বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন

বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ক্লোন

"সাইন্স ফিকশন" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ᴍᴅ. ɪǫʙᴀʟ ᴍᴀʜᴍᴜᴅ (২৫১ পয়েন্ট)



X গল্প লিখেছেন : Sayemus Suhan তুমি না মারা গেছো? – না তো। না, তুমি মারা গেছো। গত কাল, এখানেই। – কি বলছ তুমি, আমি মারা গেলে এখানে আসবো কিভাবে। আমি জানি না। কিন্তু গত কাল দেখেছি তুমি এখন যেখানে বসেছিলে, গত কাল ও সেখানেই বসে ছিলে। এরপর কাশি দিতে দিতে উঠে গেলে। তোমার নাক আর মুখ দিয়ে রক্ত পড়তে পড়তে তুমি মারা গিয়েছিলে। জানো তো, আমাদের সবাইকে কঠিন ভাবে নিষেধ করে দিয়েছিল যখন কেউ অসুস্থ হয়ে পড়বে, তখন যেন কাছে না যাই। তাকে হেল্প করার চেষ্টা না করি। যদি করি, তাহলে নিজেও ইনফেক্টেড হয়ে মারা যাবো। কে মারা যেতে চায় বল? তাই আমি তোমাকে হেল্প করতে চেয়েও হেল্প করতে পারি নি। এরপর দুইজন নভোচারীদের মত ড্রেস পরে এসে তোমাকে তুলে নিয়ে গেলো। – কি সব বলছ তুমি, তুমি কি মানসিক ভাবে অসুস্থ? না, আমি সম্পুর্ণ সুস্থ। শুধু তুমি না, এরকম আরো মানুষ মারা যাচ্ছে। মানুষ মারা যাওয়া দেখা কষ্ট কর। এদিকে মানুষ খুব কম আসে তো। তাই এদিকে এসে বসে আছি। তোমার বিশ্বাস না হলে তুমি একটু চারপাশ ঘুরে দেখে আসতে পারো। – তাই যাচ্ছি। বিকেলের দিকেও আমি এখানে থাকব। তুমি ইচ্ছে করলে আসতে পারো। – আচ্ছা। এরপর ছেলেটি চলে গেলো। এদিক সেদিক ঘুরে দেখলো মেয়েটি ঠিকই বলছে। পুরো সুস্থ মানুষ, হাঁটা চলা করে। এরপর কাশি দিতে দিতে নাক মুখ দিয়ে রক্ত বের হয়ে মারা যাচ্ছে। যে দিকে যাচ্ছে সে দিকেই এমন দেখছে। কিছুক্ষণ পর ছেলেটি নিজেও ইনফেক্টেড হয়ে মারা গেলো। গত কালের মতই। মেয়েটি বিকেলেও বসে ছিল। ছেলেটির জন্য অপেক্ষা। কিন্তু ছেলেটির ফিরল না। মেয়েটি বুঝতে পারলো, হয়তো ছেলেটি আজ ও মারা গিয়েছে। একটি ছেলে কিভাবে দুই বার মারা যেতে পারে, তাই তো? কারণ ছেলেটি ছিল ক্লোন। আরো অনেক গুলো ক্লোন রয়েছে। একটি ক্লোন মারা গেলে তার মত আরেকটি ক্লোনকে প্রস্তুত করা হয়। এবং এন্টিভাইরাস দিয়ে দ্বীপে ছেড়ে দেওয়া হয়। কারণ? কারণ পৃথিবীর মানুষ গুলো একটা ভয়াবহ ভাইরাসে আক্রান্ত। খুব দ্রুত মানুষ সব ইনফেক্টেড হয়ে মারা যাচ্ছে। কোন প্রতিষেধকই কাজ করছে না। মানব ক্লোন তৈরি করা নিষিদ্ধ, তারপর ও এখন বিজ্ঞানীরা নিরুপায় হয়ে একটি দ্বীপে মানব ক্লোন নিয়ে ভয়াবহ এই পরীক্ষা চালাচ্ছে। নিয়মিত নতুন প্রতিষেধক তৈরি করছে, এক ক্লোনে এক ধরনের প্রতিষেধক দিয়ে ছেড়ে দিচ্ছে। এরপর সবাইকে দূর থেকে মনিটরিং করছে। কোন প্রতিষেধকই কাজ করছে না। মেয়েটি এখনো বেঁচে আছে। কারণ মনে হচ্ছে মেয়েটির শরীরে দেওয়া প্রতিষেধক ভাইরাসের বিরুধে লড়াই করে জিততে পেরেছে। যা বিজ্ঞানেরই জয়। পুরো মানব সভ্যতার জয়। তা না হলে অতিশিগ্রই মানুষ নামের প্রাণী গুলো পৃথিবী থেকে হারিয়ে যেতো। না না, পৃথিবী থেকে নয়, পুরো মহাবিশ্ব থেকে।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৬০ জন


এ জাতীয় গল্প

→ সাইক্লোন – কিশোর উপন্যাস পর্ব ১
→ মাসুদ রানা - আসছে সাইক্লোন (পার্ট ২) শেষ পর্ব
→ মাসুদ রানা - আসছে সাইক্লোন (পার্ট ১)
→ ক্লোন
→ ক্লোন ষড়যন্ত্র-৪
→ ক্লোন ষড়যন্ত্র-৭(শেষ)
→ ক্লোন ষড়যন্ত্র-৬
→ ক্লোন ষড়যন্ত্র-৫
→ ক্লোন ষড়যন্ত্র-৩
→ ক্লোন ষড়যন্ত্র-২
→ ক্লোন ষড়যন্ত্র-১
→ সাইন্স ফিকশন – ক্লোন
→ সাইন্স ফিকশন – ক্লোন

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...