বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন

বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

বিশ্বের সবচেয়ে বড় পরিবারের কর্তা

"ভিন্ন খবর" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান তুষার কবির (০ পয়েন্ট)



X তিনিই পৃথিবীর সবচেয়ে বড় পরিবারের কর্তা। কারণ দুই বা তিনজন নয়, বরং তার স্ত্রীর সংখ্যা ৩৯ জন। শুধু তাই নয়, তার আরও আছে ৯৪ জন সন্তান-সন্ততি, ১৪ পুত্রবধূ এবং ৩৩ নাতি-নাতনি। তবুও খায়েশ মেটেনি এরই মধ্যে সবচেয়ে বড় পরিবারের কর্তা হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়া এ ব্যক্তির। জীবনের এই অন্তিম মুহূর্তে এসেও তিনি আরো স্ত্রী চান। জনসংখ্যা সমস্যার এ যুগে নির্লিপ্ত, বেখবর এ অশীতিপর বৃদ্ধের নাম জিওনা চানা। বসবাস করেন ভারতের মিজোরাম প্রদেশের বাকতোয়াং গ্রামে। ১০০ ঘর বিশিষ্ট একটি চার তলার বিশাল ভবনে তিনি স্ত্রী-পুত্র নিয়ে বসবাস করেন। তার পরিবারের মোট সদস্য ১৮১ জন। বাড়িটি দেখলে একটি হোটেল বলে মনে হবে। ১০০ কক্ষের এ জিওনা ম্যানসন বাকতোয়াং গ্রামের পাহাড়ি এলাকায় কংক্রিট নির্মিত সবচেয়ে বড় অবকাঠামো। ‘আজ নিজেকে ঈশ্বরের বিশেষ সন্তানের মতো মনে হচ্ছে। তিনি এতো লোকের দায়-দায়িত্ব আমার কাঁধে দিয়েছেন। বিশ্বের সবচেয়ে বড় পরিবারের প্রধান এবং ৩৯ স্ত্রীর স্বামী হতে পেরে আমি নিজেকে খুব ভাগ্যবান মনে করি। ’ এভাবেই সান নামের সংবাদপত্রের কাছে নিজের অভিব্যক্তি জানান চানা এ বিশাল আকৃতির পরিবারে আছে পুরোপুরি সামরিক শৃঙ্খলা। অন্যান্য বউদের নিয়ে রান্না-বান্না এবং ধোয়ামোছাসহ পরিবারের সকল কাজের তত্ত্বাবধান করেন চানার বড় স্ত্রী জাথিয়াঙ্গি। এক বেলা খাাবারের জন্য তাদের একবারে প্রয়োজন হয় ৩০টি মুরগী, ১৩২ পাউন্ড আলু এবং ২২০ পাউন্ড চাল। রান্নার জন্য এক রকম ছোটখাট একটা কর্মযজ্ঞই করতে হয় তাদের। কিন্তু এটাই শেষ নয়। বরং পরিবারটির আরও বড় হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। কারণ চানার গোত্রের যে কেউ চাইলেই যতো খুশি স্ত্রী গ্রহণ করতে পারে। এমনকি একসঙ্গে একাধিক হলেও বাধা নেই। চানা নিজেও এক বছরের মধ্যে ১০টি বিয়েও করেছেন। কিন্তু যখন তিনি একা বড় একটি বিছানায় থাকেন তখন তার সব স্ত্রী একসঙ্গে বহু শয্যাবিশিষ্ট একটি শয়ন কক্ষে রাত্রি যাপন করেন। তবে সবচেয়ে ছোট স্ত্রীকে তিনি সব সময় তার ব্যক্তিগত কক্ষের একটি কাছের কক্ষেই রাখেন। আর একটু বেশি বয়স্ক অন্য স্ত্রীরা অনেকটা দূরে অবস্থান করেন। তবে পালাক্রমে তাদের সবাই একবার করে তাদের মহান এ স্বামীর সাক্ষাতের সুযোগ পান। চানার ৩৫ বছর বয়সী স্ত্রী রিঙ্কমিনি বলেন, বাড়ির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হওয়ার কারণে আমরা সব সময় তার আশপাশেই থাকার চেষ্টা করি। চানা এ গ্রামের সবচেয়ে সুদর্শন পুরুষ। ’ বিয়ের কথা বলতে গিয়ে রিঙ্কমিনি বলেন, ‘আজ থেকে ১৮ বছর আগে সকালে হাঁটতে বের হয়ে চানার সঙ্গে আমার দেখা হয়। এরপর চানাই আমাকে চিঠিতে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। ’ আরেক স্ত্রী হুনথারনঘানকি বলেন, ‘পরিবারের সবাইকে নিয়ে আমরা ভালই আছি। পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও ভালবাসার দৃঢ় বন্ধনে আবদ্ধ আমাদের পরিবার। ’ চানা আবার তার ধর্মীয় গোত্রের ৪০০ সদস্যেরও প্রধান। তিনি জানান, এখনো তিনি নতুন স্ত্রীর সন্ধান করছেন। গোত্রের সম্প্রসাসরনের জন্য এমনকি নতুন বিয়ের জন্য যুক্তরাষ্ট্রেও যাওয়ার ইচ্ছা আছে তার। তথ্য সূত্র: banglabews24.com


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৮৬ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...