বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
৮.
সময় পেরিয়ে যাচ্ছে। বন্দী দুজনের দিকে কড়া
নজর রেখেছে কুর্ট আর লিন । অপেক্ষা করছে।
কখন পুলিশ নিয়ে আসে ন্যান্সি। আচ্ছা,
ওরা কি ঠিকমত বাড়ি যেত পেরেছে,
দাদুকে ডেকে তুলে তাকে দিয়ে পুলিশকে
টেলিফোন করাতে পেরেছে? পুলিশ কি
এসেছে? কথা বলেছে ওদের সাথে? ওরা
কি পুলিশকে ব্যাপারটা বিশ্বাস করাতে
পেরেছে? কুটের মাথায় নানা চিন্তা ঘুরতে
থাকে। এদিকে মনের ভেতর একটু চাপা শঙ্কা
কাজ করছে। গুপ্তধনের খোঁজে যাওয়া মাদক
চক্রের নেতা ও তার সাথীরা যদি পুলিশ আসার আগেই
ফিরে আসে তখন কি হবে? সে ও লিন তাদের অতগুলাে লােককে কাবু করতে করতে
পারবে না। সে প্রশ্নই আসে না। এখানে বিপুল পরিমাণ হেরােইন ও কোকেন রয়েছে ।
এই ভয়ঙ্কর মাদক পাচারের কাজ করছে এ লােকগুলাে। তারা বহু টাকা আয় করছে এর
মাধ্যমে, কিন্তু চরম ক্ষতি করছে মানুষের বিশেষ করে কিশাের-তরুণরাও এখন মাদকের
নেশায় আক্রান্ত হচ্ছে। আর মূল্য যাই হােক, সব জায়গাতেই মাদক মেলে । এত আইন,
এত কড়াকড়ি- তার মধ্যেও মাদক ব্যবসা কিভাবে চলে এক বিরাট রহস্য। কুর্ট নিয়মিত খবরের কাগজ পড়ে। সব না হলেও অনেক খবরই রাখে সে । সে অনুমান করে
যে এই নির্জন সমুদ্রসৈকতের গুহাগুলাে বেছে নেয়ার কারণ আছে। বিশেষ যােগাযােগের
মাধ্যমে এই মাদক চক্র জাহাজের মাধ্যমে এগুলাে আনে। এটাই সবচেয়ে নিরাপদ পথ ।
জাহাজ থেকে কার্টন নামিয়ে বােটে করে এগুলাে এখানে এনে স্টক করে। তারপর
চাহিদামত সড়ক বা রেলপথে বিভিন্ন জায়গায় পাঠায়। তবে ধারা পড়ার ভয়ে তারা
একসাথে বেশি পরিমাণ মাদক কখনাে পাঠায় না। কে জানে এরা কতদিন ধরে এ কাজ
করছে আর কত তরুণ-কিশােরের জীবন ধ্বংস করে তাদের ও তাদের বাবা-মাদের সকল
স্বপ্ন নষ্ট করে দিচ্ছে।
:
হঠাৎ খড়খড় আওয়াজ কানে আসতেই চমকে ওঠে সে। কি ব্যাপার? পর মুহূর্তেই
টর্চের আলাের উদ্ভাস চোখে পড়ে। এ সময় গুহাপথে ওয়াকিটকিতে কথা শােনা যায় ।
কে যেন জিজ্ঞেস করছে- রজার বলছি । তােমরা কি পৌছে গেছ? এদিক থেকে জবাব
দেয় কেউ- চার্লি বলছি। আমরা গুহায় পৌছে গেছি।
এ সময় ওদের কাছে দৌড়ে আসে ন্যান্সি আর ডেভ । তাদের সাথে তিনজন পুলিশ
অফিসার। ন্যান্সি কুর্টকে বলে-
ঠিক আছিস তাে তােরা?
