বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন

বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা

আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ইলুমিনাতি 'দ্য সিক্রেট সোসাইটি' পুরো পৃথিবীর জন্য এক ভয়ঙ্কর ফিতনা ।

"রহস্য" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Md Mehedi Hasan Rifat (০ পয়েন্ট)



X ইলুমিনাতি শব্দটি এসেছে ল্যাটিন শব্দ ‘ইলুমিনেতাস’ (illuminatus) থেকে, যার অর্থ আলোকিত । ইলুমিনাতরা লুসিফার নমক শয়তানকে আলোর দিশারি মনে করে । ইলুমিনাতি হচ্ছে একটি ইয়াহুদি নিয়ন্ত্রিত গুপ্ত সংগঠনের নাম । যারা লুসিফার নামক শয়তানের পূজোক । আবার তারা একচোখ বিশিষ্ট দেবতাকে (দাজ্জাল) ঈশ্বর হিসেবে মানে । তারা তার আগমনকে তরান্বিত করতেই বিশ্বব্যাপী পাপ কাজকে ছড়িয়ে দিচ্ছে । বিভিন্ন কৌশলে তারা বলে থাকে, এই এক চোখ বিশিষ্ট ঈশ্বর পৃথিবীতে আগমন করে সারা বিশ্বব্যাপী তাদের একক রাজত্ব প্রতিষ্ঠিত করবেন । সে খুব অচিরেই আত্মপ্রকাশ করবে । হযরত ইবরাহিম আলাইহিস সালাম-এর সময় থেকেই ধারাবাহিক নমরুদ, ফেরাউন আর এদের আপডেট ভার্সনই হচ্ছে আজকের এই ইলুমিনাতি । তারা বিশ্বাস করে, এই এক চোখ বিশিষ্ট ঈশ্বর বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলে অবস্থান করে বিশ্বব্যাপী নজরদারি করছে । তাই তারা তাদের মূল প্রতীক হিসেবে ত্রিভুজ আকৃতি বা পিরামিডের মাথায় এক চোখ ব্যবহার করে । তার জলন্ত উদাহরণ হলো আমেরিকার এক ডলারের নোট । বলা হয়ে থাকে, ১৭৭৬ ঈসায়ি সনের ১ই মে ব্যাভারিয়া তে “অ্যাডাম ওয়েইশপ্ট” এই সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেন । কিন্তু ব্যাপারটা এমন না । এই ইলুমিনাতির ভাবনা আসলে তারও আগে থেকে। ১৭৭০ ঈসায়ি সনে; ‘এমশেল মেয়ার রথসচাইল্ড’ ইউরোপীয় ব্যাংকার সিন্ডিকেটকে নিয়ে এই সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেন । পরে ১৭৭৬ ঈসায়ি সনে এই দলটি পুনর্গঠিত করতে অ্যাডাম ওয়েইশপ্টকে নিয়োগ দেয় । অ্যাডাম ওয়েইশপ্ট দলটিকে একদম নতুন দল হিসেবে প্রকাশ ঘটান । তিনি এর নাম দেন 'অর্ডার অফ ইলুমিনাতি'। ইলুমিনাতি সিম্বল: ইলুমিনাটির বাহ্যিক প্রতীক হলো The All seeing eye আর ত্রিভুজ । তবে তাদের আভ্যন্তরীণ প্রকৃত প্রতীক হলো Owl of Minerva । এছাড়াও তারা নিজেদের মধ্যে পরিচিত হতে বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গি, চিহ্ন বা সঙ্কেত ব্যবহার করে । তাদের এমনই এটি সংকেত আমাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তারা সুকৌশলে ভাইরাল করেছে মুসলিমদের ঈমান নষ্ট করার উদ্দ্যেশ্যে । সাঙ্কিতিক সেই চিহ্নটি হলো LOL .এর মুল মিনিং হলো, Lusifer is Our Lord. অর্থ- লুসিফার নামক শয়তান আমাদের ঈশ্বর । ইলুমিনাতি সাইন: বর্তমানে ইলুমিনাতি নিয়ন্ত্রণ করছে ইউরোপ এবং আমেরিকার ১৩টি সম্পদশালী পরিবার; যাদের শক্তির মূলে রয়েছে অকাল্ট এবং ইকোনমি । এই পরিবারগুলো ব্ল্যাক ম্যাজিক এবং অকাল্টচর্চা (মূলত শয়তানের উপাসনা) করে বলেই এদের ‘কৃষ্ণ অভিজাত’ বা ‘ব্ল্যাক নোবেলিটি’ বলা হয় । যে ১৩ টি পরিবার এই বিশুদ্ধ শয়তানি ব্লাড লাইন সংরক্ষণ করে ইলুমিনাতি পরিচালনা করছে তারা হল- ১.