বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
নতুন করে ভালোবাসার গল্প লেখা,
---
উৎসর্গ :- অামার ছোট দুই বোন, ফারজানা অাক্তার হাসি অার ফাতেমা অাক্তার কে।
---
সকাল এগারোটা বাজে এসেছি পার্কে এখন বারোটা বাজে
এক ঘন্টা ধরে অপেক্ষা করছি মায়ার জন্য। ( মায়া অামার গার্লফ্রেন্ড ) কিন্তু তার অাসার কোন খবর নাই।
সকালে ফোন করে বলছিলাম দেখা করবো, এগারোটায় পার্কে এসে হাজির হতে। অার এখন বারোটা বেজে গেছে কিন্তু তার অাসার সময় হয়নি। অনেক বার কল ও করছিলাম তার মোবাইল বন্ধ করে রেখেছে।
---
হঠাৎ মায়ার ফোন, ফোন রিসিভ করলে মায়া বলে, অাজকে দেখা করতে অাসতে পারবে না।তার কি জরুরী কাজ অাছে। তখনি মেজাজ টা খারাপ হয়ে যায়। যখন দেখা করতে পারবে না, সেটা অাগে বলে দিলে পারতো। এক ঘন্টা অপেক্ষা করিয়ে,
এখন বলছে সে অাসতে পারবে না। এটা কোনো কথা হলো।মায়াকে মনে মনে হাজার টা গালি দিয়ে বাসায়
দিকে হাঁটা ধরলাম।
---
দুপুর একটা বাজে রোদে পুড়ে বাসায় এসে রুমে ঢুকতে গিয়ে দেখি, অামার রুম ভত্তি মেয়ে।তা দেখে মেজাজ অারো খারাপ হয়ে যায়। অামি রুমে না ঢুকে অাম্মুর কাছে গিয়ে বলি, মা অামার রুমে মেয়ে গুলো কে। অামার রুমে কি করছে তারা। মা বললো, ফারজানা অার ফাতেমার স্কুল থেকে এসেছে তাদের বান্ধবী।
( ফারজানা অার ফাতেমা দুইজনে অামার ছোট বোন)
তখন অামি একটু রেগে গিয়ে মা কে বললাম,কি অাজব তাদের স্কুলের বান্ধবী অাসছে, তাদের রুমে না বসতে দিবেন, অামার রুমে কেনো যাবে তারা।
মা তখন বলে , ঘরের মধ্যে তোর রুমটাই বেশি সুন্দর, সব কিছু সাজানো গোছানো তাই তোর রুমে বসতে বললাম। অার ওরা কি রোজ রোজ তাদের বান্ধবীদের বাসায় নিয়ে অাসে নাকি। ওরা একটু পরে চলে যাবে তুই অামার রুমে গিয়ে কিছুক্ষণ বস।
---
অামি অার কোন কথা না বলে অাম্মুর রুমে বসে
বসে মোবাইলে গেমস খেলছিলাম।
কিছুসময় পর মা এসে বললো মেয়ে গুলো চলে গেছে,
তারপরে অামি অামার রুমে গেলাম, রুমে ঢুকে দেখি পুরো রুমটা এলোমেলো করে রাখছে। হঠাৎ চোখ পড়লো টেবিলের ওপর রাখা অামার গল্পের ডায়েরীর দিকে। সকালে তো আমি ডায়েরী টা ব্যাগে ঢুকিয়ে রাখছিলাম,
তবে এটা টেবিলের ওপর কেনো ।ডায়েরী টা হাতে নিয়ে দেখি ডায়েরীর কয়েকটা পাতা ছেঁড়া, অামার বুঝতে বাকি রইলো না।
এই সব মেয়ে গুলোর কাজ। তখন আমার রাগ মাত্রাতিরিক্ত বেড়ে গেল।চিত্কার করে মাকে ডাকলাম।আমার চিত্কারে মা হতভম্ব হয়ে ছুটে এসে বললো কিরে কি হয়ছে । অামি বললাম, মা তোমার মেয়েরা এগুলো কি শুরু করছে। পুরো রুমটা কে এলোমেলো করে রাখছে, ডায়েরীর কয়েকটা পাতা ছেঁড়ে ফেলছে । মা তখন বলে, এতে এতো রাগ করার কি অাছে, অামি এখনি রুমটা গুছিয়ে দিচ্ছি, অার ডায়েরী তো অাছে,সেটা তো নিয়ে যাইনি, হয়তো দুই একটা পাতা ছেঁড়ে নিছে তাদের বান্ধবী। এতে রাগ করার কি অাছে।
