বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন

বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

জিজেসরা যখন নেপালে (পর্ব ২)

"ভ্রমণ কাহিনী" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ★ রোদেলা রিদা ‎★ (১৮৮ পয়েন্ট)



X আগের অংশের পর.... নেপালে এসে আমাদের খুব খুশি লাগছে। কিন্তু সমস্যা হলো নেপালি ভাষাতো আমরা বুঝি না - পারি না!ninja তবে নেপালের মানুষেরা ভয়ংকর হিন্দি পারে। হি হি হি জীবনে হিন্দি সিরিয়াল / সিনেমা দেখায় কিছুতো লাভ হলো gj এগুলো দেখায় আমি মোটামুটি হিন্দি পারি। আমাদের টিমে আরও কয়েকজনও হিন্দি পারে। তাই আমাদের সমস্যা হলো না। কিন্তু তানিম ভাইয়ার হলো। ভাইয়া তো উল্টা - পাল্টা হিন্দি বলে! ফ্লাইট থেকে নেমে যখন আমরা কাউন্টারে তখন তানিম ভাইয়া একজন নেপালির সাথে প্রথমে বাংলায় কথা বলে কিন্তু নেপালি মানুষটা তো বাংলা বুঝে না। তারপর তানিম ভাইয়া উল্টা পাল্টা হিন্দিতে কি যে বলে! নেপালি মানুষটা কি থেকে কি বুঝেছে এক পর্যায় সে রেগে যায়। গন্ডগোল পাকে যায়! তারপর রনি ভাইয়া আর মুস্তাফিজ ভাইয়া যেয়ে সব থামায়! ওদের কাহিনি দেখে আমাদের এইদিকে হাসি থামে নাlaughlaugh!! তারপর সব অফিসিয়াল কাজ মিটিয়ে, আমরা এয়ারপোর্ট থেকে বের হই! ও হ্যাঁ! আমরা তো হোটেল বুকিং করতেই ভুলেই গেয়েছি! এখন আমাদের একটা হোটেল বুকিং করতে হবে। একজন টেক্সিআলাকে রিফাত বলল, :- ভাইসাব ও হোটেল ডুননা পারেগা! যাওগে??? gj :- হা, যাউঙ্গা! চারসো লুঙ্গা! sleep :- তিনসোপে যাওগে?? :- -_- :- যাওগে কিনা বোলো??sly :- আচ্ছা চালো! -_- হোটেল খুঁজতে আমরা চলি। কিন্তু একটা হোটেল / রুমও আমাদের পছন্দ হলো না! ওই টেক্সিআলা আমাদের একি ব্লগে বারবার ঘুরাচ্ছিল! টেক্সিআলাকে মেহেদি ভাইয়া বললঃ :- এ সাপ বাদে ওর কোহি হোটেল কিয়া রুম নেহি হে???huh :- সাব কাঠমুন্ডুতে তো এসাবই হোটেল হে না! ওর কোহি হোটেলভি তো নেহি হে! sleep আমরা সবাই বুঝতে পারলাম এই লোক ধান্দাবাজ! ওনি শুধু ওনার পরিচিত হোটেলগুলোই দেখাচ্ছিল! আর আমাদের হুদায় ঘুরাচ্ছিল!pirate এমন সময় সিয়াম ভাইয়া বলল, :- চলো সবাই! আমরা বললাম, :- কই??huh :- হোটেল খুঁজবো! grin হৃদয় ভাইয়া বলল, :- আমরা নেপালে! চিনিই না কিছু! তখন বিজয় ভাইয়া বলল, :- সমস্যা নাই! সাহস থাকলে we can do anything! strong রনি ভাইয়া বলল, :- হুমম হারানোর ভালো বুদ্ধি! rolleyes সিয়াম ভাইয়া বলল, :- হারাবো কেন?unsure রেনুপি বলল, :- হারাবো না তো কি! অচেনা দেশ! কিছুই তো চিনি না! কোথায় হোটেল খুঁজতে যাবো?? pirate ইকবাল বলল, :- তাহলে উপায়? unsure সাইমন ভাইয়া আমাদের থেকে একটু দূরে গিয়ে ফোন কথা বলছিলেন, ফোনে কথা বলা শেষ করে আমাদের কাছে এসে বলল, :- হোটেলের ব্যবস্থা হয়ে গেছে! কিন্তু সেটা এখানে না থামেলে! gj