি মানুষটার ফোনটা আবার বাজল, এবারে সে ফোনটা তুলে নিয়ে কথা বলতে শুরু করল। মামা যেভাবে বলেছে ঠিক সেভাবে। কথা শেষ করে সে টেলিফোনটা নিচে রাখল। মামা তাকে ফোনটা নিজের দিকে ঠেলে দিতে বলল, মানুষটা ঠেলে দিল। মামা দেখে নিশ্চিত হলো যে লাইন কাটা হয়েছে তখন আবার কথা শুরু করল। বলল, “তোমরা দুইজন এখন দেওয়ালের সাথে গিয়ে দাঁড়াও, আর টোপন, তুই ঘরের মাঝখানে দুই হাত পিছনে রেখে উপরের দিকে মুখ করে শুয়ে থাক। শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে এরকম অ্যাকটিং করতে পারবি?” আমি বললাম, “পারব মামা।”  “গুড। শুরু করে দে।” আমি দুই হাত বাঁধা সেরকম ভান করে ঘরের মাঝখানে শুয়ে উপরের দিকে তাকিয়ে নিঃশ্বাস নিতে পারছি না সেরকম একটা অনবদ্য অভিনয় শুরু করে দিলাম। কিছুক্ষণের মাঝেই ঘরের বাইরে অনেকগুলি মানুষের পায়ের শব্দ শুনতে পেলাম। আমার বুকটা ধ্বক ধ্বক করতে লাগল, মামা কী সত্যিই পারবে এগুলো মানুষকে আটকাতে? যদি না পারে তখন কী হবে? আমি জোর করে ভেতর থেকে চিন্তাটাকে ঠেলে দূর করে দিলাম। হঠাৎ দরজাটা খুলে গেল। একসাথে বেশ কয়েকজন মানুষ ভিতরে ঢুকল, আমার দিকে তাকাল, একজন নিচু হয়ে আমার বুকের ওপর হাত রাখল, তারপর কী যেন একটা বলল। আমি চোখের কোণা দিয়ে দেখলাম, মামা হঠাৎ লাফ দিয়ে উঠে দাঁড়িয়েছে। পিস্তলটা তাক করে চিৎকার করে বলল, “হ্যান্ডস আপ। এভরিবডি।” মানুষগুলো পাথরের মতো নিশ্চল হয়ে গেল। সবাই মাথা ঘুরিয়ে মামার দিকে তাকাল। আমিও তড়াক করে লাফিয়ে উঠে দুই লাফে মামার পাশে এসে দাঁড়ালাম। আমার বুকটা ঢাকের মতো শব্দ করছে। কী হবে? এখন কী হবে? মামা পরিষ্কার ইংরেজিতে বলল, “আমাকে কেউ খাটো করে দেখ না। আমার পিস্তলে আটটা গুলি আছে, আমি আটজনকে ফেলে দিতে পারব। একটা গুলিও মিস হবে না।” মানুষগুলো যে যেখানে ছিল সেখানে দাঁড়িয়ে রইল। মামা বলল, “কেউ যদি আমার কথা বিশ্বাস না কর তাহলে চেষ্টা করে দেখতে পার। তোমাদের কারো কাছে যদি কোনো অস্ত্র থাকে সেটা নিয়ে আমাকে আক্রমণ করতে পার।” আমার নিজের চোখকে বিশ্বাস হলো না, সত্যি সত্যি মোষের মতো একজন কোথা থেকে একটা বিশাল চাকু বের করে সেটা হাতে নিয়ে বিকট চিৎকার করে মামার উপর ঝাঁপিয়ে পড়ল। আমি ভয়ে চিৎকার করে চোখ বন্ধ করলাম। আমি একটা গুলির শব্দ শুনতে পেলাম, সাথে সাথে মানুষের আর্ত চিৎকার। চোখ খুলে দেখি মোষের মতো মানুষটা নিজের হাত ধরে মেঝেতে পড়ে আছে। হাত থেকে ফিনকি দিয়ে রক্ত বের হচ্ছে। ভয়ংকর চাকুটা তার পাশে পড়ে আছে। মামা খুবই শান্ত গলায় বলল, “আর কেউ?” আর কেউ চেষ্টা করল না। মামা বলল, “চমৎকার। এবার তাহলে তোমরা সবাই ঘুরে দেওয়ালের দিকে তাকাও। তারপর দেওয়ালের কাছে গিয়ে দুই হাত ওপরে তুলে দেওয়াল ধরে দাঁড়াও।” মানুষগুলো যন্ত্রের মতো দেওয়ালের দিকে গিয়ে হাত উঁচু করে দেওয়াল ধরে দাঁড়াল। মামা বলল, “তোমরা সংখ্যায় সাতজন, যার মাঝে একজন এখন অচল। আমরা দুইজন, তার মাঝে একজন শিশু। তার মাথা ভর্তি পিছলে বুদ্ধি