তার জবাবের অপেক্ষা না করে কুর্টকে টেনে নিয়ে যায় ইন্সপেক্টর ন্যাশফিল্ডের দিকে।
পরিচয় করিয়ে দেয় তাদের
: মি. ন্যাশফিল্ড! এই হচ্ছে কুর্ট । আর কুর্ট, ইনি অফিসার ন্যাশফিল্ড ।
ন্যাশফিল্ড কুর্টের কাছ থেকে সংক্ষেপে সম্পূর্ণ পরিস্থিতির একটি ধারণা নেন। মাদক
চক্রের আটক দু' সদস্যকে দেখিয়ে দেয় সে। সঙ্গী অফিসাররা দু’জনের বাঁধন খুলে
হাতকড়া পরিয়ে দেন। সবাই গিয়ে জড়াে হয় । বড় গুহায় । এর মধ্যে হপকিন্সও পৌছে
যান । এক নজর দেখেই কুর্টকে চিনে ফেলেন তিনি। কেউ পরিচয় করিয়ে দেয়ার আগেই
তার কাছে এগিয়ে যান।
: হ্যালাে ব্রেভ বয়! আমি পুলিশের সহকারী কমিশনার জন হপকিন্স । ঠিক আছ তাে
তুমি?
জবাবে মাথা বাড়ে কুর্ট। হপকিন্স হ্যান্ডশেক করেন তার সাথে । পুলিশ অফিসারের
হাতে বেশ জোর আছে, বুঝতে পারে কুর্ট। এ সময় তার চোখ পড়ে হাতকড়া পরানাে
মাদক চক্রের আরাে দু’সদস্যের দিকে। আরে, এ দু'জন না ড্রাগন দেখে পালিয়ে
গিয়েছিল! কুর্টকে তাদের দিকে অবাক চোখে চাইতে দেখে হপকিন্স বলেন-
: ওদের আমরা রাস্তার দিকে গুহার প্রবেশপথ থেকে আটক করেছি। এখন এখানে
কি অবস্থা বল।
কুর্ট তাকে গােটা পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করে। ইঙ্গিতে দেয়ালের গায়ে সারি দিয়ে রাখা
কোকেন ও হেরােইনের প্যাকেটগুলাে দেখায়। কয়েকজন পুলিশ অফিসার ছুটে যান।
সেদিকে।
এবার আসল সমস্যা। তা হলাে, মাদক চক্রের নেতাসহ তার গােটা দলকে আটক
করা । কুর্টের কাছ থেকে গুপ্তধনের গুহার দিকে যাওয়ার পথটা জেনে নেন হপকিন্স । ’জন পুলিশকে গুহাপথে একটু এগিয়ে গিয়ে অবস্থান নেয়ার জন্য বললেন তিনি।
এদিকে একটু কাজ সারবেন তিনি। ততক্ষণে মাদক চক্রের লােকজন যদি ফিরে আসে
তাহলে সতর্ক করে দেবে তারা।
চার বন্দীকে ঘিরে ধরে পুলিশরা। ভয়ে মুখ শুকিয়ে গেছে তাদের। কঠিন স্বরে
হপকিন্স বলেন-
: পরিস্থিতিটা তােমরা বুঝতে পারছ নিশ্চয়ই। অতএব কৌশল খাটানাের চেষ্টা করে
লাভ হবে না। আপাতত অল্প কিছু প্রশ্নের জবাব দাও।
কিছুক্ষণের মধ্যেই এ মাদক চক্রের সব খোঁজখবর জানা হয়ে গেল । এ মাদক চক্রের
নাম ডেল্টা কার্টেল । তাদের নেতার আসল নাম জানে না কেউ, নিরাপত্তার স্বার্থেই নাকি
জানানাে হয় না। সবাই তাকে রেড অ্যারাে বলে জানে। ডাকে বস বলে। এবার কুট
জিজ্ঞেস করে-
: আচ্ছা, গুপ্তধনের ব্যাপারটা কী?
