বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

প্রথম দেখা সেই মেয়েটি। (সুমু)

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান এস এম মোরশেদুল ইসলাম (০ পয়েন্ট)

X গল্পঃ প্রথম দেখা সেই মেয়েটি। (সুমু) কয়টা বাজে? - বিকেল ৪ টা ৪০ মিনিট ৩২ সেকেন্ড। - আপনার আসার কথা ছিলো কয়টাই আর আসলেন কয়টাই? - না মানে সরি আসতে একটু লেইট হয়ে গেছে। ( যদিও আমি ইচ্ছে করেই দেরি করে এসেছি তারপরও মিথ্যা বললাম) - ইচ্ছে করেই দেরিতে আসলেন আবার বলছেন লেইট হয়ে গেলো।। বিয়ের আগেই মিথ্যা বলা শুরু করলেন, না জানি বিয়ের পরে কি হয়। - যতটা ভেবেছিলাম তার থেকে বেশি অবাক হলাম মেয়েটার কথা শুনে।কি করে বুঝে গেল আমি ইচ্ছে করেই দেরি করে এসেছি।আর কোথাই আমি তাকে বলতে এসেছি আমি বিয়ে করবো না আর ওনি বিয়ের পড়ে কি হবে সেটা নিয়ে ভাবতে শুরু করেছে। - কি ভাবছেন? মিথ্যা বললেন ধরে ফেললাম এটা ভাবছেন তো? মিথ্যা বলতে পারেন না তো মিথ্যা বলেন কেন? - আমিতো পুরাই টাশকি খেয়ে গেলাম মেয়ের কথা শুনে।আমি যে মিথ্যা বললাম বুঝলো কি ভাবে।আর মেয়েটা কি কোন এফ এম রেডিও তে কাজ করে নাকি এত কথা বলে? তার প্রশ্নের প্রতি উত্তরে কি বলবো কিছুই বুঝতে পারছি না।জিবনে দ্বিতীয় বারের মত না বোঝার মাঝ খানে বসে আছি। - কি ভাবছেন? আর হা আমি কিন্তু কথা বেশি বলি।এটা আপনাকে সয্য করে নিতে হবে। - মনে মনে বলছি এ মামার বাড়ির আবদার পাইছে ওনি যা বলবে তাই মানতে হবে।ওনাকে বিয়ে করলে তো।জিবনে অনেক গল্প পড়েছি ছেলেরা মেয়েকে জিঙ্গেস করে আর তার উলটো। কোথাই আমি তাকে কিছু বলবো না তিনি এফ এম রেডিওর মত বলেই যাচ্ছেন।এটা মানতে হবে ওটা সয্য করতে হবে ইত্যাদি ইত্যাদি। - চুপ হয়ে আছেন কেন? আপনার কিছু বলার নাই? - আপনার এফ এম রেডিওর আলোচনা কি শেষ? - এফ এম রেডিও মানে? আচ্ছা আপনি কি এফ এম রেডিও শুনেন? এফ এম রেডিও না আমার খুব প্রিয় এই যে রেডিও ফোরর্টি,রেডিও আমার,রেডিও ট্রৃডে এগুলো চ্যানেল আমার খুব প্রিয়। - আল্লাহ তুমি আমারে কই আইনা ফালাই লা।এই মাইয়ার মাথাই মনে হয় প্রবলেম আছে।আমাদের পাবনাতে মানসিক হসপিটালে ভর্তি করানোর দরকার মনে মনে বললাম কথাটা। - কিছু বলছেন না যে? - আমাকে কি আপনার প্রছন্দ হয়েছে? - এই কথা তো মেয়ে বলে।আপনি ছেলে হয়ে বলছেন কেন? - কারোন আমি আপনাকে বিয়ে করতে পারবো না। - কেন আমাকে আপনার প্রছন্দ হয়নি? - না মানে আমি এখন বিয়ে করতে চাচ্ছি না। - ওহ আচ্ছা বলেই মেয়েটা চুপ হয়ে গেলো।হাসি খুশি মুখটা মূহর্তেই কালো হয়ে গেলো।।আপনার আর কিছু বলার থাকলে বলতে পারেন। মেয়েটা মাথা নাড়িয়ে না সূচক জবাদ দিলো। না আর কোন কিছু বলার নেই।