কিন্তু ফুঁ দিলে সে বাতাস উড়ে যাবে। কাজেই আমার ঝুঁকি নেবার উপায় নেই। আমাকে খুবই সতর্ক থাকতে হবে। সেজন্য তোমাদের বলছি তোমরা কেউ পিছন দিকে তাকাবে না। যদি কেউ তাকাও আমি সাথে সাথে তার পায়ে গুলি করব। আমার এই ম্যাগাজিনে আটটা বুলেট ছিল। তার মাঝে একটা খরচ হয়েছে, এখনো সাতটা আছে। সবাই কী বুঝেছ?” কেউ কোনো শব্দ করল না। মামা বলল, “যদি আমার কথা বুঝে থাক মাথা নাড়াও।” এবারে সবাই মাথা নাড়ল। মামা বলল, “চমৎকার। আমরা আমাদের প্রোগ্রামের একেবারে শেষের দিকে চলে এসেছি।” তারপর হঠাৎ ইংরেজি বন্ধ করে একেবারে পরিষ্কার বাংলায় বলল, “আমাদের মাঝে একজন একেবারে খাঁটি রাজাকার আছে যে বিদেশিদের পা চেটে নিজের দেশের সর্বনাশ করতে রাজি আছে।” দেওয়াল ধরে দাঁড়িয়ে থাকা বাঙালি মানুষটা ফ্যাসফ্যাসে গলায় বলল, “মাপ করে দেন স্যার। ভুল হয়ে গেছে স্যার।” মামা বলল, “আমার পিস্তলে সবার জন্য একটা করে গুলি রেখেছি শুধু তোমার জন্য রাখি নাই। আমার ধারণা আমি খালি হাতে তোমার কল্লা ছিঁড়ে নিতে পারব। ঠিক বলেছি কি?” মানুষটা এবারে ভেউ ভেউ করে কেঁদে দিল, কাঁদতে কাঁদতে বলল, “আপনার পায়ে পড়ি স্যার। মাপ করে দেন স্যার।” “মাপ করার কথা পরে। তোমাকে আমি একটা কাজ দেই।” “বলেন স্যার। আপনি যেটা বলবেন সেইটাই করব স্যার। খোদার কসম স্যার।”  “খোদাকে টানাটানি করো না, তোমার মতন রাজাকারদের জন্য খোদার কোনো সময় নাই।” “কী করতে হবে বলেন স্যার।” এইখানে যতগুলো মানুষ হাত তুলে দাঁড়িয়ে আছে প্রথমে তাদের সবার হাত এই দড়ি দিয়ে বাঁধবে। একসাথে কোরবানী ঈদের সময় গরু যেভাবে নেয় সেইভাবে।” মানুষটা মনে হয় বুঝতে পারল না, মামা ধমক দিল, “বুঝেছ?”  “বুঝেছি।” “নাও শুরু কর। টোপন তুই সাহায্য কর। শুধু গুলি খাওয়া মানুষটাকে বাধার দরকার নাই। তাকে বাইরে নিয়ে ডাক্তার দেখাতে হবে।” মামা দড়িটা ছুঁড়ে দিল, মানুষটা তখন দড়িটা নিয়ে বাঁধা শুরু করল। দড়ি দিয়ে একজনের বাম হাত তারপর ডান হাত তারপর পরের জনের বাম হাত তারপর পরেরজনের ডান হাত এইভাবে। সবাইকে এক দড়ি দিয়ে বেঁধে ফেলা হলো। এরা ইচ্ছা করলেই এই বাঁধন খুলে ফেলতে পারবে, কিন্তু এটা করতে একটু সময় লাগবে, ওই বাড়তি সময়টা পাওয়াই মামার উদ্দেশ্য। দড়ি দিয়ে বাঁধা শেষ হবার পর মামা বলল, “এবারে সবার ট্রাউজার খুলে নাও।” বাঙালি মানুষটা থতমত খেয়ে বলল, “কী খুলে নেব?”  “ট্রাউজার। মানে প্যান্ট।”  “প্যান্ট?”  “হ্যাঁ।” “মানে ন্যাংটা করে ফেলব?” “পুরোপুরি ন্যাংটা না, ভেতরে নিশ্চয়ই আন্ডার প্যান্ট জাঙ্গিয়া এইসব আছে।” “কেন খুলে নিতে চাচ্ছেন স্যার?” “তাহলে ওরা আমার পিছু পিছু আসতে একটু সংকোচ বোধ করবে। এটা খুবই স্ট্যান্ডার্ড টেকনিক। জাঙ্গিয়া পরে মানুষজন পাবলিক জায়গায় যেতে চায় না।” “এরা একটু বেহায়া কিসিমের স্যার।”  “তবুও চেষ্টা করে দেখি।”


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৬৩ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...