চারজনের মধ্যে একজন মাত্র ব্যাপারটা বলতে পারল । সে যা শুনেছে সে গল্পটি এই
যে, আঠারাে শতকের মাঝামাঝি জলদস্যুদের একটি দল বিভিন্ন জাহাজ থেকে লুণ্ঠন করা
ধনরত্ব নিয়ে ঘটনাচক্রে এ সৈকতের কাছে এসে পৌছে। তখন এদিকে লােক বসতি ছিল
না। জলদস্যু নেতা ধনরত্নগুলাে এখানকার গুহার ভেতরে আপাতত লুকিয়ে রাখার
সিদ্ধান্ত নেয়। তারা এ গুহাটি নির্বাচন করে। কারণ, এ গুহাটি ছিল বিরাট । আর এর
ভেতরে ছিল আরে কিছু গুহা যা সাধারণত দেখা যায় না। একটি ছােট গুহা বেছে নেয়।
তারা। তার মেঝে খুঁড়ে ধনরত্নগুলাে একটি বড় আবলুস কাঠের বাক্সে ভরে মাটি চাপা
দেয়া হয়। আবলুস কাঠ সহজে পচে না। মােট পাঁচজন জলদস্যু এ বিষয়টি জানত।
সাথীদের নিয়ে জলদস্যু ক্যাপ্টেনের এক বছর পর এখানে ফিরে আসার কথা ছিল। কিন্তু
তা আর হয়নি। কিছুদিন পর ইংল্যান্ডের এক যুদ্ধ জাহাজের সাথে যুদ্ধে জলদস্যু নেতাসহ
অনেকে নিহত হয়। বাকিরা আটক হয়ে জীবনের শেষদিন পর্যন্ত কারাগারে কাটায়।
তাদের মধ্যে সেই পাঁচজনের একজনও ছিল । গুরুতর অসুস্থতার কারণে মৃত্যুর কিছুদিন
আগে সে মুক্তি পেয়ে বাড়িতে শেষদিনগুলাে কাটায়। ধারণা করা হয় যে সেই গুপ্তধনের
গুহার একটি নকশা এঁকেছিল । তারপরই কিছু লােক গুপ্তধনের কথা জানতে পারে । কিন্তু
কেউ তা খুঁজে পেয়েছে কিনা তা কেউ জানে না। আদৌ গুপ্তধন এখানে আছে কিনা তাও
কেউ জোর দিয়ে বলতে পারে না। এই মাদক চক্রের নেতা কিভাবে যেন এ গুপ্তধনের
কথা জানতে পারে। তার কাছে নাকি গুপ্তধন যে গুহায় রাখা তার একটি হাতে আঁকা
পুরনাে নকশা আছে। তা নিয়ে এর আগে সে গুপ্তধনের সম্ভাব্য গুহাটি চিহ্নিত করেছে।
আজ তা উদ্ধার করতে গেছে ।
একটু পরই হপকিন্স তার পুলিশ দল নিয়ে কথিত গুপ্তধনের গুহার দিকে অগ্রসর
হলেন। তাদের সবার হাতে শক্তিশালী টর্চ ও পিস্তল। মাদক চক্রের আটক চার সদস্যকে।
সামনে রাখা হলাে। কুর্টদের চারজনকেও সাথে নিলেন তিনি। বলা যায় না, গােলাগুলি
হতে পারে। তাই ওদেরকে রাখলেন দলের মাঝামাঝি । কারণ, তাদের অন্তত চারজনের
কাছে পিস্তল আছে বলে আটক লােকগুলাে জানিয়েছে। ইতােমধ্যে জেনে নিয়েছেন যে
গুপ্তধনের কথিত গুহায় যাবার একটিই পথ । সে গুহা থেকে অন্যদিকে যাবার উপায়
নেই। দস্যুদের যেহেতু পালানাের পথ নেই তাই তাদের আটক করতে খুব একটা সমস্যা