আচ্ছা আমি এখন আসি তাহলে বলেই মেয়েটা উঠে হাটা শুরু করলো হয়ত তার গন্ত্যবের দিকে।আমি এখনো বসে আছি।আজ নিজেকে খুব খুশি লাগছে।মেয়েটাকে না করে দিলাম।এখন বাবা মাকে কি ভাবে বোঝাবো আমি এখন বিয়ে করতে চাই না সবে মাত্ত চাকরিতে জয়েন করেছি লাইফটা আগে গুছিয়ে নেই তার পর বিয়ের চিন্তা মাথাই আনবো ভেবে ছিলাম। - কিন্তু আমার আম্মাজান উঠে পড়ে লেগেছে আমার বিয়ে দেওয়ার জন্য। তাই এখানে আমাকে একপ্রকার বাধ্য হয়ে আসতে হয়েছে। আসার কথা ছিলো ৪ টাই।একটু দেরি করে এসেছিলাম যেন চলে যাই কিন্তু না ওনি বসেই ছিলেন এতক্ষন।মেয়েটার নাম নিঝুম।দেখতে মাশাআল্লাহ খুব সুন্দর।যে কেও প্রছন্দ করবে নিঝুম কে দেখে।নিঝুম কে দেখার পর নিজের কাছে কেমন জানি পরিচিত পরিচিত মনে হচ্ছিলো হয়ত আমাদের আগেও কোথাও দেখা হয়েছিলো।যাকগে বাসার উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম।আজ অনেক দিন পর হাটছি।হেটেই বাসাই যাচ্ছি কেন যানি হাঁটতে খুব ভাল লাগছে।রাস্তার পাশ দিয়ে আনমনে হেঁটেই চলেছি। - বাসাই এসে শুয়ে পড়লাম।কোথা থেকে মা এসে হাজির জানি এখন শুরু করবে মেয়েটা দেখতে কেমন? প্রছন্দ হয়েছে কিনা ইত্যাদি ইত্যাদি।সবাই এত অবুঝ কেন? কেন বোঝেনা আমি এখন বিয়ে করতে চাই না। - হ্যারে মেয়েটা খুব ভালো তাইনা? দেখতেও অনেক সুন্দর। তোর সাথে মানাবে ভালো। মেয়েটাকে আমার ভিষন প্রছন্দ হয়েছে।তোর এই মেয়েকেই বিয়ে করতে হবে। - মা প্লিজ একটু থামবে।আমি জানতাম তুমি এই কথাই বলবে।আমারো তো একটা প্রছন্দ অপ্রছন্দ আছে তাই না? তোমরা কি শুরু করলে বলোতো? - তুই কি কাউকে প্রছন্দ করিস? - সেটা তোমার জেনে লাভ নেই তুমি এখন জাও তো। - আমি এত কিছু বুঝিনা এই মেয়েকে আমার আর তোর বাবার খুব প্রছন্দ হয়েছে এই মেয়ে কেই বিয়ে করতে হবে এটাই শেষ কথা।বলে মা চলে গেলো। না বাবা মা জোর করেই বিয়ে দিবে নাকি? এটা কোন কথা হলো,জোর করেই অচেনা একটা মেয়েকে একটা ছেলের ঘারে চাপিয়ে দেওয়া এটা তো ঠিক না।কে বোঝাবে তাদের কে? - রাতে খেতে বসেছি আমি, মা এবং বাবা আমার সামনে।বাবা বলে উঠলো তুমি নাকি ওই মেয়েকে বিয়ে করবে না? বাবার সামনে কখনো মাথা উচু করে কথা বলিনি।মাথা নিচু করেই জবাব দিলাম না। বাবা বললো কেন তোমার প্রছন্দ হয়নি? আমি প্রতি উত্তরে বললাম হা কিন্তু আমি এখন বিয়ে করবো না। জানি না বাবা কেমন দৃষ্টিতে আমার দিকে তাকিয়ে ছিলো বাবার কথা শুনে অনুভব করলাম হয়ত খুব রাগি লুক নিয়ে তাকিয়ে ছিলো।কারোন যখন বলল ৭ দিনের মধ্যে তোমাকে বিয়ে দিবো আর আমাদের প্রছন্দ হওয়া মেয়েটার সাথে.....


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১২২৩ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now