দ্য এস্টর ব্লাডলাইন (The Astor Bloodline) ২. দ্য বান্ডি ব্লাডলাইন (The Bundy Bloodline) ৩. দ্য কলিন্স ব্লাডলাইন (The Collins Bloodline) ৪. দ্য দ্যুপন্ট ব্লাডলাইন (The DuPont Bloodline) ৫. দ্য ফ্রিম্যান ব্লাডলাইন (The Freeman Bloodline) ৬. দ্য ক্যানেডি ব্লাডলাইন (The Kennedy Bloodline) ৭. দ্য লি ব্লাডলাইন (The Li Bloodline) ৮. দ্য ওনাসিস ব্লাডলাইন (The Onassis Bloodline) ৯. দ্য রেনল্ডস ব্লাডলাইন (The Reynolds Bloodline) ১০. দ্য রকফেলার ব্লাডলাইন (The Rockefeller Bloodline ১১. দ্য রথসচাইল্ড ব্লাডলাইন (The Rothschild Bloodline) ১২. দ্য রাসেল ব্লাডলাইন ( The Russell Bloodline) ১৩. দ্য ব্যান দ্যুন ব্লাডলাইন (The Van Duyn Bloodline) ইলুমিনাতি দ্য সিক্রেট সোসাইটির লক্ষ্য হল আমাদের দাজ্জালের দলে অন্তর্ভুক্ত করা । আমরা সবাই জানি, দাজ্জাল পৃথিবীতে আসবে। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ফিতনা হবে দাজ্জাল।আমরা কিভাবে জানবো দাজ্জাল আসবে? আমরা কিভাবে দাজ্জালের দলে অন্তর্ভুক্ত হচ্ছি? আমাদের প্রান প্রিয় নবী (সাঃ) বলে গেছেন "দাজ্জাল আসার আগেই তোমাদের মাঝে বংশ বিস্তার করবে,তার মধ্যে সব বড় ফেতনা হয়ে দারাবে মেয়েরা" । এই বংশ বিস্তার আরেক নাম "ইলুমিনাতি" মানে আমরা তাদের এইসব অনুসরণ করে এই দলে নাম লিখবো । মূলত পুরো পৃথিবীতে ইলুমিনাতিদের নাম ডাক আজ অনেকটা তুঙ্গে । কিন্তু তারা এইটা চায় না যে, কেউ জানুক তারা 'ইলুমিনাতি' । এমনকি সরাসরি প্রকাশও করে না । কৌশলে ফিতনার বিষ ঢুকিয়ে দিচ্ছে আমাদের মাঝে । লক্ষ্য করলে দেখবেন, আইডল সেলিব্রিটিরা তাদের হাতের বিভিন্ন স্টাইল করে ত্রিভুজীয় পিরামিড আকারে । তাছাড়া বিভিন্ন শয়তানের সিম্বল তারা হাত দিয়ে প্রকাশ করে। ফেরাউন, নমরুদ, দাজ্জাল এদের বিভিন্ন চিহ্ন সম্বলিত ট্যাটু করে তাদের হাতে । তিন আংগুল, একচোখ ঢাকা ইত্যাদি স্টাইল তারা করে । তারা এমন কিছু মাধ্যম ব্যবহার করবে যা আমরা অনুসরণ করতে বাধ্য। নিম্নে তার কিছু উদাহরণ দেয়া হল । ১. আমারা বিভিন্ন ভিডিও কলে নিজেকে কিছু কৃওিম মুখোস লাগিয়ে থাকি,যেই মুখসের ১ চোখ আছে অন্য চোখ অন্ধ ।এটাই হলো দাজ্জালের আগমনের সংকেত । ২.অনার্স এর কিছু বইয়ে কভার দিয়েছে এই ইলুমিনাতি । যা আমাদের চোখের সামনে বার বার আসবে আর আমরাও তা দেখে উৎসহিত হব । ৩. আমরা যাদের নাটক বা ছবি দেখি,সেই বিখ্যাত মানুষদের গায়ে ট্যাটু থাকবে যা ইলুমিনাতি । তারা এসব প্রচার করবে, তাও আমরা তাকে অনুসরন করবো । ৪. কেউ ভিডিও কলে নিজের ফেইস কে বিকৃত করবে,মানে এক চোখ অন্ধ,বা ভুত সাজবে । ৫. বর্তমানে অনেক প্লেস এ দেয়ালে এক চোখ অন্ধ কিছু প্রিন্টিং থাকবে যা আমাদের আক্রিষ্ট করবে । ৬. টিকটক ভিডিও। যারা টিকটক ভিডিও করে, তারা এদের সবচেয়ে বড় অনুসরণকারী ব্যক্তি । কারন মালাকুল মউত যখন চলে আসবে তখন খুব দেরি হয়ে যাবে, ভিডিওটি অনলাইনে সেভ হয়ে থাকবে আর যত মানুষ দেখবে আজাব তত হবে । এখন বলতে পারেন, আমরা এগুলো করলেই তো আর দাজ্জালের ফিতনায় পড়ে যাচ্ছি না । এমনকি আমরা এগুলো জানিও না, তাহলে এতে সমস্যা কী! সমস্যা এখানেই, এই জিনিসগুলো আমাদের ব্রেইনে সাধারণভাবে সেট হয়ে যাচ্ছে । আমরা এগুলো দেখছি, করছি আর পরবর্তী প্রজন্মও এগুলো সহজ ভাবে নিচ্ছে । তারপরের প্রজন্ম তার পরবর্তী প্রজন্ম এগুলোকে আরো সহজভাবে নেবে । আর একসময় দাজ্জালকেই সাধারণ হিসেবে নিবে । দাজ্জালই মনে করবে না।