হবে না বলেই মনে হলাে তার। টর্চের আলাে জ্বেলে এগােতে শুরু করলেন তারা।
দেখানাে পথে কিছুটা পথ এগােতেই কয়েকজন লােককে এগিয়ে আসতে দেখা
গেল। দু'তিনজনের হাতে মশাল । মুহূর্তের মধ্যে সিদ্ধান্ত নিলেন হপকিন্স। আটক
চারজনসহ পুলিশদের নিয়ে নিঃশব্দে অন্ধকারের মধ্যে একটু পিছিয়ে যান। এখানে
জায়গাটি খানিকটা প্রশস্ত । চাপা গলায় খুব দ্রুত কিছু নির্দেশ দিলেন তিনি। পুলিশ
সবাই চোখের পলকে অর্ধচন্দ্রাকারে দাঁড়িয়ে অবস্থান নিলেন। মাঝখানে সামনে রাখা
হলাে চার বন্দীকে। ততক্ষণে কথা বলতে বলতে একেবারে কাছে এগিয়ে আসে মাদক
চক্রের সদস্যরা। হপকিন্সের চাপা গলার নির্দেশের, সাথে সাথে পুলিশদের তেরােটি
টর্চলাইট এক সাথে জ্বলে ওঠে। এতগুলাে শক্তিশালী টর্চের আলােয় চারদিক দিনের
আলাের মত আলাে হয়ে ওঠে। হতভম্ব হয়ে পড়ে ডেল্টার সদস্যরা। গর্জে ওঠেন
হপকিন্স-
: হ্যান্ডস আপ!
বিনা বাক্যব্যয়ে হাত ওপরে তােলে সবাই। সবাইকে ঘিরে ফেলেন অফিসাররা।
মাদক চক্রের চারজনের হাতে পিস্তল ছিল। তাদের হাত থেকে নিয়ে নেয়া হয় সেগুলাে ।
রেড অ্যারােকে জিজ্ঞেস করেন হপকিন্স-
: তা মি. বস, গুপ্তধন কোথায়? খুঁজে পেয়েছ কি?
জবাব দেয় না সে। সবাইকে সার্চ করার নির্দেশ দেন হপকিন্স ।
ডেল্টার দুই সদস্যের কাছে দু’টি ছুরি পাওয়া যায়। দু'জনের কোমরে গোঁজা ছিল।
কিন্তু তথাকথিত গুপ্তধনের সন্ধান মেলে না। হপকিন্স বুঝতে পারেন, কোথাও কোনাে
গােলমাল হয়েছে । কৌতূহল বাড়ে তার। কিন্তু এরা কেউ কথা বলছে না। একটা কৌশল
নেন তিনি। সবাইকে নিয়ে চলে আসেন বড় গুহাটায়। তারপর মাদক চক্রের এক
সদস্যকে ঝট করে আলাদা করে ফেলেন। দু'জন অফিসারকে বলেন- সাইজ করুন
ওকে।
নির্দেশ পাওয়ার সাথে সাথে দু'জন অফিসার এগিয়ে গিয়ে জাপটে ধরেন তাকে।
টেনে নিয়ে যেতে থাকেন এক কোণে । পুলিশের সাইজ করার মানে কী, সে ব্যাপারে
লােকটির ধারণা আছে বােঝা গেল। ভীত গলায় বলে ওঠে সে-
: আমাকে ছেড়ে দিন। সব বলছি ।
তাকে হপকিন্সের কাছে হাজির করেন অফিসাররা।
লােকটির কাছ থেকে জানা গেল, বসের নির্দেশে গুহা খোঁড়াখুঁড়ি করেছে তার
অনেকক্ষণ ধরে, কিন্তু কিছুই মেলেনি । মনে হয়, বসকে ভুয়া তথ্য দিয়ে ঠকিয়েছে কেউ
গুপ্তধন না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরে আসছিল তারা। এত পরিশ্রম করেও কিছু না পাওয়ায়