ওখানে আমার এক ফ্রেন্ড আমাদের জন্য হোটেল বুকিং করে দিয়েছে! gj যাক আলহামদুলিল্লাহ! অবশেষে হোটেল পেলাম! আমাদের আর হোটেল খুঁজতে যাইতে হবে না। gj অবশ্য থামেলে আমাদের এমনিতেও যাওয়ার কথা ছিলো, ওমনিতেও যাওয়ার কথা ছিলো! একপাশ দিয়ে ভালোই হলো!gj তো আমরা সবাই থামেলে চলে আসলাম। থামেল কিছুটা পুরান ঢাকার মতো। চারদিকে দোকানে ভরা! থামেলে মনেই হচ্ছিল না যে আমরা বিদেশের মাটিতে আছি! মনে হলো তখন যখন আমরা কেনাকাটা করতে যাবো! যা দাম..... ভাভাগো ভাভা! wacko অবশ্য আমরা তখন কোনো কেনাকাটা করলাম না! কেনাকাটা করতে গেছিল জাইম ভাইয়া! জাইম ভাইয়া একটা ডিজাইনার মূর্তি কিনতে যায়, মূর্তিটা বেশ বড় ছিলো এবং খুব সুন্দর ডিজাইন করা ছিল ! ভাইয়া বুঝতেই পারছিলো মূর্তিটার দাম অনেক হবে! তাই ভাইয়া ওটা নিলো না! তারপর ভাইয়া একটা পেনটিং কিনতে চায় কিন্তু ওটারও দাম মাশাল্লাহ! wacko ভাইয়া বিক্রেতার কাছে এগুলোর কম কিছু আছে কিনা জানতে চায়! অবশেষে বিক্রেতা তাকে কোট পিন দেয়! জাইম ভাইয়া ভাবল," নেপালি কোট পিন! ছোটও আছে! দামও কম হবে নিশ্চই! এটা কিনা যায়!" ভাইয়া বিক্রেতাকে জিজ্ঞেস করল, :- Excuse me, How much for this?? :- 600 rupi! জাইম ভাইয়ার আর কিছু বলার নাই! এই থেকে আমরা বুঝতে পারি আমরা যদি ঠিকভাবে দরদাম না করি তাহলে আমাদের বাংলাদেশে আর ফিরা হবে না! নেপালেই আমাদের ভিক্ষা করতে হবে! ninja অবশেষে থামেলে আমরা হোটেলে আসলাম! gj এখানে সিয়াম ভাইয়া ক্রাশ খাইলো সেই হোটেল এর রিসেপশনিস্ট এর উপর! rolleyes সিয়াম ভাইয়া যেয়ে তাকে জিজ্ঞেস করে, :- আপকা নাম কেয়া হ্যা??lovely :- জি, সামিরা! gj আর তখন থেকে সিয়াম ভাইয়ার মাথায় একটাই চলে " ইয়ে সামির.... মান যা...." সিয়াম ভাইয়া শুধু সামিরাকে নিয়েই ব্যাস্ত! আমরা যে একটা টিমে আসছি সিয়াম ভাইয়ার সেইদিকে পাত্তাই নাই!!pirate সেইদিন আমরা সবাই ক্লান্ত ছিলাম তাই আর কোথাও ঘুরলাম না! পরেরদিন ফজরের নামাজ পড়ে শুরু হলো আমাদের ঘুরাঘুরি! সবাই মিলে আমরা থামেলে ঘুরলাম। দুর্বার স্কয়ার, ভাঘতাপুরসহ বিভিন্ন জায়গায় ঘুরলাম! এটা যেহেতু হিন্দুপ্রধান দেশ এবং বৌদ্ধদেরও প্রাধান্য দেয়া হয় তাই এখানে অনেক মন্দির ও বৌদ্ধবিহার আছে, সেগুলোও পরিদর্শন করলাম! থামেলে আমরা দুইদিন থাকলাম! তেমন কিছু কেনাকাটা করলাম না! বাংলাদেশ ফেরার আগের দিন এখানে এসে কেনাকাটা করব! এবার আমরা এখান থেকে পোখারা যাবো।..... ..চলবে........ (ভুল-ত্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন প্লিজ)


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৩৬০ জন


এ জাতীয় গল্প

→ জিজেসরা যখন নেপালে শেষ পর্ব
→ জিজেসরা যখন নেপালে (পর্ব ৩)
→ জিজেসরা যখন নেপালে (পর্ব - ১)

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...