---
অামি তখন জোরে জোরে বললাম, রাগ করবো না তো কি করবো , গতকাল দুই ঘন্টা ধরে বসে কতো সময় নষ্ট করে গল্প দুইটা লেখলাম অার তাদের বান্ধবী গুলো অামার সেই গল্প ডায়েরী থেকে নিয়ে যায়।
মা তখন বলে, এতে ওদের কি দোষ, ওরাতো জানে না,
বলতেও পারবে না।
অাামি বললাম, ওদের দোষ না তাহলে কার দোষ,অাপনার মেয়েরা যদি তাদের বান্ধবীদের বাসায় নিয়ে না অাসতো তাহলে রুমের এই অবস্থা হতো না অামার ডায়েরী টাও ঠিক থাকতো। এই বলে বাসা থেকে রাগ করে বের হয়ে অাসি। বাসা থেকে বের হবার সময় দেখি অাম্মুর রুমের দরজার পাশে দাঁড়িয়ে ভয়ার্ত চোখে আমার দিকে তাকিয়ে আছে ফারজানা অার ফাতেমা । মা কয়েকবার পিছন থেকে ডাক দিয়ে বলে, কিরে কোথায় যাস দুপুরের খাওয়ার খেয়ে যা ।অামি তখন বলি,অাজকে অার খাবো না , অাপনার মেয়েদের কে খেতে বলেন।
---
বাসা থেকে বের হয়ে মার্কেটে এসে একটা চায়ের দোকানে বসলাম, রাগ করে দুপুরে অার খাওয়া হয়নি এখন খুব খিদে লেগেছে।তাই দোকান থেকে একটা কলা অার পাউরুটি নিয়ে খেতে লাগলাম, হঠাৎ অামার নজর গেলে দোকানের পাশে। দেখি কালিয়া দাঁড়িয়ে অাছে, অামি কলা পাউরুটি খাচ্ছি তার দিকে তাকিয়ে অাছে। অাসলে তার নাম কালিয়া না, তার নাম কালাম। তবে এলাকার সবাই কালিয়া বলে ডাকে, অামি তাকে বললাম, এই কালিয়া এদিকে অায়, সে অামার কাছে অাসে। তখন জিজ্ঞেস করি কিছু খাবি, তখন কালিয়া বলে চিপস খাবে। অামি একটা চিপসের প্যাকেট নিয়ে দিয়ে বললাম এখানে বস।
সে অামার পাশে বসলো, চিপসের প্যাকেট টা যেমনি দিলাম তেমনি তার হাতে। অামি তখন বলি, কিরে কালিয়া চিপস খাবি বললি চিপস নিয়ে দিলাম এখন খাস না কেন। সে তখন বলে, বাসায় নিয়ে খাবো।
অামি একটু অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করি বাসায় কেনো এখানে খেলে কি হয়। তখন সে বলে, বাড়িতে অামার ছোট বোন অাছে,তাই বাসায় নিয়ে দুইজনে মিলে একসাথে খাবো।
---
কালিয়ার কথা শুনে মনে হল কিছু সময়ের জন্য আমার পৃথিবীটা থেমে গেছে।নিজের ভেতর কেমন একটা অদ্ভুত অস্বস্তি কাজ করছে ।কালিয়ার ছোট একটা বোন অাছে বলে সে একটা চিপস থাকে ছাড়া খাচ্ছে না, তার ছোট বোনের সাথে খাবে বলে । অার অামার দুইটা ছোট বোন অাছে, অামি ছোট একটা কারনে তাদের ওপর র
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now