কারণ, তারা দাজ্জালের সাইন সিম্বলগুলো সাধারণভাবেই দেখে আসছে । এখন আমরা ভাবতে পারি, সে কখন আসবে কে জানে । আমরা তো মরেই যাবো ততোদিনে । আর এখন যদি আসেও আমরা তার ফিতনার শিকার হবো না । হয়তো এমনও ভাবছি, জান দিয়ে দেবো তাও ঈমান দেবো না । আপনি পুরোপুরি দীন মানার চেষ্টা না করলেও কিন্তু এই কথাগুলোই এখন ভাবছেন । সঙ্গে সঙ্গে এটাও ভাবছেন, মরলেও ইসলাম ছাড়বো না । দাজ্জালের ফিতনার শিকার হবো না । কথাটি সাময়িক সত্য হলেও আপনি নিজেই জানেন না, আপনার নিজের অজান্তেই আপনি দাজ্জালের ফিতনার শিকার । রাসুল (সাঃ)শুধু শুধু দাজ্জালের ফিতনা সবচেয়ে বড় ফিতনা বলেননি বর্তমানে আমরা বিভিন্ন ট্রেন্ড ফলো করি । ফলো করি বড় বড় সেলেব্রিটিদের । তাদের স্টাইল থেকে শুরু করে সবকিছুই আমাদের জানা । কিন্তু এরাই কিন্তু দাজ্জালের এজেন্ডা । আর এরাই ইলুমিনাতির বড় বড় রাঘব বোয়াল । Katy Perry তার ৪ বছর আগের ‘Dark Horse’ গানে নমরুদ রুপে নিজেকে দেখিয়েছিল । এদের সব গানেই কৌশলে বিভিন্ন সাইন-সিম্বল দেখিয়ে যাচ্ছে । তাদের গানের লিরিক্সের অর্থ মেলালেই কিছু গোলমাল অনুভব করতে পারবেন । সম্প্রতি ইলুমিনাতি নিয়ে ভিডিও দিলে ইউটিউব আর মনিটাইজ দেয়া না । এমনকি ওই চ্যানেলও বন্ধও করে দেয়া হয় ।এই ইলুমিনাতি নিয়ে ভিডিও করার জন্য সবচেয়ে বড় ইসলামিক চ্যানেল ‘Merciful Servant’ কে নানা সমস্যায় পড়তে হয় আমরা প্রায়ই দেখি বড় বড় সেলেব্রিটিরা আত্মহত্যা করে, এক্সিডেন্ট করে। এগুলো কি শুধুই সাধারণ মৃত্যু! ইলুমিনাতিতে নানা ব্লাক ম্যাজিক এবং শয়তানের সাথে আত্মার বিনিময় বা বিক্রি পর্যন্ত করে থাকে । এর দ্বারা তাদের দুনিয়ার নানা ইচ্ছা পূরণ করে শয়তান । যা হয়ে থাকে ব্লাক ম্যাজিকের মাধ্যমে । চমকে গেলেন ? আত্মার বিনিময় বা বিক্রি আবার কিভাবে করে ! মহান আল্লাহ ﷻ বলেন, “এরা এমন বিদ্যা শিখত, যদ্দ্বারা তাদের ক্ষতি সাধিত হতো আর এদের কোনো উপকার হতো না এবং অবশ্যই তারা জানতো যে, যে ব্যক্তি ঐ কাজ অবলম্বন করবে পরকালে তার কোনই অংশ থাকবে না, আর যার পরিবর্তে তারা স্বীয় আত্মাগুলোকে বিক্রয় করেছে, তা কতই না জঘন্য, যদি তারা জানত!” (সুরা বাকারা, আয়াত : ১০২) এত্থেকে বাঁচার উপায় কী? হুম। আমরা হয়তো বিভিন্ন কোম্পানিগুলোর সেবা নেয়া বন্ধ করতে পারব না । তবে তাদের টেকনোলজিগুলো আমরা ভাল কাজে ব্যবহার করতে পারি । তাছাড়া এইসব সেলেব্রিটিদের স্টাইল থেকে তো দূরে থাকতে পারি । সময় এসেছে নিজেও ইলুমিনাতি নিয়ে একটু ভাবুন, পড়ুন, জানুন এবং অন্যকে এই ভয়াবহ ফিতনা সম্পর্কে সতর্ক করুন


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২৬৭ জন


এ জাতীয় গল্প


Warning: mysqli_fetch_array() expects parameter 1 to be mysqli_result, boolean given in /var/sites/g/golperjhuri.com/public_html/story.php on line 344

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...