বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
তিতাস অনলাইন স্কুলে প্রিমিয়ার লাইভ
২০জুন ২০২০
শাহাবৃদ্ধি আব্দুল কাদের ভূইয়া মেমোরিয়াল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্লাস করে রেকর্ডিং করা সম্ভব নয়। স্কুলের চারপাশে থেকে আওয়াজ আসে। ক্লাস রেকর্ডিং এর সময় আওয়াজও রেকর্ডিং হয়। শাহাবৃদ্ধি সাকুরা কিন্ডার গার্ডেনের প্রিন্সিপাল আল-আমিনকে বললাম, তোমার কেজি স্কুলে অনলাইন ক্লাস রেকর্ডিং করব একটা রুম খুলে দিবে? আল আমিন জানাল, সাকুরা কেজি স্কুলের মালিক মোস্তাক আহমেদ ভূইয়ার সাথে আলাপ করে জানাবে।
সাকুরা কেজি স্কুলের মালিকের সাত্থে আলাপ করে আমাকে একটি রুম দিল ক্লাস করাতে। এই কেজি স্কুলে সাদা বোর্ড নাই তাই শাহাবৃদ্ধি কালু শাহ্ মাদ্রাসা থেকে আনা ছোট বোর্ডটি কেজি স্কুলের একটি রুমে টাঙ্গালাম। তারপর দুপুরে জোহর নামাজের পর ভাই এবং আমি দুজনে দু/তিনটি ক্লাস রেকর্ডিং করি। আর এইকাজে পরিচালকের ভূমিকায় কাজ করেছে আমার আমার ভাতিজা শাহরেয়াজুর রাজ। রাজ জুরানপুর আদর্শ কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্র। করোনার কারণে কলেজ বন্ধ।
আমার স্কুলে আমার বিষয় হলো কৃষি শিক্ষা এবং আইসিটি। অনলাইনে আইসিটির ভাল ভাল ক্লাস আছে আর কৃষি শিক্ষা ঐচ্ছিক বিষয় তাই এই দুই বিষয়েই আমি ক্লাস করানো ঠিক হবে না। আমি দশম শ্রেণির বাংলা প্রথম পত্র আর ভাই দশম শ্রেনির ইংরেজি ক্লাস রেকর্ডিং করেছি। রাতে এই ক্লাসগুলো তিতাস অনলাইন স্কুলে প্রিমিয়ার লাইভ এবং ইউটিউবে আমার চ্যানেলে আপলোড করি। প্রতিদিন প্রায় পাচ/ছয় জিবি ডাটা লাগে। ভিডিওগুলো কনভার্ট করে সাইজ ছোট করতে পারি না। তাই সরাসরি আপলোড করি।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now