সবার মন-মেজাজ খারাপ। তাই সতর্কতা তেমন ছিল না তাদের। সে জন্যই ধরা পড়ে
গেছে। নইলে তারা ধরা পড়ত না।
হপকিন্স বলেন-
: ধরা যখন পড়েছ তখন কপালে দুঃখ আছে । সারাজীবন আর জেল থেকে বেরােতে
হবে না।
কয়েকজন অফিসার হেরােইন-কোকেনের স্তুপীকৃত প্যাকেটগুলাে খুলে অকুস্থলে
একটি সিজার লিস্ট তৈরি করেন। এতে কিছুটা সময় লাগে। ইতােমধ্যে ওয়াকিটকিতে
পুলিশ কমিশনারকে ঘটনার একটা তাৎক্ষণিক রিপাের্ট দিয়েছেন হপকিন্স। বিশেষ করে
কুর্ট ও তার খুদে বাহিনীর জন্যই যে মাদক চক্রকে ধরা সম্ভব হয়েছে সে কথা
জানিয়েছেন। শুনে কমিশনার অবাক হয়ে বলেছেন, তাই নাকি?
সিজার লিস্ট তৈরি হয়ে গেছে। সব হেরােইন- কোকেনসহ কড়া পাহারায় মাদক
চক্রের সদস্যদের নিয়ে রাস্তার দিকটায় বেরিয়ে আসেন হপকিন্স। এদিকে আরাে কিছু
পুলিশ এসে তাদের জন্য অপেক্ষা করছিল। হঠাৎ এসকর্টসহ একটি গাড়ি এসে থামে ।
হপকিন্স অবাক হয়ে দেখলেন, পুলিশ কমিশনারের গাড়ি। নেমে এলেন পুলিশ কমিশনার
জিম হারবার্ট। বুঝতে পারলেন, মাদক চক্রকে আটক করার খবর পেয়েই কমিশনার
এসেছেন। এটা একটা গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, কিন্তু এত গুরুত্বপূর্ণ নয় যে স্বয়ং পুলিশ
কমিশনারকে আসতে হবে । ততক্ষণে কাছে এসে দাঁড়িয়েছেন তিনি। জন হপকিন্সকে
আগে থেকেই চেনেন । বললেন-
: কংগ্ৰাট হপকিন্স । আপনি ও আপনার অফিসাররা খুব ভালাে কাজ করেছেন। কিন্তু
আমি যে জন্য এলাম, তারা কই?
মুহূর্তে হপকিন্সের কাছে পরিষ্কার হয়ে যায় ব্যাপারটা। তার ডাকে কুর্টরা সবাই
এগিয়ে আসে কাছে। কিছুক্ষণ আগেই সে ও ন্যান্সি তাদের কাছে থাকা পিস্তল দু’টি তুলে
দিয়েছে হপকিন্সের কাছে। তিনি ওদের দিকে তাকিয়ে বলেন-
: এই যে স্যার! এ হচ্ছে কুর্ট, সাথে তার বাহিনীর সদস্যরা- ন্যান্সি, লিন ও ডেভ ।
জানেন স্যার! ওরা চারজন আপন ভাইবােন ।
: তাই নাকি! অবাক হন হারবার্ট । তারপর হাসিমুখে হাত বাড়িয়ে দেন কুর্টের দিকে।
বলেন-
: সাহসী ছেলে তুমি!
তারপর হ্যান্ডশেক করেন ন্যান্সি, লিন ও ডেভের সাথে । ডেভের দিকে চেয়ে বিস্ময়ের
সাথে বলেন-
: ভয় পাওনি তুমি ইয়ং বয়!
ঝটপট উত্তর দেয় ডেভ-
: একটুও না ।
চলবে....
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now