বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
তিতুনি এবং তিতুনি পার্ট ৬৭
"মজার গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ʀɪᴍᴜ (০ পয়েন্ট)
X
“আমি কী?”
দিলু বলল, “আমি বিছানা হিস্যু করে দিয়েছি।” “তুইও? নাদু দিলুর কথা শুনে বিরক্ত না হয়ে কেমন যেন খুশি
হয়ে উঠল।
দিলু কাঁদতে কাঁদতে বলল, “তোমার জন্যে।"
“আমার জন্যে?”
“হ্যা। আমি স্বপ্ন দেখলাম, তুমি আমাকে ধরে বাথরুমে নিয়ে বললে, কর হিস্যু কর আর আমি হিস্যু করে দিয়েছি।” নাদু বলল, “কাঁদিস না। আমারও বিছানায় হিস্যু হয়ে গেছে।”
দিলু মুহূর্তে কাঁদা বন্ধ করে বলল, “তোমারও?”
নাদু বলল, “হ্যা। আমারও।" গভীর রাতে দুই ভাইয়ের কথা শুনে টোটনেরও ঘুম ভেঙে গেছে। সে কাঁদো কাঁদো গলায় বলল, “আমারও।” তখন তিনজন বিছানায় বসে অন্ধকারে একজন আরেকজনের দিকে তাকিয়ে থাকে। এটা কী হলো? সকালে তারা বাসার সবার সামনে মুখ দেখাবে কেমন করে? যেদিন তারা তিনজন মিলে ঠিক
করেছে তিতুনিকে একটা শিক্ষা দেবে সেদিন উল্টো তাদের তিনজনের একটা উল্টো শিক্ষা হয়ে গেল? এর থেকে বড় হৃদয়বিদারক ঘটনা আর কী হতে পারে? এ রকম কাকতালীয় ঘটনা কি আগে কখনো ঘটেছে? ভবিষ্যতে কখনো ঘটবে? তিতুনি যখন সকালবেলা এটা আবিষ্কার করবে তখন আত্মহত্যা করা ছাড়া তাদের আর কি কোনো গতি আছে?”
ভোরবেলা ব্যাপারটা নিয়ে বাসায় ছোটখাটো একটা উত্তেজনা হলো, তিনজন শুনল মিলু ছুটে গিয়ে তিতুনিকে খবরটা দিচ্ছে। “তিতুনি আপু কি হয়েছে জানো?”
“কী হয়েছে?”
“ভাইয়া, ছোট ভাইয়া আর টোটন ভাইয়া একসাথে বিছানায় পিশাব করে দিয়েছে। গন্ধে ঘরে যাওয়া যায় না।”তিনজনই এই সময়ে তিতুনির গলা থেকে একটা আনন্দধ্বনি শোনার অপেক্ষা করছিল, কিন্তু সেটা শুনল না, উল্টো শুনল তিতুনি বলছে, “শ-স-স-স! মিলু এটা নিয়ে কোনো কথা বলো না। ইচ্ছে করে তো করেনি- হঠাৎ হয়ে গেছে, তারা তো বড় হয়ে গেছে, কিছু একটা নিশ্চয়ই কারণ আছে। হয়তো ঘুমানোর আগে বেশি পানি খেয়েছিল। তাদের কোনো দোষ নাই।”
“দোষ নাই?” “না। ভান করো তুমি কিছু জানো না। আমি কিছু জানি না। মানুষকে কখনো লজ্জা দিতে হয় না।” মিলু খুবই অনিচ্ছার সাথে বলল, “ঠিক আছে।”
নাদু, দিলু আর টোটন ঘরে বসে একজন আরেকজনের মুখের দিকে তাকায়। একজন যদি আরেকজনকে লজ্জাই না দিবে তাহলে কী দেবে? কী বলে তিতুনি?
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now