বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন

বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

তিতুনি এবং তিতুনি পার্ট ৪৭

"মজার গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Radiyah Ridhi (২৯০ পয়েন্ট)



X কথাটা শুনে টোটন এমনভাবে তাকাল যেন অন্য তিতুনির মাথা পুরোপুরি খারাপ হয়ে গেছে। সে মুখে একটা বিদ্রূপের হাসি এনে কিছু একটা বলতে যাচ্ছিল, তার আগেই সত্যি সত্যি একটা কাক ছাউনি থেকে উড়ে এসে ঠিক ফিটফাট মানুষের মাথায় বাথরুম করে দিল। ছোট একটা কাকের পেটে এত বিপুল পরিমাণ বাথরুম থাকতে পারে কে জানত! কারণ দেখা গেল কাকের বাথরুম তার মাথা, চোখ, গাল বেয়ে ধবধবে সাদা শার্ট পর্যন্ত ছড়িয়ে গেছে । হতচকিত মানুষটা অবিশ্বাসের দৃষ্টিতে একবার নিজের দিকে তারপর মাথা উঁচু করে কাকটার দিকে তাকাল। আর ঠিক তখন অন্য কাকগুলো কা কা করে উড়ে এসে মানুষটার মাথা, ঘাড়, মুখে ঠোকরাতে শুরু করে। মানুষটা দুই হাতে নিজেকে রক্ষা করার চেষ্টা করে, কিন্তু কাক খুবই ভয়ংকর পাখি, দল বেঁধে থাকলে তাদেরকে ঠেকানো সোজা কথা নয়। মানুষটা নিজেকে বাঁচানোর জন্যে দৌড়ে তার গাড়িটাতে ওঠার চেষ্টা করে কিন্তু তার আগেই সে হুমড়ি খেয়ে পড়ে গেল। কাকগুলো যে রকম হঠাৎ করে এসেছিল ঠিক সে রকম হঠাৎ করে উড়ে আবার তাদের ছাউনির উপর ফিরে গেল। সেখানে বসে খুবই নিরাসক্তভাবে কাকগুলো ফিটফাট মানুষটাকে দেখতে থাকে। কাকদের এই ঝটিকা আক্রমণ দেখে বেশ কিছু মানুষ ছুটে আসে। মাটিতে উপুড় হয়ে পড়ে থাকা মানুষটাকে টেনে দাঁড় করায়। চশমাটা ভেঙে গেছে, নাকটা মনে হয় থেঁতলে গেছে। মাথায়, মুখে, ঘাড়ে কাকের ধারালো ঠোঁটের আঘাতের চিহ্ন। বেশিরভাগ মানুষ শুধু কাকের ঝটিকা আক্রমণটুকু দেখেছে, মেয়েটাকে ধাক্কা দিয়ে ঢেলে দেয়ার আগের অংশটুকু দেখেনি, তাই তাদের সমবেদনাটা এই মানুষটার জন্যে, তারা হভাগা কাকগুলোকে গালি দিতে দিতে তাকে ঠিকঠাক করার চেষ্টা করতে থাকে। ছোট মেয়েটা তার সবগুলো সিদ্ধ ডিম ঝুড়িতে ভরে সোজা হয়ে দাঁড়াল। ঝুড়িটা দুই হাতে বুকে জড়িয়ে ধরে মানুষটাকে দেখল, তারচোখে-মুখে একধরনের ভয়ের ছাপ নেমে আসে। কাকদের এই ঝটিকা আক্রমণের জন্যে তাকেই দায়ী করে তার উপর আরো বড় কোনো শাস্তি নেমে আসবে কি না কে জানে। সে দ্রুত সরে যেতে যেতে একবার টোটন আর অন্য তিতুনির দিকে তাকাল। অন্য তিতুনির চোখের দিকে তাকিয়ে সে কী দেখল কে জানে, বিড়বিড় করে নিচু গলায় তাকে বলল, “আল্লাহর মাইর চিন্তার বাইর।” তারপর সে ছুটে পালিয়ে যেতে থাকে। ঠিক তখন আব্বু একটা ক্যাব নিয়ে হাজির হলেন। বললেন, “চলো, সবাই ঝটপট উঠে পড়ো।”


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৪১ জন


এ জাতীয় গল্প

→ তিতুনি এবং তিতুনি পার্ট ১০০(শেষ পার্ট)
→ তিতুনি এবং তিতুনি পার্ট ৯৯
→ তিতুনি এবং তিতুনি পার্ট ৯৮
→ তিতুনি এবং তিতুনি পার্ট ৯৭
→ তিতুনি এবং তিতুনি পার্ট ৯৬
→ তিতুনি এবং তিতুনি পার্ট ৯৫
→ তিতুনি এবং তিতুনি পার্ট ৯৪
→ তিতুনি এবং তিতুনি পার্ট ৯৩
→ তিতুনি এবং তিতুনি পার্ট ৭০
→ তিতুনি এবং তিতুনি পার্ট ৬৯
→ তিতুনি এবং তিতুনি পার্ট ৬৮
→ তিতুনি এবং তিতুনি পার্ট ৬৭
→ তিতুনি এবং তিতুনি পার্ট ৬৬
→ তিতুনি এবং তিতুনি পার্ট ৯২
→ তিতুনি এবং তিতুনি পার্ট ৯১

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...