বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
তিতুনি এবং তিতুনি পার্ট ৯৪
"মজার গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ʀɪᴍᴜ (০ পয়েন্ট)
X
“কারণ সে তোমার কাছে এলিয়েন। আমার কাছে মানুষ। খালি মানুষ না, সে পুরোপুরি আমি। আমি আমার পক্ষে থাকব না কি
তোমার পক্ষে থাকব?” নাহার কী বলবে বুঝতে পারছিল না, তিতুনি বলল, “এখন তো
জেনে গেছ কে মানুষ কে এলিয়েন। সমস্যাটা কী?" “দেরি হয়ে গেছে।”
তিতুনি চমকে উঠে জিজ্ঞেস করল, “সে কি চলে গেছে?”
“না, এখনো যায়নি। কিন্তু সে একটা শক্তি গেছে, তাকে আর আমরা ছুঁতে পারব না।" য়ের মাঝে ঢুকে
তিতুনি তার মাথা ঝাকিয়ে বলল, “আমাকে ছেড়ে দাও। আমি ওকে দেখব-কথা বলব।”
নাহার বিদেশি দুটোর দিকে তাকিয়ে বলল, “এখন এই মেয়েটাকে শুধু শুধু আটকে রেখে কী হবে? একে ছেড়ে দিই?”
ন্যাড়া মাথা বিদেশিটার মুখটা দেখতে দেখতে কেমন জানি নিষ্ঠুর হয়ে যায়। সে মাথা নাড়ল, বলল, “না। এখন এই মেয়েটা হচ্ছে আমাদের শেষ অস্ত্র। এই মেয়েটাকে ব্যবহার করে আমাদের শেষ চেষ্টা করতে হবে।”
“কীভাবে শেষ চেষ্টা করবে?” “এটমিক ব্লাস্টার ।”
নাহার আর শামীম একসাথে ভয় পাওয়া গলায় চিৎকার করে
উঠল, “এটমিক ব্লাস্টার?” “হ্যা। এখন আর মেপে মেপে স্যাম্পল নেয়ার সময় নেই।
এটমিক ব্লাস্টার দিকে এলিয়েনটাকে ছিন্নভিন্ন করে দিব, তখন তার
ছিন্নভিন্ন অংশটা হবে আমাদের স্যাম্পল।” শামীম আর নাহার এমনভাবে ন্যাড়া মাথা বিদেশিটার দিকে তাকিয়ে রইল যে দেখে মনে হলো তারা তার কথা বুঝতে পারছে না। শামীম খানিকক্ষণ ইতস্তত করে বলল, “কিন্তু এলিয়েনটা শক্তিবলয়ের
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now