বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন

বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

বড় নানার জীন পালা

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান MD.Belal Hosan (৫ পয়েন্ট)



X গল্পটা আম্মুর কাছ থেকে শুনা। বড় নানা (আমার নানার বাবা) অনেক নামাজি মানুষ ছিলেন। নানুর বাড়ির এলাকাতে উনার এখনো নাম-ডাক আছে। বড় নানাদের এলাকাতে এক পীর ছিল। সবাই বলত তিনি জীন পালন। বড় নানার অনেক সখ হলো সেই জীন দেখার। তাই তিনি ওই পীরের কাছে গেলেন আর বললেন তার ইচ্ছার কথা। পীর তাকে বললেন আগে কলা গাছ থেকে এক কাধি কলা নিয়ে আসতে। তো বড় নানা পীরের কথা মতো গাছ থেকে এক কাধি কলা কেটে কাধে নিয়ে পীরের বাড়ির দিকে রওনা দিলেন। পীরের বাড়ির কাছা কাছি এসে উনার মনে হলো কলার কাধিটা কেনো যেনো হালকা মনে হচ্ছে। উনি কলার কাধিটা কাধ থেকে নামিয়ে দেখলেন অর্ধেক কলা নেই। তিনি একটু ভয় পেয়ে পীরের বাড়িতে ঢুকলেন আর রাস্তায় কী ঘটেছে তা বললেন। পীর তখন কিছু না বলে বড় নানাকে নিয়ে কূয়ার কাছে গেলেন। বড় নানা দেখলেন কূয়ার দেয়ালের উপর ১টা পিচ্ছি ছেলে লাফাচ্ছে। চোখের পলকেই ছেলেটা এক রকম উধাও হয়ে গেল। বড় নানার মনে হলো ছেলেটা হয়ত কূয়ার পানিতে পরে গেছে তাই সে দৌড়িয়ে কূয়ার কাছে গিয়ে পানিতে উকি দিল কিন্তু কিছু দেখতে পেল না। তখন পীর সাহেব বললেন ওই ছেলেটা আসলে উনার জীন। জীনটা বাচ্চা জীন। ওই জীনটার চিন্তাসীমা একটা ৮-৯ বছরের মানুষের বাচ্চার মতো। জীনটা যেকোনো সময় যে কারো রুপ নিতে পারে। মিস্টি জিনিস অনেক পছন্দ করত। বড় নানার কলা ও ওই জীনই খেয়ে ছিল বলল পীর সাহেব। ওই দিনের পর থেকে বড় নানার জীন পালার সখ জাগল। পীরকে উনার জীন পালার সখের কথা বলায় পীর উনাকে বললেন জীন পালা সহজ ব্যাপার না। জীন যেমন মানুষের অনেক সাহায্য করে তেমনি জীনের মন মতো না চললে তাকে মেরে চলে যায়। তাই জীন পালতে হলে তাকে সব সময় পাক পবিত্র থাকতে হবে,নামাজ কাজা করা যাবে না ইত্যাদি ইত্যাদি। বড় নানা তাই নামাজ কালামে আরও বেশি জোর দিতে থাকেন। এক সময় তিনি জীন পালার জন্য প্রস্তুত হওয়ায় পীরের মাধ্যমে অনেক রীতিনীতি পালন করে তিনি এক জীনের মালিক হবার সুযোগ পান। জীনটি নাকি বড় নানাকে নামাজের সময় হলেই নামাজ পড়ার কথা বলত। বড় নানার কিছু খাওয়ার ইচ্ছা হলে জীনটি ওই খাবার এনে দিত। এইভাবে কিছু বছর কাটার পর বড় নানা নামাজ কালামের দিক দিয়ে একটু অলস হয়ে পরায় জিনটি বড় নানাকে ছেড়ে চলে যায় আর শাস্তি হিসেবে বড় নানার এক পাশ অবস করে দিয়ে যায়। আর বড় নানা যেই দিন মরা গেলেন ওই দিন সারারাত বাসার বাইরের বেল গাছে কারো কান্নার শব্দ পাওয়া গেছে আর সকাল বেলা বেল গাছটা গোড়া থেকে ভাংগা অবস্থায় পাওয়া গেছে। গাছটা এমন ভাবে ভাংগা ছিল যেন কেউ গাছটি মোচড়িয়ে ভেংগেছে। আমি ও ওই ভাংগা গাছ দেখেছিলাম। এই ছিল ঘটনা। গুছিয়ে লিখতে পারি নি বলে দুঃখিত।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৮৮৪ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...